www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

রোহিঙ্গাদের গণহত্যার কারণ



বাংলাদেশে একটি সুপরিচিত বাগধারা ‘মগের মুল্লুক’। বাংলা একাডেমি এর অর্থ লিখেছে—১. ব্রহ্মদেশ বা আরাকান রাজ্য। ২. অরাজক রাষ্ট্র, যে রাজ্যে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, যেখানে যথেচ্ছাচার হয়। বার্মিজরা ঐতিহাসিকভাবেই বর্বর, নিষ্ঠুর। মানুষের গলায় দড়ি বাঁধা, হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া রাখাইনদের পুরনো অভ্যাস।
সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমাংশে তখনকার বঙ্গদেশ বা বর্তমান বাংলাদেশ খুব সমৃদ্ধ ছিল। ওই সময় দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ‘মগ’ জাতির দস্যুরা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে খুব লুটপাট ও ডাকাতি করত। বর্তমানে যারা রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর আক্রমণ করছে, তাদের বলা হচ্ছে রাখাইন উপজাতি। এ রাখাইন উপজাতির আগের নাম মগ। সেই মগরাই ৪০০ বছর আগেও অত্যাচার ও লুটপাট চালাত।
দক্ষিন ভারতের সাড়া জাগানো ছায়াছবি বাহুবলীতে যে দেখিয়েছি পর্তুগিজ নৌ-দস্যুরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে নদীর পানিতে ভাসিয়ে দিয়েছে। ঠিক তেমনি সেই সব পর্তুগিজ (ফিরিঙ্গি) দস্যুদের সাথে হাত মিলিয়ে বার্মার দস্যুরা বাংলার মানুষকে হত্যা ধর্ষণ লুটতরাজ গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিতো।
তখনকার আমলের মোগল সাম্রাজ্যের রাজধানী দিল্লি থেকে নিযুক্ত, তৎকালীন বাংলা-প্রদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থানকারী শাসনকর্তা বা সুবেদার, পরিস্থিতি সামলাতে না পেরে পালিয়ে গিয়েছিলেন। মগরা যা ইচ্ছা তাই করেছিল। অর্থাৎ তখন সরকার ছিল না, মোগলদের পরিবর্তে দেশের মালিক হয়ে গিয়েছিল মগ দস্যুরা। মুলুক শব্দটির অর্থ দেশ বা এলাকা ইত্যাদি। পর্তুগিজ নৌ-দস্যুদের সঙ্গে যখন আরাকানি বৌদ্ধরা হাত মিলিয়ে বাংলার উপকূলীয় এলাকায় সম্ভ্রমহরণ-লুণ্ঠন-হত্যার মতো জঘন্য কর্মে লিপ্ত হয় তখন থেকেই ‘মগ’ ও ‘মগের মুলুক’ জাতি ও দেশবাচক শব্দ দুটি অরাজকতার নামান্তররূপে ব্যবহৃত হতে থাকে। (তথ্যসূত্র : বঙ্গে মগ-ফিরিঙ্গি ও বর্গির অত্যাচার, মুহম্মদ আবদুল জলিল, বাংলা একাডেমি, পৃষ্ঠা ২৫)
ইতিহাসে তিনবার ঢাকা লুণ্ঠনের উল্লেখ থাকলেও কেবল ১৬২০ সালে হামলার বিবরণ পাওয়া যায়।‘ইস্ট ইন্ডিয়া ক্রোনিকলস’-এর বর্ণনায় জানা যায়, ১৭১৮ সালে বার্মার রাখাইন রাজা দক্ষিণবঙ্গ তছনছ করে অন্তত এক হাজার ৮০০ জন সাধারণ অধিবাসীকে ধরে নিয়ে যান। বন্দিদের রাজার সামনে হাজির করা হলে রাখাইন রাজা সেখান থেকে বেছে বেছে এক দলকে তাঁর নিজের দাস বানান, আর অবশিষ্টদের গলায় দড়ি বেঁধে ক্রীতদাস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে দেন। মগের মুলুক বলতে ‘জোর যার মুলুক তার’। এ বাগধারা মিয়ানমারের মগদের বর্বরতা ও দস্যুপনা থেকেই এসেছে।
বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খাঁ’র অন্যতম মহৎ কীর্তি হল এই মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের কবল থেকে এদেশের বাসিন্দাদের রক্ষা করা। ১৬৬৪ সালে বাংলার শাসনভার হাতে নিয়েই তিনি প্রথম নজর দেন এসব ইতর জলদস্যু দমনে। ১৬৬৫ সালে তিনি এদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন এবং ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম জয়ের মাধ্যমে তিনি এদের সমূলে বিনাশ করেন। বাংলায় অর্ধশতাব্দী জুড়ে চলে আসা ‘মগের মুল্লুকের’ অবসান ঘটে তার এই অভিযানেই। এজন্য শায়েস্তা খাঁ এদেশের মানুষের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।


