www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

গোপলার কথা - ৪৯

আমি যদি প্রধানমন্ত্রী হতাম
-----------------------
প্রধানমন্ত্রী হলে কি করতাম? সাধারণের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে বলা ঠিক যুক্তিযুক্ত নয়। কেননা অনেক ডেকরাম পেরিয়ে আইন মোতাবেক আমলা সচিব ও আর্থিক ভেবে এগোতে হয়। তবুও কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করা যেতেই পারে। যদিও সে সব ইমপ্লিমেণ্ট করার অনেক রকমের প্রক্রিয়া আছে।
প্রথমত যে বেশিরভাগ দেশ গরীব দেশ। তাই প্রথমেই চাই গরীবী দূরীকরণ। এর জন্য খাদ্য শস্যের সম বণ্টন ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থার জন্য প্রথমেই মজুতদারদের মজুত শস্য বা অন্যান্য জিনিসের সঠিক অবস্থান জানাতে হবে। এবং সরকারকে জেনে নিতে হবে।অর্থাৎ মজুতদাররা তাদের ভাণ্ডারে জমা ও খরচের রেসিও ঠিক রাখছে কি না। কেন না ইচ্ছাকৃত জমা শস্য সাময়িক ক্রাইসিসের সৃষ্টি করে। ফলে সেই জিনিসে দাম বেড়ে যায়। কিন্তু কৃষক জমা করে না এবং দাম বাড়লেও কৃষক কিছু পায় না। সবটাই মুনাফাখোরদের দখলে। সেটা যাতে না হয় তা দেখার দায়িত্ব সরকারের।
২য় কোন সরকারী কর্মচারী যেন কোন মন্ত্রী বা জনপ্রতিনিধিদের কথায় পরিচালিত না হয়। আইন মোতাবেক যা হবে। তাই করবে। সে যদি তা না করে তার উচ্চ পদস্থ কর্মচারী এই ব্যাপারে সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ থাকবে। অর্থাৎ মন্ত্রীর কথা শুনে কোন কর্মচারীকে যেমন শুধু শুধু হ্যারাস করা চলবে না তেমনি তার তোষামোদিও বরদাস্ত করা চলবে না। স্বচ্ছ সরকার স্বচ্ছ সরকারী কর্মচারীদের উপর নির্ভরশীল। জন প্রতিনিধি তো নিজের দল ছাড়া অন্য কিছু ভাববেই না। তাই শুধু মাত্র মন্ত্রী/নেতার মন মানি কথায় বিশেষ করে আমলা, অফিসার, ইনচার্জ যেন কোন মতেই পরিচালিত না হয়।
৩য় সরকারী কর্মচারী, মন্ত্রী, এম এল এ, এম পি সবার মাইনের মধ্যে মিনিমাম রেসিও রাখতে হবে। অর্থাৎ কাজের সঙ্গে মাইনের সম্পর্ক সমান্তরালে থাকবে। প্রত্যেকের সংসার চালাতে হয়। তাই অফিসারের মাইনে ও গ্রুপ ডি-র মধ্যে ফারাক মিনিমাম থাকা উচিত। ম্যাক্সিমাম নয়। যাতে গ্রাসরুটের কর্মচারীর মনে যেন কোন ক্ষোভ না জন্মায়। প্রত্যেকের শিক্ষা ও বুদ্ধির বিচক্ষণতার দাম দেওয়া উচিত। কিন্তু কোন সরকারী দপ্তর চালাতে সমস্ত কর্মচারীর নিজস্ব ভূমিকা ও প্রয়োজনীয়তা আছে। এই মাইনের রেসিও কোন মতেই দশ বিশগুণের বেশি যেন না হয়। অফিসার পায় তিন লাখ। গ্রুপ ডি মাত্র কুড়ি হাজার। আজকাল আবার দেখা যায় দুজনেই ভাল ডিগ্রীর অধিকারী।
৪র্থ বাজেট সবসময় শুরু হবে শিক্ষা ব্যবস্থার দিকের নজর রেখে। অর্থাৎ প্রাথমিকে মাধ্যমিকে যেন কোন মতেই সঠিক শিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষকের অভাব না হয়। এবং শিক্ষকরা পড়াচ্ছে কিনা তার যথেষ্ট নজরদারি থাকা দরকার। আমরা যেমন বাড়িতে ছেলেমেয়ের শিক্ষাকেই বেশি প্রায়োরিটি দিই ঠিক তেমনি। অন্য যে কোন ক্ষেত্রে কম নজরদারি হলেও চলবে কিন্তু শিক্ষায় নৈব নৈব চ।
