www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

সত্য উপলব্দী (বিষয় যৌবনের ইবাদত)

১। সত্য উপলব্দী, (বিষয়: যৌবনের ইবাদত): মহান আল্লাহপাক বলেন, “আমি পছন্দ করি যৌবন কালের ইবাদত।” অথচ মানুষের ধারণা এই অল্প বয়সে কি আর ইবাদত করবে? আর একটু বয়স হোক দেখা যাবে। আহ! কেমন আহাম্মক? মানুুষ মাত্রই মরনশীল, কখন কোন মুহূর্তে মৃত্যুর ডাক এসে যায় তা কেউ কি জানে? যৌবন কালকে আল্লাহ্ মানুষের জীবনের ফুটন্ত ফুল (গুল) আর ফুলের বাগানের (গুলশান) সাথে আল্লাহ্ উপমা দিয়েছেন তাই যৌবন কালের সময়ই হচ্ছে আল্লাহ্ কে ডাকার উপযুক্ত সময়, সময় অতীত হলে তা ফিরে না! মানুষের জীবনের উর্বরতম সময় হচ্ছে যৌবন কাল, এ সময়ে চাইলে অসাধ্য সাধন করা যায়, কাংখিত কিছু অর্জন করা যায়।
~~~~ উপরোক্ত কল্যাণকর উপদেশমূলক বাণী নেয়া হয়েছে -->>> সত্য পথের সিঁড়ি বা চিরকালীন মুক্তিপথের দিশা বই হতে, পৃষ্ঠা নং ৩৮৯। লেখকঃ শাহ্‌ মোঃ রেজাউল আবেদীন।
বিষয়শ্রেণী: অভিজ্ঞতা
ব্লগটি ১১৪০ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ২৩/১২/২০১৭

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

  • তাইতো যৌবনের হিসেব নিবেন আলাদাভাবে ।
    সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন ।
    আয়াতটি কোন সুরার কত আয়াত তা দিলে ভাল হতো ।
    • রেজাউল আবেদীন ২৪/১২/২০১৭
      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানতে চাওয়ার জন্যে। এ ব্যাপারে আলকোরআনের সুরা ও আয়াত সমুহ দেখে নেয়া যেতে পারে য্থাক্রমে --> আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘তিনি (মুসা আলাইহিস সালাম) যখন পূর্ণ যৌবনে পৌছিলেন, তখন তাকে প্রজ্ঞা ও বুৎপত্তি দান করলাম।’ (সুরা কাসাস : আয়াত ১৪) , আসহাবে কাহাফের ৭ ব্যক্তিও ছিল যুবক। যারা এক আল্লাহর ইবাদতে বিশ্বাসী ছিলেন। যাদেরকে শত্রুর হাত থেকে আল্লাহ তাআলা রক্ষা করেছিলেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যখন যুবকেরা পাহাড়ে আশ্রয় গ্রহণ করে তখন দোয়া করে- হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে (তোমার) নিজের কাছ থেকে রহমত দান করুন এবং আমাদের কাজ সঠিকভাবে পরিচালনা করুন।’ (সুরা কাহাফ : আয়াত ১০)

      অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘(হে রাসুল!) আপনার কাছে তাদের ইতিবৃত্তি সঠিকভাবে বর্ণনা করেছি। তারা ছিল কয়েকজন যুবক। তারা তাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিল এবং আমি তাদের সৎ পথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।’ (সুরা কাহাফ : আয়াত ১৩)

      একান্তই যারা যৌবনে ইবাদত-বন্দেগি ত্যাগ করে বিপথে জড়িয়ে গেছে, তাদের জন্যও আল্লাহ তাআলার রহমতের দরজা খোলা। তাদেরকে নিরাশ না হতে কুরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন-

      ‘(হে রাসূল!) আপনি বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সুরা যুমার : আয়াত ৫৩)

      যুবক বয়সের অধিকাংশ নারী-পুরুষই দুনিয়া অর্জন তথা ধন-সম্পদ, বাড়ী-গাড়ী ও চাকচিক্যময় জীবন-যাপন নিয়েই ব্যস্ত থাকে। পরকালে কথা বেমালুম ভুলে থাকে। আল্লাহর বিধান ও পরকালের সীমাহীন জীবনের সুখ-শান্তির কথা মনে থাকে না।

      ইসলামে যৌবনকালের ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব সীমাহীন। এ সময়ের ইবাদত যে আল্লাহ তাআলার কাছে খুবই প্রিয়, তা ওঠে এসেছে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বর্ণনায়-

      ‘সাত শ্রেণির মানুষকে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তাঁর (আরশের) ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। এর মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির মানুষ হলো সে সব যুবক-যুবতি; যারা তার রবের ইবাদতের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছে।’ (বুখারি শরীফের হাদিস)।

      আমাদেরকে নিন্মোক্ত হাদিসের কথা ও স্মরণ করা দরকার। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন-“কিয়ামতের দিন আদম সন্তানের দুই পা কোনো দিকে নড়তে পারবে না, যতক্ষণ না তাকে পাঁচটি বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে। ১. পৃথিবীতে তাকে যে হায়াত দেয়া হয়েছিলো, সে হায়াত কোন্ পথে ব্যয় করেছে। ২. সে তার যৌবনকে কোন্ পথে ব্যয় করেছে। ৩. সম্পদ কোন পথে উপার্জন করেছে। ৪. সম্পদ কোন পথে ব্যয় করেছে এবং ৫. যে জ্ঞান তাকে দেয়া হয়েছিলো, তা কোন্ কাজে লাগিয়েছে।” [তিরমিযি]
      বিশিষ্ট বিজ্ঞানী জর্জপ্রাণভিল সত্য ও সুন্দর একটি কথা বলেছেন যেমন-‘যৌবনকাল যার সৎ, সুন্দর এবং কর্মময় হয়, তার বৃদ্ধ বয়সকে স্বর্ণযুগ বলা যায়।’ আল্লাহ তা’আলা আমাদের সবাইকে আমৃত ইবাদত বন্দেগি করে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
  • একনিষ্ঠ অনুগত ২৪/১২/২০১৭
    সত্যি, যৌবনকাল হলো ইবাদাত এর সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
    • রেজাউল আবেদীন ২৪/১২/২০১৭
      অনেক ধন্যবাদ আপনাকে " সত্যি" মন্তব্যের জন্যে। ইবাদত মানুষকে দুনিয়াতে যে আত্মার শান্তি প্রদান করে তা অন্য কিছুতে পাওয়া যায় না। ভাল থাকুন, আল্লাহ হেফাজত করুন, আমিন।
 
Quantcast