ডঃ মধুমঙ্গল সিনহা
ডঃ মধুমঙ্গল সিনহা-এর ব্লগ
-
আজ ১৯ শে মে।
ক্যালেন্ডারের পাতায় একটা সাধারণ সংখ্যা,
অথচ আমার জিপকোড আর সেলফোন স্ক্রিনের গভীরে
এটা একটা জ্বলন্ত সেমিকোলন। [বিস্তারিত] -
রাত তখন এগারটা বাজতে পাঁচ মিনিট বাকি। গোয়েন্দা অর্ণব সেনের ছোট্ট অফিসঘরে হলুদ আলো যেন ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। পুরনো কেসের ফাইলগুলো টেবিলে ছড়ানো — প্রতিটি পাতায় কারো না কারো অমীমাংসিত জীবনের গল্প। ঠান্... [বিস্তারিত]
-
চেন্নাইয়ের মাধবরামের সরু গলিতে সন্ধ্যার আলো নিভে আসছিল — ঠিক যেভাবে একটা মোমবাতি নেভে, আস্তে আস্তে, নিজের মধ্যে গুটিয়ে।
রাস্তার পাশে অটোরিকশার ভিড়, মাছের দোকান থেকে ভেসে আসা ঝাঁঝালো গন্ধ, কোথাও কো... [বিস্তারিত] -
"বড় হলো।" শাস্ত্রী বললেন। "বাজিরাও তাঁকে সর্বোত্তম শিক্ষা দিলেন। সংস্কৃত শেখালেন, ফার্সি শেখালেন, ঘোড়া চালাতে শেখালেন। রাজনীতির পাঠ দিলেন। কিন্তু সবচেয়ে বড় যে পাঠ দিলেন — সেটা হলো পরিচয়ের পাঠ।"
... [বিস্তারিত] -
দুপুরের রোদ তখন হিংস্রভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ছিল হরি নগরের সরু গলির উপর। গলির দুপাশে পুরনো দোতলা বাড়ি, দেওয়ালে খসে পড়া পলেস্তারা, কারও বারান্দায় ভেজা কাপড়, কারও দরজায় সামনে তুলসীর গাছের নিচে জ্বলন্ত আ... [বিস্তারিত]
-
"সাহেব, ধুন্দুপন্ত যখন শিশু ছিলেন, তখন তাঁকে বলা হয়েছিল — তুমি পেশোয়ার পুত্র। সেই পরিচয় নিয়েই তিনি বড় হয়েছেন। ঘোড়া চালাতে শিখেছেন, তলোয়ার ধরতে শিখেছেন, পেশোয়ার যোগ্য হওয়ার জন্য সারাটা জীবন প... [বিস্তারিত]
-
বাইরে হুগলি নদীর বুকে বাতাস বইছিল। কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সদর দফতরের সেই বিশেষ কক্ষে বাতাস ঢোকার কোনো পথ ছিল না। ভারী পর্দা টানা, দরজা বন্ধ। মোমবাতির আলোয় তিনটি মুখ — তিনটি ভিন্ন দুনিয়ার মান... [বিস্তারিত]
-
কেওড়াতলার ছায়া
__________
কেওড়াতলা মহাশ্মশানে সেদিন অন্যরকম একটা ভারী বাতাস ছিল।
গোয়েন্দা অর্ণব মিত্র ভিড়ের একটু দূরে দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরালেন না —শুধু চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলেন। প্রসেনজিৎ, পরমব... [বিস্তারিত] -
একটি গোয়েন্দা গল্প
_____________
রবিবারের বিকেলটা ছিল অস্বাভাবিক রকম নিস্তব্ধ।
গোয়েন্দা অর্ণব মিত্র তাঁর ভবানীপুরের ছোট্ট অফিসে বসে ঠান্ডা চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিলেন, যখন... [বিস্তারিত] -
রাত তখন বারোটা ছুঁই ছুঁই।
বিশ্রামগঞ্জ থানার জ্বলন্ত বাল্বগুলো মাঝে মাঝে কাঁপছে। বাইরে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। দূরে কোথাও একটা কুকুর ঘেউ ঘেউ করে থেমে গেল।
ওসি অজিত দেববর্মা নড়লেন না।
তাঁর চোখ আটকে আছে ল্... [বিস্তারিত] -
আগরতলা শহরের উমাকান্ত রোডের অপর পাশে, দেবনাথ পরিবারের তিনতলা বাড়িটা দাঁড়িয়ে ছিল বছরের পর বছর ধরে। ১৮৯২ সালে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন বৃন্দাবন দেবনাথ — ত্রিপুরার মহারাজার দরবারে যিনি ছিলেন প্রধান রাজস... [বিস্তারিত]
-
ধর্মনগরের হরি মন্দিরের ঘণ্টা যখন ভোরের প্রথম আলোয় বাজে, তখন বিবেকানন্দ রোডের সেই গলিটা ঘুমিয়েই থাকে। রাস্তার ধুলো তখনো উড়ে ওঠেনি, কুকুরগুলো গুটিসুটি পড়ে আছে বাড়ির দাওয়ায়, আর মন্দিরের ধূপের গন্ধ... [বিস্তারিত]
-
আগরতলার মহারাজগঞ্জের পুরনো দেবনাথ বাড়িটা এখনও টিকে আছে — ভাঙা ইটের গায়ে শ্যাওলার স্তর, বারান্দায় তুলসীমঞ্চ, আর দরজায় লাল সিঁদুরে আঁকা স্বস্তিকা চিহ্ন। শীতের বিকেলে কুয়াশা নামে একটু তাড়াতাড়ি। সেই... [বিস্তারিত]
-
রাত তখন এগারোটা বেজে সাত মিনিট।
আগরতলার শহর ছেড়ে বিশ্রামগঞ্জের দিকে যাওয়া পুরনো পিচের রাস্তায় একটি অ্যাম্বাসেডর গাড়ি থামল। হেডলাইট নিভে গেল। চারদিকে শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর দূর থেকে ভেসে আসা নদীর... [বিস্তারিত] -
আগরতলার হরিগঙ্গা বসাক রোডের পুরনো বাড়িটার সামনে দিয়ে যখন সন্ধ্যার শেষ আলো মিলিয়ে যায়, তখন মনে হয় এ শহর যেন কোনো পুরোনো উপন্যাসের পাতায় আঁকা একটা ছবি। চারিদিকে শিউলির গন্ধ, দূরে মন্দিরের ঘণ্টার শ... [বিস্তারিত]
