ভয়াবহ দুর্ঘটনা
এই দুর্ঘটনা নিজের চোখে দেখা নয়। আমার দু জন সহকর্মী - মুক্তা ও সুমিত - আমাকে বলেছে। আমি ওদের আগে অফিসে এসেছিলাম, ওরা এসেছিল আমি আসার পনেরো মিনিট বাদে। আমি ওই দুর্ঘটনা চোখের সামনে দেখলে কোথায় থাকতাম কে জানে? পুরুষ মানুষের আবার ভয় কি! কিন্তু রক্ত দেখলে বহু পুরুষ ভয় পায়। যেমন লাল কাপড় দেখলে ষাঁড় রেগে যায়, কুকুর বা বিড়াল রাগে না।
বলে রাখি, আমি তামিল নাড়ুর উথানগড়াই নগরে চাকরি করি। আমি একটা কোম্পানির বিজ্ঞানী পদে আছি।
বর্ণনায় আসা যাক। ঘটনাস্থল প্রধান সড়ক। সময় সকাল নয়টার আশেপাশে। দুটো চার চাকার গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ। এত বড় রাস্তা, দু পাশ দিয়ে দু দিকে গাড়ি যাচ্ছে, মুখোমুখি সংঘর্ষ কিভাবে হবে? মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে। এর একটাই জবাব, ওভারটেক। একটা গাড়িতে কেবল একজন মহিলা ছিল, ওপর গাড়িতে চারজন মহিলা পর্যটক। ভুল প্রথম গাড়িটার কারণ যে সব চালক দূরপাল্লার গাড়ি চালায়, তাদের ভুল কম হয়।
মুক্তা বলল: দু জন চালক সাথে সাথেই মারা গেছে। তাদের মাথায় আঘাত লেগেছে। গাড়ি দুটোর সামনের কাঁচ ভেঙে চুরমার। কি ভয়ঙ্কর অবস্থা!
মুক্তা যে ভয় পেয়েছে, ওকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। ওর স্বর কাঁপছিল।
সুমিত বলল: দু জন পর্যটক মহিলার শ্বাস কষ্ট হচ্ছে, বাকি দু জন অজ্ঞান হয়ে গেছে আর যে মহিলা একা ছিল গাড়িতে, সে রক্ত বমি করছে। তাদের বাঁচার আশা খুব কম।
আমি জিজ্ঞেস করি: তাদের কি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে?
মুক্তা জবাব দেয়: জানি না, আমারা বেশিক্ষণ দাঁড়াই নি, শরীর খারাপ লাগছিল।
এই প্রধান সড়কে মানুষ প্রায় প্রতিদিন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আমার অফিস অর্থাৎ ল্যাব থেকে মাত্র পনেরো মিনিটের হাঁটা পথ সেই ঘটনাস্থল। কখনও বাইকে বাইকে ধাক্কা লাগে, কখনও ট্রাক উল্টে যায়, কখনও বা রাস্তা পার হতে গিয়ে মানুষ বাসের চাকার তলায় চাপা পড়ে। ওই রাস্তা দিয়ে কাজে যেতে বা কাজ থেকে বাড়ি ফিরতে সত্যি ভয় ভয় করে। মা বাবাও সারা দিন চিন্তায় থাকেন।
সুমিত বাইক নিয়ে আবার ঘটনাস্থলে গেছিল। ফিরে এসে জানালো: রাস্তা পুরো পরিষ্কার। একটু আগে সেখানে কোনো ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনেই হচ্ছে না। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেছে কিনা জানি না। কোনো ভিড় নেই, লোক নেই খবর দেওয়ার।
আমার মনে হল সময়টা হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য থমকে গেছে।
বলে রাখি, আমি তামিল নাড়ুর উথানগড়াই নগরে চাকরি করি। আমি একটা কোম্পানির বিজ্ঞানী পদে আছি।
বর্ণনায় আসা যাক। ঘটনাস্থল প্রধান সড়ক। সময় সকাল নয়টার আশেপাশে। দুটো চার চাকার গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ। এত বড় রাস্তা, দু পাশ দিয়ে দু দিকে গাড়ি যাচ্ছে, মুখোমুখি সংঘর্ষ কিভাবে হবে? মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে। এর একটাই জবাব, ওভারটেক। একটা গাড়িতে কেবল একজন মহিলা ছিল, ওপর গাড়িতে চারজন মহিলা পর্যটক। ভুল প্রথম গাড়িটার কারণ যে সব চালক দূরপাল্লার গাড়ি চালায়, তাদের ভুল কম হয়।
মুক্তা বলল: দু জন চালক সাথে সাথেই মারা গেছে। তাদের মাথায় আঘাত লেগেছে। গাড়ি দুটোর সামনের কাঁচ ভেঙে চুরমার। কি ভয়ঙ্কর অবস্থা!
মুক্তা যে ভয় পেয়েছে, ওকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। ওর স্বর কাঁপছিল।
সুমিত বলল: দু জন পর্যটক মহিলার শ্বাস কষ্ট হচ্ছে, বাকি দু জন অজ্ঞান হয়ে গেছে আর যে মহিলা একা ছিল গাড়িতে, সে রক্ত বমি করছে। তাদের বাঁচার আশা খুব কম।
আমি জিজ্ঞেস করি: তাদের কি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে?
মুক্তা জবাব দেয়: জানি না, আমারা বেশিক্ষণ দাঁড়াই নি, শরীর খারাপ লাগছিল।
এই প্রধান সড়কে মানুষ প্রায় প্রতিদিন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আমার অফিস অর্থাৎ ল্যাব থেকে মাত্র পনেরো মিনিটের হাঁটা পথ সেই ঘটনাস্থল। কখনও বাইকে বাইকে ধাক্কা লাগে, কখনও ট্রাক উল্টে যায়, কখনও বা রাস্তা পার হতে গিয়ে মানুষ বাসের চাকার তলায় চাপা পড়ে। ওই রাস্তা দিয়ে কাজে যেতে বা কাজ থেকে বাড়ি ফিরতে সত্যি ভয় ভয় করে। মা বাবাও সারা দিন চিন্তায় থাকেন।
সুমিত বাইক নিয়ে আবার ঘটনাস্থলে গেছিল। ফিরে এসে জানালো: রাস্তা পুরো পরিষ্কার। একটু আগে সেখানে কোনো ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনেই হচ্ছে না। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেছে কিনা জানি না। কোনো ভিড় নেই, লোক নেই খবর দেওয়ার।
আমার মনে হল সময়টা হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য থমকে গেছে।
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
ফয়জুল মহী ২৭/১২/২০২৫Very sad 😭
