খোকার পান্তা ইলিশ
পহেলা বৈশাখের সকাল। খোকা ঘুম থেকে উঠে দেখে মা পান্তা-ইলিশ সাজিয়ে রেখেছে। কিন্তু তার চোখে আনন্দ নেই। পাশের বাড়ির রিকশাওয়ালার ছেলে রাফি দরজার আড়াল থেকে তাকিয়ে আছে—খালি পেটে।
খোকা থেমে যায়। নিজের থালা তুলে নিয়ে বাইরে গিয়ে বলে, “চল, আমরা একসাথে খাই।” রাফির চোখে জল চিকচিক করে ওঠে।
দু’জন মাটিতে বসে ভাগ করে খায় পান্তা আর ইলিশ। খোকার মনে হয়, এটাই আসল উৎসব—ভাগাভাগির আনন্দ।
দূরে ভেসে আসে বৈশাখী গান, আর মা দাঁড়িয়ে মুচকি হাসেন—মানবতার এই ছোট্ট পাঠেই যেন নতুন বছরের সত্যিকারের শুরু।
খোকা থেমে যায়। নিজের থালা তুলে নিয়ে বাইরে গিয়ে বলে, “চল, আমরা একসাথে খাই।” রাফির চোখে জল চিকচিক করে ওঠে।
দু’জন মাটিতে বসে ভাগ করে খায় পান্তা আর ইলিশ। খোকার মনে হয়, এটাই আসল উৎসব—ভাগাভাগির আনন্দ।
দূরে ভেসে আসে বৈশাখী গান, আর মা দাঁড়িয়ে মুচকি হাসেন—মানবতার এই ছোট্ট পাঠেই যেন নতুন বছরের সত্যিকারের শুরু।
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
শঙ্খজিৎ ভট্টাচার্য ১৯/০৪/২০২৬বেশ
-
আখলাক হুসাইন ১৭/০৪/২০২৬ভালো
-
জে এস এম অনিক ১৩/০৪/২০২৬দারুণ
