দাফনের আগ মুহূর্তে কেঁদে ওঠে শিশু গালিব হায়াত। হেলিকপ্টারে করে ফরিদপুর থেকে তাকে ঢাকায় আনা হয়। তার চিকিৎসায় বিশেষ সহায়তা করেন সোলায়মান সুখন। তিনি অবসরপ্রাপ্ত নৌবাহিনীর কর্মকর্তা।মি. সুখন শিশুকে ঢাকা আনার জন্য আর্থক সহায়তা করেন। আমরা তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। এ ধরনের দয়ালু লোক আমাদের সমাজে দরকার।আমরা এ শিশুর দীর্ঘ জীবন কামনা করি।
এ ধরনের ঘটনা আমাদের দেশে অনেক ঘটছে। এ বিষয়ে চিকৎসকদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। একজন রোগীকে মৃত ঘোষণা করার সময় তাকে যথেষ্ঠ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। কারণ চিকৎসকের ঘোষণার উপর নির্ভর করে একজন রোগীর জীবন। তিনি যদি জীবিত রোগীকে মৃত ঘোষণা করেন তবে এর চাইতে হৃদয়বিদারক আর কিছু থাকবে না। সুতরাং এ বিষয়ে সদা শতর্ক থাকা আবশ্যক।
Comments (3)