একখানি কবিতা আমি লিখে রেখে গিয়েছিলাম বকুল গাছে নীচেয়
সহস্র বছর আগে। কার জন্যে লিখেছিলাম সে কবিতা
জানি না, শুধু ছিল মনে আশা - আসবে সে, হাতে তুলে নেবে, পড়বে যত্ন করে,
আমার কবিতার ভিতরে
তারে আমি ডাকব ‘তুমি’ বলে।
অন্তরের আপন সে জন, আমার সেই পুরাতন কথা
তার হৃদয়ে অদেখা হাওয়ায় দোলাবে নতুন পাতা
কুঁড়ির অস্ফুট বেদনার স্বচ্ছ নীরে।
‘তুমি’ কি পেয়েছো আমার সে কবিতা
হয়েছে কি তা তোমার মনের মতন
হয়েছো কি উন্মনা, করেছো কি অনুভব হৃদয়ে স্পন্দন?
কৌতুহল ভরে এসেছি খুঁজতে আজ সহস্র বছর পরে, দেখি, সেখানে নেই সে বকুল গাছ
ছোট সে বাগানখানি, কানাকানি করে অবশেষে গিয়েছে
কোথায় চলে, এখন যারা এখানে বাস করে
তাদের কেঊ জানেনা তার কথা।
হায়, ভাবতেছি বসে কি হল আমার কবিতার দশা
সেও কি গিয়েছে হারায়ে, মিশেছে পিশে কংক্রিটের বহুতল দেওয়ালে
কে জানে সে কথা কে জানে ...
হটাৎ একি, সামনে তাকায়ে দেখি
কোথা হতে এসে দাড়লে সমুখে
দারুণ বেশ চোখের আবেশ তোমার মুখে
পড়ল আমার আঁখি, তাকালে নয়নে আমার নয়ন নিরখি
অপূর্ব প্রভা, বললে, তোমার কবিতা! আমার বুকের কাছে রেখেছি আমি।
মন্তব্য (6)