কাজ করো
লোকে কাজ নিয়ে অনেক কথা বলে। যেমন- যে কাজ পাবে, সেই কাজ করবে; কাজে কখনো ফাঁকি দেবে না; সর্বদা মন দিয়ে কাজ করবে; জানবে কাজ হল সবথেকে বড় ধর্ম, তাই কাজের থেকে বড় এই পৃথিবীতে কিছু হয় না; নিজের কাজকে আগে পুজো করা উচিত; যে কাজ করতে চায় না, এই পৃথিবী তার জন্য নয়; কাজ করে যাও কিন্তু ফলের আশা করো না; কাজ করতে করতে প্রাণ দাও; ইত্যাদি। এর তালিকা বিরাট বড়- আমার থেকে আপনারা ভালো জানেন। তবে এই কাজ নিয়ে বিশেষ কিছু কথা আমি বলতে চাই।
যে কাজ পাবে, সেই কাজ করবে। হ্যাঁ, পেটের দায়ে বেশিরভাগ মানুষকেই এই কথাটা মেনে চলতে হয়। পেটের জ্বালা সব থেকে বড় জ্বালা- এই জ্বালার কাছে সব ধর্ম হার মেনে যায়। পেটের ইচ্ছা মনের ইচ্ছার থেকেও বড়। তবে এখানে কথা হল, কোনো শিক্ষিত মানুষ যে সে কাজ করতে পারে না কারণ পেটের জ্বালার থেকে সম্মানের জ্বালা ভীষণ।
কাজে কখনো ফাঁকি দেবে না। সঠিক কথা। কাজে ফাঁকি দেওয়া মানে নিজেকে ঠকানো, নিজের পেটে নিজে ছুরি মারা। আমি মানছি যে কাজে ফাঁকি দেওয়া বহু মানুষের স্বভাব। কিন্তু শিক্ষিত মানুষ মনের মতো কাজ না পেলে কাজে ফাঁকি দেয়। মালিক ঠিক সময় বেতন না দিলে বহু লোক কাজে ফাঁকি দেয়। আবার কাজ একঘেয়ে হয়ে গেলে, ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
সর্বদা মন দিয়ে কাজ করবে। মনের মতো কাজ হলেই কাজে মন লাগে। পেটের দায়ে বহু লোককে কাজে মন দিতে হয়, এদের মধ্যে শিক্ষিত মানুষও শামিল। বহু শিক্ষিত লোকের মনের মতো চাকরি হয় না, কিন্তু পেটের দায়ের কাছে তাদের মন হার মেনে কাজে মন বসায়। আবার কাজের জায়গায় মালিক ও সহকর্মীরা যদি খারাপ ব্যবহার করে, তাহলে মন মরে যায়। তখন ভালো কাজেও মন বসে না। কাজের জায়গায় ভালো ব্যবহার পেলে, ভালো কাজ না পাওয়ার ব্যথা ভুলে, মনটা কাজে দেওয়া যায়।
জানবে কাজ হল সবথেকে বড় ধর্ম, তাই কাজের থেকে বড় এই পৃথিবীতে কিছু হয় না। আগে জীবন, তারপর জীবিকা। জীবনকে বাঁচানো সবথেকে বড় ধর্ম। জীবন যদি না বাঁচে জীবিকা বাঁচবে কিভাবে ! মনের মতো কাজ না পেলে জীবনটা মরে বেঁচে থাকে, তখন জীবিকা ধর্মের ষাঁড় হয়ে যায়। ষাঁড় এক নিমেষে লোকালয় লণ্ডভণ্ড করে দিতে পারে, তাই এই জগতে সেইই বড় !
চলবে
যে কাজ পাবে, সেই কাজ করবে। হ্যাঁ, পেটের দায়ে বেশিরভাগ মানুষকেই এই কথাটা মেনে চলতে হয়। পেটের জ্বালা সব থেকে বড় জ্বালা- এই জ্বালার কাছে সব ধর্ম হার মেনে যায়। পেটের ইচ্ছা মনের ইচ্ছার থেকেও বড়। তবে এখানে কথা হল, কোনো শিক্ষিত মানুষ যে সে কাজ করতে পারে না কারণ পেটের জ্বালার থেকে সম্মানের জ্বালা ভীষণ।
কাজে কখনো ফাঁকি দেবে না। সঠিক কথা। কাজে ফাঁকি দেওয়া মানে নিজেকে ঠকানো, নিজের পেটে নিজে ছুরি মারা। আমি মানছি যে কাজে ফাঁকি দেওয়া বহু মানুষের স্বভাব। কিন্তু শিক্ষিত মানুষ মনের মতো কাজ না পেলে কাজে ফাঁকি দেয়। মালিক ঠিক সময় বেতন না দিলে বহু লোক কাজে ফাঁকি দেয়। আবার কাজ একঘেয়ে হয়ে গেলে, ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
সর্বদা মন দিয়ে কাজ করবে। মনের মতো কাজ হলেই কাজে মন লাগে। পেটের দায়ে বহু লোককে কাজে মন দিতে হয়, এদের মধ্যে শিক্ষিত মানুষও শামিল। বহু শিক্ষিত লোকের মনের মতো চাকরি হয় না, কিন্তু পেটের দায়ের কাছে তাদের মন হার মেনে কাজে মন বসায়। আবার কাজের জায়গায় মালিক ও সহকর্মীরা যদি খারাপ ব্যবহার করে, তাহলে মন মরে যায়। তখন ভালো কাজেও মন বসে না। কাজের জায়গায় ভালো ব্যবহার পেলে, ভালো কাজ না পাওয়ার ব্যথা ভুলে, মনটা কাজে দেওয়া যায়।
জানবে কাজ হল সবথেকে বড় ধর্ম, তাই কাজের থেকে বড় এই পৃথিবীতে কিছু হয় না। আগে জীবন, তারপর জীবিকা। জীবনকে বাঁচানো সবথেকে বড় ধর্ম। জীবন যদি না বাঁচে জীবিকা বাঁচবে কিভাবে ! মনের মতো কাজ না পেলে জীবনটা মরে বেঁচে থাকে, তখন জীবিকা ধর্মের ষাঁড় হয়ে যায়। ষাঁড় এক নিমেষে লোকালয় লণ্ডভণ্ড করে দিতে পারে, তাই এই জগতে সেইই বড় !
চলবে
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
