তবে তুমি যাই বলো!
আব্বু আম্মুর খুব শখ ছিলো আমি যেন ডাক্তার হই!"
অনেকটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়েই কথাগুলো বলছিলো
সুরভী! আমি মনোযোগ দিয়ে শুনছিলাম ওর কথা।

এপ্রিলের মেডিকেল যে ভর্তি পরীক্ষা হয় সেখানে কলম যোদ্ধাদের সাথে টিকে উঠতে পারেনি সে।
তার বংশের মাঝে নাকি কোনো ডক্টর নেই।
তাদের শত আবদারেই বিজ্ঞান থেকে পরীক্ষায় বসেছিলো সে। কাজ হয়নি।
উপকূলে দাড়িয়েই নিশ্চুপ পানির ছন্দপতন দেখতে হয়েছে তাকে।

ওর ইচ্ছে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক সম্পন্ন করার।
একগাদাঁ হিমুসমগ্র ও কয়েক কাপ চা হলে দিনগুলো তার অনায়াসে কেটে যায়। নীল শাড়ি, কাচের চূড়ি, কাঠগোলাপ, কৃষ্ণচূড়া তার পছন্দের।
মনে মনে সে নিজেকে কল্পনা করে পারস‍্যের শাহজাদীর মতো, কখনো হিমূর রূপা!

গৃহত‍্যাগী জোছনা হয়ে প্রিয় মানুষটার সাথে কোনো এক অমাবস‍‍্যার রাতে হাটতে মন চায় তার।
কিন্তু তাকে কেউ বুঝে না!

সুরভীকে বুঝাতে চাইলাম যে,
শুধুমাত্র সাহিত্যে ডুবে থাকা পাপ!
সাহিত্যচর্চা ভালো, তবে সবার আগে অন্ন সমস্যার সমাধান হওয়া চাই! একটা চাকরি চাই, ভালো অবস্থান চাই। তারপর নাহয়....!

সুরভী: কিন্তু...,.... তা....,রপর তোমাকে পাবো তো?
আমি খানিকক্ষণ চুপ থেকে বললাম :জানিনা!