লেখাটা ভাল লেগেছে।তারপরও সমালোচনা করতে ভাল লাগে।এই ছড়াটি পড়ে ভালোই লাগছিলো তবে শেষ তিন লাইনে একটা সুর কেটে গেলো।বিষণ্ণতা ছেয়ে গেলো।শেষে এরকম করুন পরিণতির কথা উল্লেখ করাটা যুক্তিযুক্ত কিনা ভেবে দেখবেন।খোকন সোনাকে বিভিন্ন স্বপ্ন দেখিয়েছেন।তাকে কল্পনার রঙে রাঙিয়েছেন।খোকন সোনা নিশ্চিতভাবেই শিশু ,তারা কল্পনার সাগরে ভাসতে চাইলেও বাস্তবতা বুঝে ওঠার ক্ষমতা হয়না কিংবা এতো ছোট কাউকে কেউ বাস্তবতা শেখাতে চায়না।সেখানে আপনি কি অবলীলায় বাস্তবতা মেলে ধরলেন।যেটা খোকন সোনা চায়নি।তারপরও লেখিকা যদি চায় যে,খোকন সোনার বাস্তবতা এই বয়সে শেখাটা জরুরি তবে সে কথা ভিন্ন।
বাহ ! গঠনমুলক মন্তব্যে স্বাগতম প্রিয় লেখক।সত্যিই খুব ভালো লাগলো। আপনার চিন্তাধারা সত্যিই প্রসংশনীয়।সুন্দর বিষয়ে গঠনমুলক সমালোচনা করলেন।আপনার মতামতের সাথিআমি সহমত। কিন্তু কোনো কবিতার যখন ভাবোদয় হয় ;তখন যে ভাবনা মাথায় আসে ,ঠিক ঐ ভাবনায় কবিতাটি রচিত হয়।কবিমনে যা আসে তাই লেখা হয়।বাস্তবতা তখন ম্লান থাকে।লেখাটা হতে পারে বাস্তব অথবা রূপক । এটা একান্তই আমার নিজস্ব মতামত। অন্যদের ক্ষেত্রে এটা নাও হতে পারে।শিশুকে এখানে বাস্তবতা শেখানো হয়নি। মা খোকাকে ডাকছে।খোকা আপন মনে খেলছে।কিন্তু মায়ের মন আবেগপ্রবণ,তাঁর (মায়ের) আবেগটা কবিতায় ঝরে পড়েছে। অনেক ধন্যবাদ কবি। ভালো থাকুন সবসময়।
Comments (14)