www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

ঘর সংসার

চাবির গোছাটা পর্ণার হাতে তুলে দিয়ে বলল - নাও। এবার জোরে শাঁখ বাজাও।
কাঁসার থালা থেকে শাঁখটা তুলে তিন্নি বলল - এই নাও মা।
পর্ণা কটমট করে তাকাল।
তিথি কেঁদে ফেলবে। তাই অনি কোলে তুলে নিল।
ঠাকুরমশাই ঘণ্টা নাড়িয়ে হালখাতা ও নববর্ষের পূজো শেষ করে বলল - সবার মঙ্গল হোক। এবার প্রণাম করুন।
সামুদ্রিক সুঁতিগুলো তালসারি থেকে এনে একটার উপর আর একটা রেখে স্বপ্নকে সাজিয়েছিল পর্ণা। সেই স্বপ্ন তিথিকে শেখাতে হার মেনেছে অনিন্দিতার কাছে।
অনি অনেকবার বলেছে - মা, যে যার মতো থাকো। দেখবে, তাতেই সকলের মধ্যে একটা খুশির যোগসূত্র তৈরি হয়। ভালোবাসার সম্পর্ক একাত্ম হয়।
অনিন্দিতা শোনে নি। বাবা শশাঙ্ক চলে যাওয়ায় মায়ের একাকীত্বে জড়িয়ে থাকা আবদারকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে ধ্বসে যাচ্ছে সংসার।
নিজের ভেতরে ভাঙচুর জোড়া লাগাতে কলম তুলে নেয় অনি। বোঝায় পর্ণাকে।
যে যার অফিস বেরিয়ে যায়। তিথি স্কুলে। অনিন্দিতা সবার মধ্যে অস্বস্তি ছড়িয়ে রাখে। এটা করিস নি কেন? এসব এ সংসারে চলবে না। তোমরা ভেবেছো কী? আমি কী মরে গেছি নাকি!
বাঁচিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টায় আজ পূজা রেখেছিল অনি।
আগেরদিন পূজোর সামগ্রী আর কিছু নতুন পোশাক কিনতে বারবার আলমারির চাবি অনিন্দিতাকে চাইতে হচ্ছে। অনি সামাল দেয়।
তাই আজ চাবি পেয়ে পর্ণা অনিন্দিতাকেও প্রণাম করে।
বৌমাকে জড়িয়ে ধরে অনিন্দিতা।
অনি সেই গল্প লিখে পাঠিয়ে দিয়েছিল। আজ সেটাই আমি পাঠ করে তোমাদের শোনালাম।
বিষয়শ্রেণী: গল্প
ব্লগটি ৯৫ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ২০/০৪/২০২৬

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

 
Quantcast