www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

মূলঘটনা তার জানা নাই

মূলঘটনা তার জানা নাই
সাইয়িদ রফিকুল হক

বাসায় মনের ভুলে অফিসের একটা জরুরি কাগজ ফেলে গিয়েছিল তাহমিনা। অফিস থেকে বিশেষ ছুটি নিয়ে সে আবার বাসায় ফেরার জন্য বেরিয়ে পড়লো।

ভাড়া মিটিয়ে সে উঠে পড়লো একটা রিক্সায়। এইসময় সে আর বাসটাস ধরার কোনো চেষ্টা করলো না। মোহাম্মদপুরের তাজমহল-রোড থেকে কল্যাণপুর খুব-একটা দূরে নয়। এই রাস্তাটুকু সে অনায়াসে রিক্সায় যেতে পারবে। মাঝে-মাঝে সে তার বাসার সামনে থেকে সরাসরি রিক্সা নিয়ে অফিসে আসে। আবার মাঝে-মাঝে কল্যাণপুর থেকে বাসে চড়ে আসাদ-গেইট হয়ে মোহাম্মদপুরের টাউনহলে কিংবা বাসস্ট্যান্ডে নেমে হেঁটে কিংবা রিক্সায় চড়েও অফিস করে। তবে সে তার বাসার সামনে থেকে ডাইরেক্ট রিক্সায় চড়ে অফিসে যাতায়াত করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে থাকে। আজও সে এইজন্য রিক্সায় চড়েছে।

এখন মাত্র দুপুর বারোটা বাজে। সে বসকে বলে এসেছে, দুপুরে খেয়েদেয়ে সামান্য একটু বিশ্রামের পরে সেই কাগজটা নিয়ে আবার সে অফিসে ফিরবে। এতে তার বস নকিবউদ্দিনসাহেব আর কোনো আপত্তি করেননি। আবার বাসায় কাগজটা আনতে যাওয়ায়—তার এই দায়িত্ববোধের কারণে তার বস যেন তার উপর মনে মনে আরও খুশি হয়েছেন। তাহমিনার সাধারণতঃ এরকম ভুল কখনো হয় না। আজই প্রথম তার এই ভুল হয়েছে। অফিসের অনেকেই বলছিল—দরকারি কাগজটা আগামীকাল আনলেও চলবে—তবুও সে কালকের জন্য তা ফেলে রাখতে চাচ্ছে না।

