টুকরো কথা -১৭
========================@@@
(১) ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া
জ্ঞাতসারে কাউকে আঘাত করো না
যে আঘাত ক্ষত’র সৃষ্টি করে অন্তরে!
ঠিকই শুকিয়ে যায় একদিন শরীরের ঘা
কিন্তু অন্তরের?
দু’একটা দগদগে রয় আমৃত্যু -
যা বয়ে বেড়ানো ভীষণই কষ্টসাধ্য!
একটা আঘাতই যথেষ্ট
চিরতরে ডুবিয়ে দিতে একটা টাইটানিক,
তবে আঘাতকারীকে আঘাতটা কিন্তু
জাহাজে থেকেই করতে হবে
আর তাই ভুলে গেলে চলবে না -
’নিশ্চয় ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া সমান ও বিপরীত
অবশ্যম্ভাবী!’
(২) অলিখিত সংবিধানের কণ্ঠহারা আর্তনাদ!
আমার পিঞ্জিরাটা গণতান্ত্রিক হলেও
এখানে ভোটাধিকার দিয়েছিলাম
একমাত্র তোমাকে।
আইন, বিচার ও শাসন বিভাগ একত্রিকরণ করে
রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ ক্ষমতাও ছিলো
তোমারই হাতে ন্যস্ত।
অথচ না বুঝে বোকার মতো তুমি
কোষাগার থেকে নিজেরই অর্থ সরিয়ে
গোপনে জমা রাখলে সুইস ব্যাংকে।
রাতের অন্ধকারে অদ্ভুত এক টানেল বেয়ে
সমুদ্রের তলদেশে নিজের জন্য রচনা করলে
অরক্ষিত এক রাষ্ট্র -
শুধু ভোট সম্পাদনে লাগাতে হবে বলে
অমুছন কালি বৃদ্ধাঙ্গুলিতে।
জানি না কেমন আছো!
নিশ্চয় ভালো
নয়তো খুবই ভালো,
তবুও দোয়া রাখি তারচেয়েও ভালো থাকো
ইচ্ছেমতো পরিচালনা করে নিজ হাতে গড়া
তোমার ওই খাপছাড়া একনায়কতন্ত্র।
আমি না হয় নিভৃতেই সয় যাবো
তুমি বিনে
ক্ষণে ক্ষণে
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের এক
’অলিখিত সংবিধানের কণ্ঠহারা আর্তনাদ!’
Comments (4)
Only registered members can comment. Log in