প্রেমের দিকটাতে আমি যতই মানুষের শরীর আঁকতে চাই ততই আদিম কিশোরীর যৌবন চোখে পড়ে। শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় তেলাকুচা পাতার মতো হরেক রকমের আত্মহত্যা! পুরুষের ভেতর দেখি শিম্পাঞ্জির বংশধর ।

মনে রেখো,
সত্য যতখানি নিচে নেমে যায়
ততখানিই অন্ধকার।।

মাটির মতো প্রতিক্ষা করতে করতে তোমার ইমেইলে গিয়ে ঠেকে গোটা শহরটা । প্রেমের ধর্মে এসে পড়ে পোয়াতি বর্ষার আগুন। ঝিরি গুলো ধনীর দুলালের মতো ডেকে নেয় জলের শরীর , ঘ্রানে জমিয়ে তোলে সশস্ত্র সঙ্গম। নতুন সিঁড়ির বাহুর মতো আলিঙ্গন করে কোনদিন চাকু বসিয়ে দেয় এই ইতিহাসে । বুকে ধাক্কা মারলে নাৎসি সভ্যতার মতো আমি একলা হাটি ,ভালবাসতে শিখি উপুর হয়ে। মদের স্তনে যখন গোটা শহর ভ্রমণ করে শিশুটিও ডেকে উঠে মায়ের বুকে। প্রেমিকার বুকে খুঁজে পায় প্রেমিক মায়ের সাটিন বিছানা সঙ্গীহীন হয়ে শুয়ে থাকা নদীর মতো।

তবুও কাম জাগে প্রেরণা হয়ে , সৃষ্টির তীর্থে দেখি সমস্ত চোখ ত্রিশূল হয়ে খুঁজে বিবসনা বসতভিটে। কদমের মাসে গলে পড়ে মোম আর জলের নিচে নিজেকে জড়িয়ে ধরে আমি জপ করি , এই পাহাড় যেন ঠিক মেয়ে হাঁসটির মতোই।

।।অনির্বাণ সূর্যকান্ত।।
০৯.০৯.২০১৭