যে কোন অগ্রগতির/উন্নয়নের প্যারামিটার হল শিক্ষা। এই শিক্ষণ পদ্ধতি বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ে যেন কোন গাফিলতি না থাকে। শিশুরা শিক্ষা পেলে দেশ এমনিই এগিয়ে যাবে। বাজেটের বাদ বাকী পরে। অর্থাৎ তারপরে সুরক্ষা ও অন্যান্য। সাধারণ মানুষ শিক্ষিত হলে দেশকে জানবে তাতেই দেশের সুরক্ষা বলয় তৈরি হবে।
৫ম যেহেতু একটি পরিবারের স্বাস্থ্যের জন্য আশা, অঙ্গনওয়ারী, এ এন এম, প্রাইমারী সেকেণ্ডারী হাসপাতাল আছে, রেশনিং-এর জন্য, ভোটার কার্ডের জন্য, একশ দিনের কাজের জন্য, বিভিন্ন প্রকল্পের অনুদানের জন্য বিভিন্ন অফিসার, গ্রাম সদস্য, প্রধান, এম এল এ, এম পি ( এই সমতুল্য), বিডিও এবং থানা আছে তাই কোথাও কোন গণ্ডোগোল হলে, কিছু অনৈতিক পাওয়া গেলে ভিকটিমকে তো ধরা হবে। সেই সাথে বিভিন্ন পর্যায়ে এরা যারা আছেন তারা ছাড়া পাবে না। দায়বদ্ধতা এদেরও আছে। বিশেষ করে জন প্রতিনিধিদের যারা জনগণের সঙ্গে আছে। ওই এলাকার অনৈতিক অথচ উনি জানেন না এটা হতেই পারে না। অতএব যার এলাকায় হবে তাকেও দায়বদ্ধ থাকতে হবে। ভোটে জিতে শুধু চুপচাপ বসে থাকা আর গাড়ি করে ঘোরার সাথে এসব নজরদারিও করতে হবে। অন্যান্য সরকারী অফিসার ও কর্মচারীদেরও একই দায়িত্ব পালন করতে হবে। 'আমার তো জানা নেই খোঁজ খবর করে দেখছি' এ জাতীয় ভিত্তিহীন কথা বরদাস্ত করা হবে না।
৬ষ্ঠ যে কোন দুর্নীতি শুরু হয় উপরতলা থেকে। নীচের কর্মচারী বাধ্য হয় তা পালন করতে। তাই কোন ভাবে তা বরদাস্ত করা হবে না। কোন আমলা অফিসার ক্লার্ক যেন এর মধ্যে জড়িয়ে না যায়। তাই নির্দিষ্ট অডিটিং এর উপর বিশেষ নজর দিতে হবে। কোন ক্লু কোন ভাবেই অবহেলা করা চলবে না।
৭ম কোথাও যেন সাধারণ মানুষ সরকারী ব্যবস্থা থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেয়। রাস্তায় দাঁড়িয়ে নির্দিষ্ট সময়ে ও মর্যাদায় সে যেন বাস পায়। যতটুকু আছে সেটুকু। স্কুলে গিয়ে ছাত্ররা যেন শিক্ষা পায়। হাসপাতালে গিয়ে যেন পর্যাপ্ত চিকিৎসা পায়। থানায় গিয়ে যেন সঠিক নিরাপত্তা পায়। যতটুকু আছে সেটুকু। কোন মতেই প্রাইভেট বা বেসরকারী ব্যবস্থার দিকে সরকারী ব্যবস্থা যেন ঠেলে না দেয়। প্রাইভেট বা বেসরকারী ব্যবস্থা সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে রমরমিয়ে চলছে অথচ সরকারী ব্যবস্থা চলছে না এ যেন না হয়।
৮ম অনুদান দেওয়ার চেয়ে সেই অনুদানের টাকায় সেই ব্যবস্থা উন্নত করা যেতে পারে। যেমন পড়ার জন্য অনুদান না দিয়ে সঠিক শিক্ষক নিয়ে তাকে পড়ালে সে তার রাস্তা নিজে নিজেই খুঁজে নেবে। রেশানিং-এ খাদ্যশস্য না দিয়ে কৃষকদের চাষবাস করার জন্য জমি সার বীজ কীটনাশক ইত্যাদির সঠিক সুরক্ষা ও পরামর্শ সুলভে পাওয়ার ব্যবস্থা করলে সে আর রেশনের জন্য দৌড়বে না। কোন অপরাধের ক্ষেত্রে কোন মতেই অনুদান নয়। যে খুন হল তার বাড়ির লোককে চাকরী, যে খুন করল তাদের আইনি সাহায্য - এসবই অন্যায়কে প্রশয় দেওয়া। দেশে অরাজকতা বাড়তে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রশ্রয়।
৯ম কোন প্রকল্প ব্যক্তি লাভজনক যেন না হয়। সমষ্টি উন্নয়নের ভাবনা সমৃদ্ধ প্রকল্প করতে হবে। সার্বিক উন্নতির দিক দেখতে হবে। যেমন কোন প্রকল্পে বেকারকে ব্যবসা করার জন্য এককালীন টাকা দেওয়া। এতে সেই বেকারের মধ্যে দু চার জন্য ব্যবসা করলেও বাকী মেজর সংখ্যক টাকা নেবে কিন্তু ব্যবসা না করে আইনের ফাঁকে বেরনোর চেষ্টা করবে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে /হয়েছে। তাই একক ব্যাক্তি ভাবনার প্রকল্প আদৌ ঠিক না।
