শিকড়ের ঘ্রাণ
ইঁট-পাথরের ধূসর খাঁচা আর যান্ত্রিকতার ক্লান্তি ঝেড়ে
যেই না পা রাখলাম চেনা মায়ের আঁচলের মতো সেই গাঁয়ে,
অমনি এক আদিম, স্বচ্ছ মাটির ঘ্রাণ-
যেন কোনো প্রাচীন দেবীর আশীর্বাদ হয়ে ছুঁয়ে গেল বুক;
শহুরে ধুলোবালিরূপী যত নাগরিক পাপ আর মলিনতা
নিমেষেই কর্পূরের মতো উবে গেল শূন্যতায়।
পথের দু-পাশে তখন আমার আজন্ম চেনা কদমফুলেরা,
যেন সবুজ ক্যানভাসে বিছানো এক একটি শুভ্র নক্ষত্র;
তারা সুবাসের ওড়না উড়িয়ে অভ্যর্থনার চাদর বিছিয়েছে চারিপাশে।
সেই মায়াবী সুবাসের নদী ভেদ করে যখন হেঁটে যাচ্ছিলাম,
এক অলৌকিক, অবিনশ্বর শান্তি এসে জড়িয়ে ধরল আমার ক্লান্ত অস্তিত্বকে।
তারপর- সেই বহু প্রতীক্ষিত নোঙর ফেলার ঘাট,
আমার জন্মদাত্রী মৃত্তিকার সেইসব চেনা মুখের দর্শন!
তাদের ওই এক চিলতে হাসির সুর্যের সমুখপানে দাঁড়াতেই,
বিগত দিনের জমাট বাঁধা কষ্টের পাথর, প্রবাসের তপ্ত দীর্ঘশ্বাস-
নিমেষেই বাষ্প হয়ে হারিয়ে গেল, ঠিক কালবৈশাখী শেষের মেঘের মতো।
চারিদিকে এখন বিহঙ্গের কলতান- যেন প্রকৃতির নিজস্ব অর্কেস্ট্রা,
চোখ জুড়ানো আদিগন্ত সবুজের সমুদ্র,
আর পাতার আঙুল গলে নেমে আসা নরম, সোনা-ঝরা মিষ্টি রোদ।
সব মিলিয়ে, বুকের ভেতর চেপে বসা পাহাড়টা আজ উধাও-
নিজেকে বড্ড হালকা, বড্ড অবিনাশী লাগছে আজ;
যেন অন্তহীন মহাশূন্যের বুকে ডানা মেলা,
কোনো এক টুকরো স্বাধীন, মুক্ত, সাদা মেঘের ভেলা!
যেই না পা রাখলাম চেনা মায়ের আঁচলের মতো সেই গাঁয়ে,
অমনি এক আদিম, স্বচ্ছ মাটির ঘ্রাণ-
যেন কোনো প্রাচীন দেবীর আশীর্বাদ হয়ে ছুঁয়ে গেল বুক;
শহুরে ধুলোবালিরূপী যত নাগরিক পাপ আর মলিনতা
নিমেষেই কর্পূরের মতো উবে গেল শূন্যতায়।
পথের দু-পাশে তখন আমার আজন্ম চেনা কদমফুলেরা,
যেন সবুজ ক্যানভাসে বিছানো এক একটি শুভ্র নক্ষত্র;
তারা সুবাসের ওড়না উড়িয়ে অভ্যর্থনার চাদর বিছিয়েছে চারিপাশে।
সেই মায়াবী সুবাসের নদী ভেদ করে যখন হেঁটে যাচ্ছিলাম,
এক অলৌকিক, অবিনশ্বর শান্তি এসে জড়িয়ে ধরল আমার ক্লান্ত অস্তিত্বকে।
তারপর- সেই বহু প্রতীক্ষিত নোঙর ফেলার ঘাট,
আমার জন্মদাত্রী মৃত্তিকার সেইসব চেনা মুখের দর্শন!
তাদের ওই এক চিলতে হাসির সুর্যের সমুখপানে দাঁড়াতেই,
বিগত দিনের জমাট বাঁধা কষ্টের পাথর, প্রবাসের তপ্ত দীর্ঘশ্বাস-
নিমেষেই বাষ্প হয়ে হারিয়ে গেল, ঠিক কালবৈশাখী শেষের মেঘের মতো।
চারিদিকে এখন বিহঙ্গের কলতান- যেন প্রকৃতির নিজস্ব অর্কেস্ট্রা,
চোখ জুড়ানো আদিগন্ত সবুজের সমুদ্র,
আর পাতার আঙুল গলে নেমে আসা নরম, সোনা-ঝরা মিষ্টি রোদ।
সব মিলিয়ে, বুকের ভেতর চেপে বসা পাহাড়টা আজ উধাও-
নিজেকে বড্ড হালকা, বড্ড অবিনাশী লাগছে আজ;
যেন অন্তহীন মহাশূন্যের বুকে ডানা মেলা,
কোনো এক টুকরো স্বাধীন, মুক্ত, সাদা মেঘের ভেলা!
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
ফয়জুল মহী ২১/০৬/২০২৬অনন্য