বর্তমান রোহিঙ্গা সংকটে নিরাপত্তাবিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, এতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। এর আলামতও দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন দেখুন :
এক. ২৪ এপ্রিল, ২০১৭ তারিখে দৈনিক জনকণ্ঠ এক বিশেষ প্রতিবেদন ছেপেছে। এর শিরোনাম হলো, ‘পার্বত্য এলাকায় নতুন অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টায় ভাবনাকেন্দ্র’।
দুই. ২৬ নভেম্বর, ২০১৬ দৈনিক আমাদের সময় লিখেছে, “সেনাবাহিনীর সহযোগী ‘৯৬৯’ সশস্ত্র গোষ্ঠী।’’
তিন. ২৯ এপ্রিল, ২০১৭ দৈনিক ইত্তেফাক লিখেছে, “পাহাড়ে নতুন আতঙ্ক ‘৯৬৯’।’’
চার. ২৫ এপ্রিল, ২০১৭ দৈনিক মানবজমিনের প্রতিবেদনের শিরোনাম হলো, ‘পার্বত্য অঞ্চলে নতুন আতঙ্ক ৯৬৯।’
এই ‘৯৬৯’ বৌদ্ধ ধর্মের প্রতীক। বৌদ্ধ সন্ত্রাসীরা এর অপব্যবহার করছে।
মানবজমিন লিখেছে, ‘ধর্মীয় উগ্রপন্থী হিসেবে ৯৬৯ জন পরিচিত হলেও তাদের রয়েছে সশস্ত্র গ্রুপ। সংগঠনটির ভাণ্ডারে রয়েছে হালকা থেকে ভারী অস্ত্রের বিশাল মজুদ। সন্ত্রাসী সন্ন্যাসী আশিন উইরাথু বর্তমানে এই সংগঠন পরিচালনা করেন। এদিকে তাদের সঙ্গে যোগসাজশ রয়েছে পাহাড়ের দুর্গম অঞ্চলে থাকা জনসংহতি সমিতি ও ইউপিডিএফের সশস্ত্র গ্রুপের। বাংলাদেশে তৎপর ওই দুই সশস্ত্র গ্রুপকে নতুন করে স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে জুম্ম ল্যান্ড গঠনের। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জুম্ম ল্যান্ড গঠন করার জন্য বিভিন্ন রূপরেখাও তৈরি করা হয়েছে। কী ধরনের সরকার হবে পাহাড়ে, তারও একটি ছক সাজানো হয়েছে। পাহাড়কে এমন অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে যে বাংলাদেশ সরকার থেকে পাহাড়কে বিচ্ছিন্ন করে নিজেরাই সরকার গঠন করে স্বাধীন জুম্ম ল্যান্ড গঠন করবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকার প্রশ্রয় না দেওয়ায় পার্বত্য জেলাগুলোতে প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো কোনো না কোনো কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে।’