রিক্সার পথে কোনো যানজট না থাকায় সাড়ে বারোটার একটু পরে তাহমিনা বাসার নিচে এসে নামলো। ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে সে সিঁড়ির পথ ধরবে—কিন্তু তার আগে হঠাৎ তার চোখ গেল বাসার দিকে। সে অবাক হয়ে দেখলো, তাদের বাসার বারান্দায় একজন অল্পবয়স্ক মেয়ে—তরুণী হবে—সে খোলাচুলে দারুণ এক ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে রয়েছে! সে যেন নিজের চোখ দুটোকে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিল না। সঙ্গে-সঙ্গে সে ভীষণ চমকে গিয়ে থমকে দাঁড়ালো। সে আরও একবার দেখলো। তারপর আরও কয়েকবার। শেষমেশ তার মনে আর-কোনো সন্দেহ রইলো না। সে স্পষ্টভাবে বুঝতে পারলো—এটা তাদের চারতলার ভাড়াবাসা। আর সেখানে এখন তার সম্পূর্ণ অপরিচিত একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে! সে একেবারে নিশ্চিত হলো। মেয়েটি একমনে অন্য কোনোদিকে মুখফিরিয়ে ছিল বলে—সে তাহমিনার বিস্ফারিত চোখের বিস্ময়দৃষ্টি এখনও দেখতে পায়নি। মেয়েটিকে তার কোনো কলেজগার্ল বলে মনে হলো।
মেয়েটি কী-এক নিশ্চিন্তমনে বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। ওর নির্লিপ্ত হাবভাব দেখে তাহমিনার শরীরটা হঠাৎ যেন একটা অজানা আশঙ্কায় দুলে উঠলো। মেয়েটিকে তার এখন খুব স্বাভাবিক আর পেশাদার মনে হচ্ছে!
এইসময় তাহমিনার বুক কাঁপছিল! সে প্রায় টলতে-টলতে কোনোরকমে তাদের বাসার সিঁড়িটার নিচে এসে দাঁড়ালো। তারপর সে একটু ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য সময় নিলো। এখনও তার নিঃশ্বাস দ্রুতগতিতে চলছে! হঠাৎ তার যেন হার্ট-অ্যাটাক হওয়ার উপক্রম হলো!
এইসময় তাদের বাসায় তো কোনো মেয়ে থাকার কথা নয়—এমনকি কোনো মানুষও থাকার কথা নয়! কোনো মেহমানেরও তো তাদের বাসায় আসার কথা ছিল না! কারও আসার কথাও নয়! আর কেউ বাসায় আসলে বা আসতে চাইলে নাফিস তো তাকে আগে থেকে জানাতো! তবে কে সে? কে এসেছে তাদের বাসায়? কে সে? আর কেন এসেছে?
তাদের দুজনের কাছে বাসার দুটি চাবি থাকে। নাফিস অন্য অফিসে চাকরি করে। আর সে ফেরে তাহমিনার পরে। তবুও তার কাছে একটা চাবি দিয়ে রেখেছে তাহমিনা। যাতে কোনোদিন তার ফিরতে একটু দেরি হলে সে যেন কোনো কষ্ট না পায়। আর সে-ই কিনা আজ তার বিশ্বাসভঙ্গ করেছে! তার অনেক আশার স্বপ্ন যেন মাটিতে মিশে যেতে থাকে।
আজ সকালে নাফিস তো তার চোখের সামনে দিয়ে অফিসে চলে গেল! আর তাহমিনা তার বেরিয়ে যাওয়ার মিনিট দশেক পরে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। তারা দুজন স্বামী-স্ত্রী ছাড়া আর-কেউ এখানে ঢুকতে পারবে না। কারও আজ ঢোকার কোনো কথাও ছিল না!
তবে কি তার ভালোবাসার নাফিস আজ এই মেয়েটিকে এখানে এনে তুলেছে? সে কি তার কোনো পূর্বপরিচিতা? নাকি অপরিচিতা হয়েও কিছু সময়ের জন্য পরিচিতা?
তাহমিনা আর ভাবতে পারলো না। খুব কষ্টের একটা পাথরখণ্ড যেন তার হৃৎপিণ্ডটাকে চাপা দিতে থাকে। অতিকষ্টে তার দুচোখ ফেটে কয়েক ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়তে থাকে। তার বুকটা ভেঙে গেল একনিমিষে। এমন কেন হবে? আর এমন তো হওয়ার কোনো কথাও ছিল না। তাদের বিয়ে হয়েছে মাত্র চার মাস আগে! এখনও শেষ হয়নি তাদের হানিমুন-পর্ব! আর এরই মধ্যে কি তার অরুচি ধরে গেছে তার প্রতি? একসময় সে কেঁদেই ফেললো। তার এই কান্না—হেরে যাওয়ার লজ্জায়।
সে সিঁড়িটার নিচ থেকে বেরিয়ে আবার বাইরে এলো। আর দেখলো, তখনও বারান্দায় সেই মেয়েটি আগের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর সে দেখতে বেশ সুন্দর! আর তার বয়সটাও খুব কম!
সে নাফিসের প্রেমিকা নাকি ভাড়া করা কোনো কলগার্ল—তা তাহমিনা সহজে বুঝতে পারলো না। তার মনের ভিতরে দহন আর রক্তক্ষরণ হচ্ছে যেন! তার মাথাটা বন-বন করে ঘুরতে লাগলো।

তার এই বিধ্বস্ত চেহারার ভয়ংকর টালমাটাল অবস্থা দেখে একটা রিক্সাওয়ালা তার কাছে এগিয়ে এসে বললো, “যাইবেন, আপামণি?”
তাহমিনা তাকে হাতনেড়ে একপাশে থামতে বলে। মিনিটখানেক সে রিক্সাটা ধরে দাঁড়িয়ে রইলো। তারপর রিক্সাটাকে সে বিল্ডিংয়ের সামনে থেকে রাস্তার একপাশে সরিয়ে নিতে বললো। এরপর তুলে দিতে বললো রিক্সার হুড। সে রিক্সায় চড়ে এখন যেন কিছুটা শান্তি ও স্বস্তি পাচ্ছে। এতোক্ষণ তার পায়ের তলায় যেন কোনো মাটি ছিল না। তাই, সে কোনোভাবেই দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিল না। তার এখন একটু বিশ্রামের প্রয়োজন। কিন্তু অফিসের জরুরি কাগজটা যে নিতে হবে!
সে রিক্সায় বসে আবার তাকালো বারান্দায়। আর সঙ্গে-সঙ্গে সে দেখলো, নাফিস রুম থেকে বেরিয়ে এসেছে। আর সে পিছনদিক থেকে ওই মেয়েটির কোমরবেষ্টন করলো।
তাহমিনা আর তাকাতে পারলো না। সে রিক্সাওয়ালাকে বললো, “চলেন ভাই। আর কিছুক্ষণ পরে শ্যামলীর মোড়ে রিক্সাটা একটু থামাবেন। মিনিট দশেক দেরি হবে। আমি আপনার অতিরিক্ত সময়ের ভাড়াটাও দিয়ে দিবো।”
রিক্সাওয়ালা আর-কোনো কথা না বলে রিক্সা চালাতে থাকে। তাহমিনা রিক্সাটার একপাশে একটুখানি হেলান দিয়ে বসলো। তার শরীরটা এখন ভীষণভাবে অবসাদগ্রস্ত।

