আয়েশা নামা -২২
শবনম মুস্তারীকে প্রায়শই বিষণ্ণ দেখা যায়। বাক থাকে সংযত। রাতের শেষ প্রহরেও এখন মাঠভর্তি মানুষ থাকে। বিশ্বকাপের উন্মাদনার দরুণ দোতলার উপরিভাগ থেকে জানান দেয় যে রাতের জোনাকি, নিঃসঙ্গ জোছনার সঙ্গে তরুণ যুবারাও সঙ্গ দিছে আনন্দ বেদনার সহিত।
শবনম মুস্তারীর বিষয়ে আয়েশার আগ্রহের শেষ নেই। একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিষয়ে জানার যে আগ্রহ মানবমনে সুপ্ত অবস্থায় থাকে ঠিক ততটাকেই প্রস্ফুটিত করার আপ্রাণ চেষ্টা আয়েশার পক্ষ থেকে যতবারই করা হয়েছে ততবারই এড়িয়ে গিয়েছে শবনম মুস্তারী।
নারী মনের দোলাচলবৃত্তি সর্বদা অস্থিরমনা প্রকাশের দিকে উদ্বেলিত থাকে । অন্যের সঙ্গে অংশীদার করে নারীমন তৃপ্ত পায়। শবনম মুস্তারি তার ব্যতিক্রম।
বিবরবাসী হিসেবে তার সমকক্ষ হওয়াটা আর দশজনের পক্ষে বেশ বেগ পেতে হবে মনে হচ্ছে।
তার মধ্যে হলের পরিস্থিতি ভালো না।
ইদানিং অপরাজিতা ব্লকে লাইজু গ্রুপ, শিমু গ্রুপের মিটিং হচ্ছে রাত বিরাতে।
প্রভাব বিস্তারের কোন্দলে আশপাশ উত্তপ্ত থাকছে প্রায়শই।
আয়েশা অবশ্য এগুলোতে কখনো যায় না।
খবর পাওয়া গেল যে, তার মধ্যে ছাত্রীসংস্থা করার অভিযোগে নামাজী মেয়েদের তালিকা করা হচ্ছে। তার মধ্যে রয়েছে শবনম মুস্তারীর নাম। যদিও শবনম মুস্তারীর এ ধরনের সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কিনা সে সম্পর্কে আয়েশার কাছ থেকে তেমন কিছুই জানা যায়নি।
আয়েশার সাহস হয়না এগুলো নিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করার। কিন্তু সকল খুনশুটি, সহযোগিতা, বড় বোন, আদর্শ রুমমেট ও গালগল্পের প্রেক্ষাপটে শবনম মুস্তারির জুড়ি নেই। তাকে পেয়ে আয়েশা ভীষণ খুশি।
আনন্দ বেদনার এই চরাচরে আয়েশার মধ্যে চিন্তার খোড়াক দেখা দিয়েছে শবনম মুস্তারীকে নিয়ে।
যদি ছাত্রীসংস্থার অভিযোগটা সত্যি হয়; তবে কি শবনম মুস্তারী তার সঙ্গে রুমমেট হিসেবে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ হতে থাকবে কিনা সেটাও এখন ভাবনার বিষয়।
নাকি কোন এক ভোরে শবনমের ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে নাফিসা হল ছেড়ে চলে যেতে হবে আয়েশাকে একা রেখে কোনো এক জোছনাবিহীন প্রান্তরে।।
নক্ষত্রের পতনে মধুকূপী ঘাস মাটিতে মেশার আগে কি কখনো টের পাবে?
আয়েশার বুঝে আসেনা। আয়েশা!
শবনম মুস্তারীর বিষয়ে আয়েশার আগ্রহের শেষ নেই। একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিষয়ে জানার যে আগ্রহ মানবমনে সুপ্ত অবস্থায় থাকে ঠিক ততটাকেই প্রস্ফুটিত করার আপ্রাণ চেষ্টা আয়েশার পক্ষ থেকে যতবারই করা হয়েছে ততবারই এড়িয়ে গিয়েছে শবনম মুস্তারী।
নারী মনের দোলাচলবৃত্তি সর্বদা অস্থিরমনা প্রকাশের দিকে উদ্বেলিত থাকে । অন্যের সঙ্গে অংশীদার করে নারীমন তৃপ্ত পায়। শবনম মুস্তারি তার ব্যতিক্রম।
বিবরবাসী হিসেবে তার সমকক্ষ হওয়াটা আর দশজনের পক্ষে বেশ বেগ পেতে হবে মনে হচ্ছে।
তার মধ্যে হলের পরিস্থিতি ভালো না।
ইদানিং অপরাজিতা ব্লকে লাইজু গ্রুপ, শিমু গ্রুপের মিটিং হচ্ছে রাত বিরাতে।
প্রভাব বিস্তারের কোন্দলে আশপাশ উত্তপ্ত থাকছে প্রায়শই।
আয়েশা অবশ্য এগুলোতে কখনো যায় না।
খবর পাওয়া গেল যে, তার মধ্যে ছাত্রীসংস্থা করার অভিযোগে নামাজী মেয়েদের তালিকা করা হচ্ছে। তার মধ্যে রয়েছে শবনম মুস্তারীর নাম। যদিও শবনম মুস্তারীর এ ধরনের সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কিনা সে সম্পর্কে আয়েশার কাছ থেকে তেমন কিছুই জানা যায়নি।
আয়েশার সাহস হয়না এগুলো নিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করার। কিন্তু সকল খুনশুটি, সহযোগিতা, বড় বোন, আদর্শ রুমমেট ও গালগল্পের প্রেক্ষাপটে শবনম মুস্তারির জুড়ি নেই। তাকে পেয়ে আয়েশা ভীষণ খুশি।
আনন্দ বেদনার এই চরাচরে আয়েশার মধ্যে চিন্তার খোড়াক দেখা দিয়েছে শবনম মুস্তারীকে নিয়ে।
যদি ছাত্রীসংস্থার অভিযোগটা সত্যি হয়; তবে কি শবনম মুস্তারী তার সঙ্গে রুমমেট হিসেবে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ হতে থাকবে কিনা সেটাও এখন ভাবনার বিষয়।
নাকি কোন এক ভোরে শবনমের ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে নাফিসা হল ছেড়ে চলে যেতে হবে আয়েশাকে একা রেখে কোনো এক জোছনাবিহীন প্রান্তরে।।
নক্ষত্রের পতনে মধুকূপী ঘাস মাটিতে মেশার আগে কি কখনো টের পাবে?
আয়েশার বুঝে আসেনা। আয়েশা!
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