কে এই ‘আশিন উইরাথু’ যার নেতৃত্বে বর্তমান রোহিঙ্গাদের উপর বর্বরোচিত গণহত্যা হচ্ছে, তিনি নিজেকে মিয়ানমারের ‘বিন লাদেন’ আখ্যায়িত করে থাকেন। তিনি একজন বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু। ১৯৬৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। ১৪ বছর বয়সে স্কুল ত্যাগ করে পাদরিয়ানা জীবন গ্রহণ করেন। ২০০১ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী ও মুসলিমবিদ্বেষী নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। ২০০৩ সালে তাঁর ২৫ বছরের সাজা হয়। কিন্তু ২০১০ সালে রাজনীতিবিদদের সঙ্গে তাঁকেও ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোচ্চার হন। বর্তমানে তাঁর ৪৫ হাজার ফলোয়ার আছে। ২০১৩ সালের ১ জুলাই সংখ্যায় টাইম ম্যাগাজিন তাঁকে নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন ছেপেছে। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে বৌদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনী। নির্ভরযোগ্য তথ্যমতে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী মিয়ানমার সেনাবাহিনীর চেয়ে কয়েক শ গুণ বেশি বর্বরতায় লিপ্ত। (সূত্র : বিবিসি হিন্দি)
তাদের মূলমন্ত্র ‘৯৬৯’। এই তিন সংখ্যা বৌদ্ধ ধর্মের প্রতীক। বৌদ্ধ ধর্মে বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘ—এ তিন রত্নের নাম হলো ত্রিরত্ন। অর্থাৎ বুদ্ধরত্ন, ধর্মরত্ন ও সংঘরত্ন। বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘ বলতে এখানে গুণাবলির গুণকীর্তন করা হয়েছে। ত্রিপিটকে বুদ্ধের প্রধান ৯টি গুণ, ধর্মের ছয় গুণ ও সংঘের ৯ গুণের কথা বলা হয়েছে। এমন বিশ্বাস থেকে এসেছে ‘৯৬৯’।
‘অহিংসা পরম ধর্ম’, ‘জীব হত্যা মহাপাপ’—এসব নীতিকথা বলে গেছেন গৌতম বুদ্ধ। মানবতাবাদী হিসেবে জগত্সংসারে তিনি বেশ খ্যাতিও কুড়ান। প্রবর্তন করেন বৌদ্ধ ধর্ম। এ ধর্ম অনুসরণ করে মিয়ানমারের বেশির ভাগ মানুষ।
কিন্তু বাস্তবে আমরা কী দেখছি মিয়ানমারে? তাহলে কি মিয়ানমারের বৌদ্ধদের দৃষ্টিতে মুসলমানরা ‘জীব’-এর সংজ্ঞায় পড়ে না?
মিয়ানমারের গণহত্যার নেপথ্যে ধর্মীয় গুরু আশিন উইরাথু