বিয়ের আগে নাফিসের চরিত্রসম্পর্কে এমন অনেক কথা সে শুনেছিল—কিন্তু তখন তাহমিনা সেসব কথা একেবারেই পাত্তা দেয়নি। তখন সে কারও কোনো কথা বিশ্বাস করেনি। মানুষটাকে তার খুব বিশ্বাসী আর বড় আপন মনে হয়েছিল! তার আরও মনে হয়েছিল—লোকজন হয়তো তার ব্যাপারে একটু বেশি-বেশি বলছে। কিন্তু এখন তার চালচলনে তখনকার অনেক কথাই যে মিলে যাচ্ছে! আসলে, মানুষের বাইরের চেহারাটা সহজেই দেখা যায়—কিন্তু ভিতরের চেহারাটা দেখতে, বুঝতে ও ধরতে অনেক বছর পার হয়ে যায়। আর তখন সময়ও থাকে না—নতুন করে কোনোকিছু ভাবার। মানুষের স্বভাব একবার নষ্ট হলে তা সহজে আর ভালো হয় না। মানবচরিত্র বড়ই জটিল বিষয়। এর কূলকিনারা করা সাধারণ কোনো-একজন মানুষের কর্ম নয়। জগতের বড়সড় দার্শনিক হলেও মানবচরিত্রের জটিলতা সমাধান করা সম্ভবপর নয়। মানুষ বড়ই দুর্বোধ্য জীব। সে রিক্সায় বসে আপনমনে ভাবে—সে তো দেখতে দারুণ! আর তার মতো সুন্দরী স্ত্রী পাশে থাকতেও যে স্বামী এখনও পরনারীতে আসক্ত—তাকে ভালো করার সাধ্য কারও নাই। তাহমিনা আজ মনের দুঃখে নাফিসসম্পর্কে যতই এসব ভাবে ততই তার কষ্ট আরও বাড়তে থাকে।
সে অনেক ভালোবেসে বিয়ে করেছিল তরুণ নাফিসকে। অনেক আশা আর অফুরন্ত স্বপ্ন ছিল তার মনে। বিয়ের পর বাইরে কখনো তাদের মধ্যে কোনোকিছু নিয়ে কোনোধরনের সামান্য মনোমালিন্যও হয়নি! তবুও আজ হঠাৎ নাফিসের মনের মধ্যে জেগে উঠেছে সেই পুরাতন ব্যাধি! একটা ভয়ংকর দানব জীবিত হয়ে আজ রাক্ষসে পরিণত হতে চলেছে। এই দানবীয় ক্ষুধা বাড়বে না কমবে? এর কোনো নিশ্চয়তা আজ কারও কাছে নাই। একটা অতৃপ্ত আত্মা আবার বুঝি গ্রাস করছে নাফিসকে! এতে ক্ষয়ে যেতে শুরু করেছে তাদের কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসা। কে নিবে এর দায়ভার?
ব্যাগ থেকে একটা টিস্যু-পেপার বের করে তাহমিনা তার চোখের জল মুছতে থাকে। আজ বারবার তার চোখ দুটো জলে ভরে উঠছে!

