কাজ করো (শেষ পর্ব)
নিজের কাজকে আগে পুজো করা উচিত। বলি, আগে পেট পুজো করা উচিত। কাজ কেন করে মানুষ? সাধারণ উত্তর, পেট পুজোর জন্য। কেবল এক শতাংশ মানুষ মহান হওয়ার জন্য কাজ করে, বাকি নিরানব্বই শতাংশ মানুষ কাজ করে পেটের দায়ে। ঠিক সময় বেতন না পেলে কাজকে পুজো তো দূরের কথা, মানুষ সেই কাজকে ধিক্কার জানায়। বিনা পয়সায় কেউ কাজ করে না, কেবল যার বাবার টাকা আছে, সে ছাড়া। কাজকে তখনই পুজো করা যায়, যখন বেতন যথা সময়ে ব্যাংকের খাতায় ঢোকে।
যে কাজ করতে চায় না, এই পৃথিবী তার জন্য নয়। এটা ঠিক কথা আবার ভুল কথাও। এই বিশ্বে প্রচুর কুঁড়ে মানুষ আছে, যারা নিজে হাতে খেতে পর্যন্ত চায় না। তাদের জন্য আমার করুণা হয়। এই বিশ্বে আরেক দল মানুষও আছে, যারা কাজ করতে চাইলেও কাজ করতে পারে না- তাদের কাজ করতে দেওয়া হয় না। মালিক শ্রমিককে গিলে খায়, ধনী গরীবের পেটে লাথি মারে আর রাজা প্রজার চোখ বেঁধে দেয়। বোকা সমাজ ভাবে এই দলের মানুষরা কাজ করতে চায় না।
কাজ করে যাও কিন্তু ফলের আশা করো না। কাজ করার সময় ফলের আশা করলে একাগ্রতা ও ধৈর্য নষ্ট হয় ঠিকই কিন্তু বছরের পর বছর কাজ করে যাওয়ার পরে যদি কাজের সেই মানুষ দেখে যে তার ঝুলি শূন্য, তখন সে কাজ করার অনুপ্রেরণা হারায়। কাজে যদি একবার ফল আসতে থাকে, তাহলে কাজের উদ্যম শতগুণে বেড়ে যায়। জানবেন, কাজের ফলাফলই কাজ করার ইন্ধন জোগায়।
কাজ করতে করতে প্রাণ দাও। আরে ভাই, প্রাণ দিলে কাজ করবো কিভাবে? নিজের প্রাণের থেকে বড় জিনিস কি আছে এই জগতে? প্রাণকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই তো কাজ করা। কাজ করলে খেতে পাবো আর খেতে পেলে বেঁচে থাকবো। কাজ করতে করতে যিনি মারা যান, তাকে লোকে মহান বলে কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে যিনি মারা গেলেন, তিনি কি সত্যিই কাজ করতে করতে মারা যেতে চেয়েছিলেন, না একটা দুর্ঘটনার কারণে মারা গেলেন?
সব শেষে বলি- মনের মতো কাজ করো, মনের মতো বেতন পাও, মনের মতো ফলাফল আসুক আর মনের মতো বড় হও। মনের মতো কাজের মধ্যে বেঁচে থাকো মনের আনন্দে।
যে কাজ করতে চায় না, এই পৃথিবী তার জন্য নয়। এটা ঠিক কথা আবার ভুল কথাও। এই বিশ্বে প্রচুর কুঁড়ে মানুষ আছে, যারা নিজে হাতে খেতে পর্যন্ত চায় না। তাদের জন্য আমার করুণা হয়। এই বিশ্বে আরেক দল মানুষও আছে, যারা কাজ করতে চাইলেও কাজ করতে পারে না- তাদের কাজ করতে দেওয়া হয় না। মালিক শ্রমিককে গিলে খায়, ধনী গরীবের পেটে লাথি মারে আর রাজা প্রজার চোখ বেঁধে দেয়। বোকা সমাজ ভাবে এই দলের মানুষরা কাজ করতে চায় না।
কাজ করে যাও কিন্তু ফলের আশা করো না। কাজ করার সময় ফলের আশা করলে একাগ্রতা ও ধৈর্য নষ্ট হয় ঠিকই কিন্তু বছরের পর বছর কাজ করে যাওয়ার পরে যদি কাজের সেই মানুষ দেখে যে তার ঝুলি শূন্য, তখন সে কাজ করার অনুপ্রেরণা হারায়। কাজে যদি একবার ফল আসতে থাকে, তাহলে কাজের উদ্যম শতগুণে বেড়ে যায়। জানবেন, কাজের ফলাফলই কাজ করার ইন্ধন জোগায়।
কাজ করতে করতে প্রাণ দাও। আরে ভাই, প্রাণ দিলে কাজ করবো কিভাবে? নিজের প্রাণের থেকে বড় জিনিস কি আছে এই জগতে? প্রাণকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই তো কাজ করা। কাজ করলে খেতে পাবো আর খেতে পেলে বেঁচে থাকবো। কাজ করতে করতে যিনি মারা যান, তাকে লোকে মহান বলে কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে যিনি মারা গেলেন, তিনি কি সত্যিই কাজ করতে করতে মারা যেতে চেয়েছিলেন, না একটা দুর্ঘটনার কারণে মারা গেলেন?
সব শেষে বলি- মনের মতো কাজ করো, মনের মতো বেতন পাও, মনের মতো ফলাফল আসুক আর মনের মতো বড় হও। মনের মতো কাজের মধ্যে বেঁচে থাকো মনের আনন্দে।
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
