বিবেক
বর্তমান সমাজের রীতিনীতি দেখে মাঝে মাঝে অবাক হতে হয়। তথাকথিত এক শ্রেণির তৌহিদী জনতা শুধু মাজার বা খানকাহর ভক্তদের ভুল ধরতেই ব্যস্ত। যেখানে একদল মানুষ সহজ-সরল জীবন আর আধ্যাত্মিক জ্ঞান অন্বেষণের চেষ্টা করে। সেখানেই তাদের যত প্রতিবাদ আর বিক্ষোভ। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো। সেই একই জনতা সমাজের বড় বড় সুদখোরদের সামনে মাথা নত করে থাকে।
সুদ যাকে পবিত্র কোরআন ও হাদিসে আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং যার ভয়াবহতা নিজের মায়ের সাথে জিনা করার সমান সেই জঘন্য কাজে লিপ্ত ব্যক্তিরাই আজ আমাদের সমাজের কর্ণধার। তাদের অগাধ টাকা আছে বলে আমরা তাদের মসজিদের সভাপতি বানাই মাদ্রাসার সেক্রেটারি করি। আর মাহফিলের মঞ্চে বিশেষ অতিথির আসনে বসিয়ে সম্মান জানাই।
সেখানে কোনো বিক্ষোভ নেই। নেই কোনো জোরালো প্রতিবাদ। কারণ তাদের কাছে অর্থ আছে। যা দিয়ে তারা আপনাদের তুষ্ট করতে পারে। আর অন্যদিকে নিঃস্ব সাধু বা আধ্যাত্মিক সাধকদের কাছে হয়তো বিলিয়ে দেওয়ার মতো অর্থ নেই। তাই আপনাদের চোখে তাদের কোনো সম্মানও নেই।
তাহলে কি এটাই বর্তমান সমাজের বিচার? সুদের টাকায় পকেট গরম করা ব্যক্তিরা হবে সম্মানিত মুসলমান আর যারা সহজ পথে চলে আল্লাহর অলীদের মহব্বত করে। তারা হয়ে যাবে 'ভণ্ড'? ধর্মের নামে এই দ্বিমুখী আচরণ আসলে আমাদের নৈতিক দেউলিয়াত্বকেই প্রকাশ করে।
আল্লাহ তায়ালা সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন৷ কেউ ভুল করলে তাকে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ করে দেও। আমিন।
✍️জে এস এম অনিক
ঢাকা
সুদ যাকে পবিত্র কোরআন ও হাদিসে আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং যার ভয়াবহতা নিজের মায়ের সাথে জিনা করার সমান সেই জঘন্য কাজে লিপ্ত ব্যক্তিরাই আজ আমাদের সমাজের কর্ণধার। তাদের অগাধ টাকা আছে বলে আমরা তাদের মসজিদের সভাপতি বানাই মাদ্রাসার সেক্রেটারি করি। আর মাহফিলের মঞ্চে বিশেষ অতিথির আসনে বসিয়ে সম্মান জানাই।
সেখানে কোনো বিক্ষোভ নেই। নেই কোনো জোরালো প্রতিবাদ। কারণ তাদের কাছে অর্থ আছে। যা দিয়ে তারা আপনাদের তুষ্ট করতে পারে। আর অন্যদিকে নিঃস্ব সাধু বা আধ্যাত্মিক সাধকদের কাছে হয়তো বিলিয়ে দেওয়ার মতো অর্থ নেই। তাই আপনাদের চোখে তাদের কোনো সম্মানও নেই।
তাহলে কি এটাই বর্তমান সমাজের বিচার? সুদের টাকায় পকেট গরম করা ব্যক্তিরা হবে সম্মানিত মুসলমান আর যারা সহজ পথে চলে আল্লাহর অলীদের মহব্বত করে। তারা হয়ে যাবে 'ভণ্ড'? ধর্মের নামে এই দ্বিমুখী আচরণ আসলে আমাদের নৈতিক দেউলিয়াত্বকেই প্রকাশ করে।
আল্লাহ তায়ালা সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন৷ কেউ ভুল করলে তাকে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ করে দেও। আমিন।
✍️জে এস এম অনিক
ঢাকা
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
শঙ্খজিৎ ভট্টাচার্য ১৯/০৪/২০২৬চমৎকার
-
আখলাক হুসাইন ১৫/০৪/২০২৬বাস্তব সম্মত
-
ফয়জুল মহী ১৪/০৪/২০২৬খুবই চমৎকার লিখেছেন l