নিজেদের বাসার সীমানা পেরিয়ে কিছুটা দূরে এসে তাহমিনা চৌধুরী ব্যাগ থেকে ফোনটা বের করে নাফিসকে ফোন করলো, “হ্যালো, তুমি কোথায়? কী করছো? বাসায় নাকি?”
হঠাৎ ওর ফোন পেয়ে নাফিস খুব ঘাবড়ে গিয়ে বলে, “আরে, না-না, কেন? কেন? আমি বাসায় থাকবো কেন? আমি তো এখন অফিসে। আর হঠাৎ তোমার এরকম মনে হলো কেন?”
নাফিস যেন একেবারে অস্থির হয়ে পড়েছে। তার অস্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছে সে।
তাহমিনা শীতলকণ্ঠে বলে, “না, এমনি আমার মনে হলো তো—তাই বলছি।”
তারপর সে একটু থেমে বলে, “শোনো, আমি অফিসের একটা জরুরি কাগজ বাসায় ফেলে এসেছি। এখন আবার আমাকে বাসায় যেতে হবে।”
একথা শুনে নাফিস তাড়াতাড়ি বাধা দিয়ে বলে, “না-না। তার দরকার হবে না। আমিই তো এখন বাসায় ফিরছি। আর বাসার প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছি। আর আমার বাসায় পৌঁছুতে কয়েক মিনিট লাগবে মাত্র!”
তাহমিনা মনের কষ্ট বুকে চেপে বলে, “কেন? হঠাৎ বাসায় ফিরছো যে!”
নাফিস এবার খুব স্বাভাবিকভাবে বলে, “না, মানে, আমার শরীরটা আজ হঠাৎ খারাপ লাগছিল! তাই, বাসায় ফিরে একটু বিশ্রাম নিবো।”
তাহমিনা যেন একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে বলে, “ভালো। এভাবে বিশ্রাম নাও।”
তারপর সে বলে, “আমার তো মনে হয়—তুমি এতক্ষণে বাসায় পৌঁছে গিয়েছো! শোনো, আলমারিতে আমার ড্রয়ারে দেখো—একটা জমির দলিল আছে। দলিলটা একটা হলুদখামের মধ্যে আছে। আর ওটা আমার এখনই দরকার। ওটা নিতে আমি বাসায় আসবো—নাকি তুমি শ্যামলীর মোড়ে ওটা এখনই আমাকে দিয়ে যাবে?”
ওপাশ থেকে নাফিস যেন ঝড়ের বেগে বলতে থাকে, “না-না, তোমার কষ্ট করে এখন বাসায় আসার কোনো দরকার নাই। হঠাৎ শরীরটা খারাপ লাগায় আমি তো বাসায় চলে এসেছি। আমিই ওটা নিয়ে আসছি। তুমি ওখানেই দাঁড়াও, লক্ষ্মীটি।”

নাফিসের মুখ থেকে শেষশব্দটি শুনে লজ্জা পেল তাহমিনা। তার মনো হলো—সে কোনো সিনেমার নায়কের মুখ থেকে এসব কথা শুনছে! এইসব নায়কের জীবনে তো কত নায়িকা আসে আর যায়!

শ্যামলীর মোড়ে রিক্সাটা থামাতে বললো তাহমিনা। এবার সে রাস্তার পাশের একটা ফাস্টফুডের দোকান থেকে ঠাণ্ডা ছোট একটা কোকের বোতল কিনলো। তারপর আবার রিক্সায় উঠে বসলো।

তাহমিনাকে বেশিক্ষণ রিক্সায় অপেক্ষা করতে হলো না। ঠিক যেন মিনিট দশেক পরেই নাফিস তার পিছনদিক থেকে একটা রিক্সা নিয়ে চলো এলো। সে যেন খুশিতে হাঁপাচ্ছে!
তারপর সে রিক্সা থেকে দ্রুত নেমে তাহমিনার কাছে এসে দাঁড়ালো। আর হাসি-হাসি মুখে বললো, “তুমি জানলে কীভাবে—আমি আজ একটু আগে বাসায় ফিরেছি?”
তাহমিনা জোর করে মুখে এক টুকরো হাসি এনে বলে, “হঠাৎ আমার মনে হলো তাই।”

দলিলটা হাতে নিয়ে তাহমিনা আর দেরি করলো না। সে শুধু একবার নাফিসের দিকে তাকিয়ে অন্যভাবে হাসলো। নাফিস তার হাসির মানেটা বুঝলো কিনা—কে জানে! তারপর সে রিক্সাওয়ালাকে বললো, “চলেন।”

নাফিস তখনও হাসি-হাসি মুখে সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলো। তাহমিনা যে আজ-এখন বাসায় যায়নি—এজন্য সে যারপরনাই আনন্দিত। তার মনে খুশির জোয়ার বইছে যেন! তাহমিনার চোখে ধুলো দিতে পেরে আপনমনে সে এখন হাসছে!

আসলে, মূলঘটনা তার জানা নাই! বোকা খুশি হয় হেরে গিয়ে—আর বুদ্ধিমান খুশি হয় জিতে!


[এই পৃথিবীতে একশ্রেণীর মানুষ আছে—যারা কয়লার মতো। আর কয়লা ধুলে ময়লা যায় না। পৃথিবীর এই কয়লাগুলোর ময়লা ধুয়ে কেউ কখনো পরিষ্কার করতে পারবে না। মহান ঈশ্বরের রাজ্যে এরা চিরঅন্ধকারের প্রতীক।]


সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
০৪/১২/২০১৯
বিষয়শ্রেণী: গল্প
ব্লগটি ৭১ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ০৫/১২/২০১৯

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

 
Quantcast