ঈশ্বর পুজো
সমাজে এমন মানুষ খুব চোখে পড়ে- যিনি ঈশ্বরের পুজো করেন, অথচ অহংকারের বশে অপরকে ছোট করেন এবং অপরের সাথে সর্বদা খারাপ ব্যবহার করেন; যিনি কারো সুখ দেখতে পারেন না এবং অপরের সুখে হিংসা করেন; যিনি অন্যের ক্ষতি করে নিজের জায়গা বাঁচান; যিনি অন্যের গায়ে বা ঘরে অযথা আগুন লাগিয়ে দারুণ মজা পান; ইত্যাদি। এই সকল মানুষদের মুখে কি ঈশ্বরের নাম মানায়? যারা অসুর, তারা ধর্মের যথাযথ প্রয়োগ জানেন না। তারা অধর্মকেই ধর্ম ভাবেন কারণ তারা নিজেকে ঈশ্বরের সমান বলে মনে করেন, নিজে যা বলবেন বা করবেন সেটাই ঠিক, ভুল হলেও ঠিক। নিজেকে যখন কেউ ঈশ্বরের সমান ভাবেন, তখনই বিপদ- তিনি নায়ক হয়ে ওঠেন, তা তিনি ডান বা বাঁ, যে হাতেই লিখুন না কেন! তার ঘরে বাইরে, দোকানে বাজারে, মাঠে ময়দানে, অফিস কাছারিতে, এক কথায় সকল কাজে কর্মে সিংহাসন চাই। সিংহাসন না পেলে ধর্মযুদ্ধের ঘোষণা। ধর্মের অপপ্রয়োগ- ঈশ্বর আরাধনার নামে ঈশ্বরের অবমাননা। ঈশ্বরের অবমাননা মানে মানুষের অবমাননা। এই সকল মানুষদের কারণে কত নিরীহ প্রাণ বলি হয়।
আমার মতে এই সকল মানুষের পাশে ঈশ্বর নেই। হতে পারে এনারা হঠাৎ দারুণ সুখের ঠিকানা খুঁজে পান, কিন্তু সেই সুখ চিরস্থায়ী নয়। অল্প সময়ের জন্য সেই সুখ।
যিনি কোনো কিছুর অহংকার করেন না, কোনো মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন না, কোনো মানুষকে ঠকান না, কোনো মানুষের ক্ষতি করেন না, কোনো মানুষকে হিংসা করেন না, সকল মানুষের মঙ্গল চান ও করেন, শত্রুর খারাপ চান না; যিনি বিপদে অপরের পাশে দাঁড়ান ও প্রতিদানে কিছু চান না; তিনি মূর্তি পুজো না করলেও মানুষের মূর্তির ভিড়ে ঈশ্বরকে খুঁজে পান।
আমার মতে এই সকল মানুষের পাশে ঈশ্বর আছেন। এনারা সিংহাসন না পেলেও, জীবনে শান্তি পান, যা সময়ের মতো মূল্যবান জিনিস। এনারা বিপদে পড়লেও ঠিক উদ্ধার হয়ে যান। এনাদের প্রদীপের আলো সারা জীবন মিটমিট করে জ্বলে- হঠাৎ উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে উঠে তারপর চিরতরে নিভে যায় না। জানবেন বিপদ কখনো শয়তানের পিছু ছাড়ে না। শয়তানের মুখোশ সতের সামনে খুলে যায় আর তখনই হয় শয়তানের মৃত্যু ও সতের জিৎ।
তাই মানুষকে ভালোবেসে ঈশ্বরের পুজো করুন ও মানুষের মাধ্যমে ঈশ্বরের ভালোবাসা পান।
আমার মতে এই সকল মানুষের পাশে ঈশ্বর নেই। হতে পারে এনারা হঠাৎ দারুণ সুখের ঠিকানা খুঁজে পান, কিন্তু সেই সুখ চিরস্থায়ী নয়। অল্প সময়ের জন্য সেই সুখ।
যিনি কোনো কিছুর অহংকার করেন না, কোনো মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন না, কোনো মানুষকে ঠকান না, কোনো মানুষের ক্ষতি করেন না, কোনো মানুষকে হিংসা করেন না, সকল মানুষের মঙ্গল চান ও করেন, শত্রুর খারাপ চান না; যিনি বিপদে অপরের পাশে দাঁড়ান ও প্রতিদানে কিছু চান না; তিনি মূর্তি পুজো না করলেও মানুষের মূর্তির ভিড়ে ঈশ্বরকে খুঁজে পান।
আমার মতে এই সকল মানুষের পাশে ঈশ্বর আছেন। এনারা সিংহাসন না পেলেও, জীবনে শান্তি পান, যা সময়ের মতো মূল্যবান জিনিস। এনারা বিপদে পড়লেও ঠিক উদ্ধার হয়ে যান। এনাদের প্রদীপের আলো সারা জীবন মিটমিট করে জ্বলে- হঠাৎ উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে উঠে তারপর চিরতরে নিভে যায় না। জানবেন বিপদ কখনো শয়তানের পিছু ছাড়ে না। শয়তানের মুখোশ সতের সামনে খুলে যায় আর তখনই হয় শয়তানের মৃত্যু ও সতের জিৎ।
তাই মানুষকে ভালোবেসে ঈশ্বরের পুজো করুন ও মানুষের মাধ্যমে ঈশ্বরের ভালোবাসা পান।
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
জে এস এম অনিক ২৩/০৪/২০২৬চমৎকার
-
শ.ম. শহীদ ২৬/০৩/২০২৬দারুণ উপস্থাপন। শুভেচ্ছা রইলো।
-
ফয়জুল মহী ২২/০৩/২০২৬চমৎকার লিখেছেন