১০ম প্রতিটি ব্লকে জেলায় এবং রাজ্যে প্রতিটি বিষয়ে নির্দিষ্ট টাস্ক ফোর্স থাকবে। তারা সেই ব্লকে/জেলায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, হোম, পরিবহণ, কল্যাণ, ইত্যাদির সঠিক নজরদারী রিপোর্ট প্রতিমাসে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানাবে। সরকারী সমস্ত জায়গার নজরদারী রিপোর্ট একত্রিত হবে। নজরদারীর জন্য সমস্ত অবস্থানে যাওয়ার দরকার নেই। দু চারটে সারপ্রাইজ ভিজিট দিলে বাকী সবাই ভয়ে থাকবে, জেনে যাবে যে যখন তখন আসতে পারে তাই কোন অনৈতিক নয়। এই যে সন্ত্রাস, অনৈতিক ঘটছে তার অনেকটাই সরকারী লোকদের না দেখার ভান থেকেই সৃষ্ট। সেখানেই নজরদারি চালাতে হবে। যাতে সরকারী কর্মচারীদের না দেখার ভান দূরীভূত হয়। বলিষ্ঠ সরকার বলিষ্ঠ সরকারীদের উপর নির্ভরশীল। যার বেশির ভাগ আমলা, অফিসার, ইনচার্জদের দ্বারা পরিচালিত। তারা যদি হুকুম না করে সাধারণের হুকুম শোনে তাহলে দেশ অনেকটাই এগিয়ে যাবে।
১১শ লোকসভা রাজ্যসভা বিধানসভায় থাকাকালীন এবং না থাকাকালীন সমস্ত জন প্রতিদিন অবশ্যই ডাইরি মেনটেন করে জানাবে প্রতিদিন বা প্রতিমাসে তিনি কি কি কাজ করলেন। কোথায় ভিজিট দিলেন। জন প্রতিনিধিও সরকারের থেকে মাইনে নেয়। তাই কিছুটা ডিউটি থেকেই যায়। সেই ডাইরি তার কাজের ডকুমেন্ট। মিথ্যে ধরা পড়লে জীবনের যে কোন সময় কৈফিয়ত দিতে। জনপ্রতিনিধি তাই একটু বেশি দায়িত্ব নিতে হবে।
১২শ নিজের দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় সঠিক মূল্যায়ন ভিত্তিক করা দরকার। এর জন্য সবার প্রথমে সৎ সরকারী কর্মচারী প্রয়োজন। তা না হলে সুরক্ষা ব্যবস্থার অনেক গোপনীয় চলে যাবে জঙ্গির হাতে। তাই সরকারী অফিসিয়ালদের অ্যালার্ট থাকা খুবই জরুরী।
১৩শ প্রধানমন্ত্রী হয়ে যাওয়ার পর এমন কি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাওয়ার পর তিনি জনগণের প্রধানমন্ত্রী, জনগণের মুখ্যমন্ত্রী তাই তিনি নিজস্ব দলের হয়ে পাঁচবছর কিছু করতে পারবেন না। যা করবেন শুধু মাত্র জনগণের জন্য। একই ব্যক্তি একটু আগে বিধানসভা বা লোকসভায় এক বক্তব্য দিলেন আর তার পর মুহূর্তে ময়দানে অন্য বক্তব্য দিলেন এটা হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা করা চলবে না। পাঁচ বছর তিনি শুধু সরকারি অফিসিয়াল হিসেবে কাজ করবেন।
১৪শ সমস্ত মন্ত্রী, সভাপতি, সভাধিপতি, প্রধানদের অবশ্যই GPRS সিস্টেমের মধ্যে রাখা দরকার। কেন না এঁদের যখন তখন প্রয়োজন হতে পারে। শুধু ফোন করলে সঠিক অবস্থান জানা যাবে না। এদের ট্র্যাকিং সরকারী দপ্তরে থাকবে। ফলে জনপ্রতিনিধি হিসেবে যারা আসবেন তারা ভেবে চিন্তেই আসবেন।
অন্যান্য সরকারী সচিব, আমলা, অফিসারদের ক্ষেত্রেও কাজের সময় এই GPRS সিস্টেমে করা দরকার। এর দ্বারা কারো ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ হয় না। যেমন অনলাইন জিনিসপত্র যারা দেয় তারা কাস্টকারের মালপত্র ডেলিভারের ক্ষেত্রে সব সময় ট্র্যাকিংয়ে থাকেন। তাদের প্রাইভেসি ক্ষুন্ন হয় না।