হতে পারে রোহিঙ্গা সমস্যার পেছনে অভ্যন্তরীণ কিছু কারণ থাকলেও এর পেছনে বাহ্যিক উস্কানি অস্বীকার করা যায় না।
• স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি পেয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আরাকানের মুসলমানরা ইংরেজদের পক্ষাবলম্বন করেছিল; কিন্তু ব্রিটিশরা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। ব্রিটিশরা বার্মা ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় এমন এক নীতি চাপিয়ে দিয়ে যায়, যার ফলে আরাকানের মুসলমানরা উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়।

• রোহিঙ্গা সংকট যত দিন থাকবে তত দিন চীন, মিয়ানমার ও আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কানেকটিভিটি ব্যাহত হবে। এতে লাভবান হবে অন্য দেশ। তাই তারা বরং আগুনে ঘি ঢালতে চাইবে।

• আরেকটি সন্দেহের তীর যায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দিকে। তারা চায় মিয়ানমারে এক ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি বজায় রাখতে, যাতে নিরাপত্তার অজুহাতে রাষ্ট্র পরিচালনায় সেনাবাহিনীই ভরসা—এ কথা বোঝাতে পারে। তা ছাড়া বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের সীমান্তজুড়ে যত ইয়াবা কারখানা আছে, তার বেশির ভাগের মালিকানা রয়েছে সে দেশের সেনাবাহিনীর হাতে। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হয়ে গেলে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন হলে স্বাভাবিকভাবে ওই সব অবৈধ ইয়াবা ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। সংগত কারণেই ইয়াবা কারখানার মালিক সেনা কর্মকর্তারা সেটি চাইবেন না।

• বৌদ্ধদের প্রয়োজন আরাকানকে মুসলিমশূন্য করা। আর পাশ্চাত্য শক্তির প্রয়োজন সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাববলয়ের জন্য চীন-ভারতের মতো শক্তিধর দেশের সংযোগস্থল এবং মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়ার মতো প্রভাবশালী মুসলিম দেশের সমুদ্রপথে মধ্যপ্রাচ্যের ইসরায়েলের মতো নতুন এক রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন করে স্থায়ী আসন গেড়ে বসা। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এ অঞ্চলকে ঘিরে তাদের মিশনারি চক্র, মিডিয়া চক্র ও কূটনৈতিক চক্র দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে।

• মায়ানমারের প্রবেশদ্বার হল আরাকান, যেখানে আধুনিক শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলবে মিয়ানমার সরকার। ব্লু ইকোনোমিক জোন হিসেবে এখানে বিনিয়োগ করতে পারে চীন,ভারত ও পাকিস্তান।

• এটি চীনের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক খেলাও হতে পারে। কারণ রাখাইন রাজ্যে চীনের একটি বিশাল বিনিয়োগ রয়েছে।

• বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম চরমপন্থা উস্কে দেয়া। আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর ( মিয়ানমার এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া) মধ্যে খুব সুক্ষ্মভাবে পারস্পরিক দ্বন্দ্বের বীজ বপন করা। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার স্থিতিশীলতা হ্রাস করার জন্য বাহ্যিক খেলোয়াড়রা শতাব্দীর দীর্ঘ এই সংঘাত জিইয়ে রেখে চলছে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হল রাখাইন রাজ্যের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে হাইড্রোকার্বনের বিশাল মজুদ। এখানে ‘থান শ’ নামে এক বিশাল গ্যাসক্ষেত্র আছে। এছাড়া রাখাইন রাজ্যের উপকূলে রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেলের বিশাল ভান্ডার। ২০০৪ সালে রাখাইন রাজ্যের বিপুল জ্বালানি সম্পদ আবিষ্কৃত হওয়ার পর এটি চীনের মনোযোগ আকর্ষণ করে। ২০১৩ সালে চীন এই রাজ্যের সঙ্গে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের পাইপলাইন সংযোগ সম্পন্ন করে। এই পাইপলাইন কিউকফিয়ূর বন্দরের সঙ্গে চীনের কুনমিং শহরের ইউনান প্রদেশকে সংযুক্ত করেছে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে মালাক্কা স্ট্রেইট ব্যবহার করে বেইজিং, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকায় অপরিশোধিত তেল সরবরাহ করে এবং গ্যাস পাইপলাইন মিয়ানমার থেকে চীনে হাইড্রোকার্বন সরবরাহ করে। তার পাশেই বঙ্গোপসাগরের প্রকৃতিক সম্পদ তো আছেই।

কৃতজ্ঞতা-নিউজ, উইকিপিডিয়া
বিষয়শ্রেণী: সমসাময়িক
ব্লগটি ৭৪৪ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ১৪/০৯/২০১৭

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

  • আজাদ আলী ২৩/০৯/২০১৭
    Thanks
  • ধন্যবাদ। অনেক কিছু জানলাম
  • আমাদেরকে সতর্ক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে
  • নীল আকাশ ১৪/০৯/২০১৭
    আপনার অনুসন্ধানমূরক পোষ্ট অনেক ভালো লাগলো । এ রকম আরো লেখা পেতে চাই ।
 
Quantcast