কাসুন্দি
ড. ইউনুস আসলেই একজন বিশ্বমানের খেলোয়ার এবং অত্যন্ত দক্ষ রাজনৈতিক কৌশলী—এমন ধারণা অনেকের মধ্যেই রয়েছে। তাদের মতে, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তার রাজনৈতিক পরিকল্পনা ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও বহুমাত্রিক।
এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে দলটিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার মধ্য দিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ গড়ে তোলাই ছিল তার প্রধান লক্ষ্য। সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে এমন একটি নির্বাচনী চিত্র কল্পনা করা হয়েছিল, যেখানে জামায়াতে ইসলামী ১৮০–২০০টি আসন, এনসিপি ৭০–৭৫টি আসন, বিএনপি ৩০–৩২টি আসন এবং অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১০–১২টি আসন পাবে।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলে যেতে থাকে। সমালোচকদের অভিযোগ, প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা, রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার, নিজের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ, কথিত 'মব' বাহিনীর কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া, তৈরি পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি, বিচারব্যবস্থায় হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন ঘটনার কারণে সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমতে শুরু করে। ফলে পূর্বপরিকল্পিত নির্বাচনী সমীকরণ বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।
এমন প্রেক্ষাপটে আরেকটি প্রশ্ন সামনে আসে—আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক ভোটার কি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ভোট দেবে? যদি সেই ভোটের বড় অংশ অন্যদিকে চলে যায়, তাহলে পরিকল্পিত নির্বাচনী হিসাব ভেস্তে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই, এই মতের সমর্থকদের দাবি, তফসিল ঘোষণার আগেই ড. ইউনুস লন্ডনে গিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল একটি সমঝোতায় পৌঁছানো এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিকল্পনায় বিএনপিকে সম্পৃক্ত করা। এমনও দাবি করা হয় যে, ক্ষমতার অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত দিয়ে বিএনপিকে সেই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়।
এই বিশ্লেষণের সমর্থকদের মতে, এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান বিএনপি সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রভাবের বাইরে অবস্থান করছে না। তাদের অভিযোগ, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সম্পর্কে সরকারের নীরবতা সেই ধারণাকেই শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের দিকেই সরকার ক্রমশ অগ্রসর হচ্ছে।
এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে দলটিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার মধ্য দিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ গড়ে তোলাই ছিল তার প্রধান লক্ষ্য। সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে এমন একটি নির্বাচনী চিত্র কল্পনা করা হয়েছিল, যেখানে জামায়াতে ইসলামী ১৮০–২০০টি আসন, এনসিপি ৭০–৭৫টি আসন, বিএনপি ৩০–৩২টি আসন এবং অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১০–১২টি আসন পাবে।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলে যেতে থাকে। সমালোচকদের অভিযোগ, প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা, রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার, নিজের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ, কথিত 'মব' বাহিনীর কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া, তৈরি পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি, বিচারব্যবস্থায় হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন ঘটনার কারণে সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমতে শুরু করে। ফলে পূর্বপরিকল্পিত নির্বাচনী সমীকরণ বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।
এমন প্রেক্ষাপটে আরেকটি প্রশ্ন সামনে আসে—আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক ভোটার কি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ভোট দেবে? যদি সেই ভোটের বড় অংশ অন্যদিকে চলে যায়, তাহলে পরিকল্পিত নির্বাচনী হিসাব ভেস্তে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই, এই মতের সমর্থকদের দাবি, তফসিল ঘোষণার আগেই ড. ইউনুস লন্ডনে গিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল একটি সমঝোতায় পৌঁছানো এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিকল্পনায় বিএনপিকে সম্পৃক্ত করা। এমনও দাবি করা হয় যে, ক্ষমতার অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত দিয়ে বিএনপিকে সেই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়।
এই বিশ্লেষণের সমর্থকদের মতে, এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান বিএনপি সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রভাবের বাইরে অবস্থান করছে না। তাদের অভিযোগ, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সম্পর্কে সরকারের নীরবতা সেই ধারণাকেই শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের দিকেই সরকার ক্রমশ অগ্রসর হচ্ছে।
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
জে এস এম অনিক ০৫/০৭/২০২৬খুবই ভালো লিখেছেন কবি