জনপ্রতিনিধি ও সরকারী ব্যবস্থা তো জনসাধারণের জন্য আরো বেশি পরিসেবা প্রদত্ত। তাহলে ট্র্যাকিংয়ে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তাছাড়া জনপ্রতিনিধি এবং মন্ত্রী, অফিসিয়েলের নামে চুরি, কাটমানি, পারসেণ্টেজ, অনিয়ম ইত্যাদির জন্য যে বদনাম তা ঘুঁচে যাবে।
১৫শ কোন লাইসেন্স, পারমিট, রেজিস্টেশন, স্যাংসান ইত্যাদি যে অফিস অফিসার এবং অফিসিয়েল দেবে তিনিই সম্পূর্ণরূপে দায়ী থাকবে। নিয়মিত সারপ্রাইজ ভিজিট ও ইন্সপেকশন না করতে পারলে লাইসেন্স পারমিট, রেজিস্টেশন ইত্যাদি দেওয়া মূল্যহীন। কিছু fee দিয়ে ISO 9000-2001 পারমিট দেওয়া, একই উপায়ে গাড়ির লাইসেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ফ্ল্যাট স্যাংসান ইত্যাদি যেন না হয়। যদি হয় এবং সেই সংক্রান্ত কোন অন্যাহ্য যদি দেখা যায় তাহলে তার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিস, অফিসার ও অফিসিয়েল সম্পূর্ণ দায়ী থাকবে।
গাড়ি না চালাতে জানলেও যে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিল, ত্রুটিযুক্ত ফ্ল্যাটের যে স্যাংসান করল, খারাপ প্রোডাক্টকে যে ISO 9000-2001 দিল (সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির সাথে সাথে) সেই অফিস, অফিসার এবং অফিসিয়েলকে প্রথমে ধরা হবে।
একই রকম ভাবে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও মেডিক্যাল যেন প্রত্যেকের ক্ষেত্রে সঠিক মর্যাদায় সম্পন্ন হয়। বর্তমান ব্যবস্থার মত যেন কোন মতেই না হয়।
১৬শ সরকারী কোন লেনদেন সবই অনলাইনে হবে। ক্যাশের কোন প্রয়োজন নেই। একান্ত প্রয়োজন হলে শুধুমাত্র ডকুমেন্টশনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অফিসের আধিকারিক তা সম্পন্ন করতে পারবে। পরে তা অনলাইনে পেমেণ্ট নেবে। আর সমস্ত লেনদেন ব্যবস্থার অডিট করবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের অডিটিং অফিসার ও তার অফিসিয়েল কিংবা কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক।
ভারতবর্ষের মত দেশে সবচেয়ে বেশি ঘোটালা হয় সরকারী কারেন্সীতে। যত দু নম্বরী, কালো বাজারী, ঘোটালা, জমানো টাকা ইত্যাদির মূলসূত্র অবশ্যই সরকারী কারেন্সী। ঘুরে ফিরে হাত বদলে কিভাবে জনমানসে ছড়িয়ে আছে তা বলার নয়। কারেন্সী দু প্রকার হয় সরকারী নয়তো ব্যক্তিগত। ব্যক্তিগত ব্যাপারটা ব্যক্তি বুঝে নেবেই। কিন্তু সরকারী মানেই সার্বজনীন। তাই বুঝে নেওয়াতে অফিস অফিসার অফিসিয়েল ব্যাক্তির মাধ্যম হয়ে ভাগাভাগি হয়। তাই এই সরকারী কারেন্সীতেই যত ঘোটালা।
তাই যত প্রকার লেনদেন হবে সব কিছুর অডিটিং জরুরী এবং তা যেন নিরপেক্ষভাবে হয়। অডিটিং রিপোর্ট যেন সঠিক পর্যালোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়। সব জায়গায় করার দরকার নেই। সারপ্রাইজিং দু পাঁচ জায়গায় করলেই বাকী অ্যালার্ট হতে বাধ্য।
১৭ম ভোট হবে আধার কার্ডের দ্বারা। ফলে যার ভোট তাকেই দিতে হবে। না হলে ভোট গ্রাহ্য হবে না। ফলে দেশ গড়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা থাকবে।
বিষয়শ্রেণী: অভিজ্ঞতা
ব্লগটি ৩০৭ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ১৪/১১/২০১৭

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

  • সোলাইমান ১৫/১১/২০১৭
    মুগ্ধ হলাম।।।
 
Quantcast