সংসারী মন ছুঁয়েছে যখন নিরাপদ আশ্বাস
চেতনার দায় হেনেছে কে হায় বিদীর্ণ প্রশ্বাস।
সমাজের বধূ বসুন্ধরা হে আচমকা কৌশল
লিপ্ত হয়েছে নগর জীবন প্রযুক্তি কোলাহল।
যে বুকে অশ্রু সাগর হয়েছে যন্ত্রণা পার হয়ে
সে যন্ত্রণা'র সবুদ ছেয়েছে নগরে' রসদ রয়ে।
শাড়ীতে গহনা আমি আমাদের কুশলের সংগম
জড়োয়া চেয়েছি বুনেছি সহসা গরদের সরগম।


যে চোখ দেখেছে ঝলক সহসা ধ্বংস মৃত্যুকূপ
সোজা পথগুলো হঠাৎ বেঁকেছে চিত্র ভিন্নরুপ।
আজ ভালো কাল্ সহসা মন্দ কাংখিত অপলাপ
ভেবে পরাধীন ছিল যে অধীন অতীতের সংলাপ।
সং সাজাবার সংগতি আছে জেনে বুঝে জটলা
খুব করে ঢং বাজিয়ে চলেছি নেশা জমবার খেলা।


শোয়াশোয়ি গুলো বাতিক হয়েছে দুজনার বিচ্ছেদ
চোখ,মুখ নিয়ে জমিয়ে কষছে শবের ব্যবচ্ছেদ।
বলনা সমাজ দু'কথা আমারো দুবেলা সরঞ্জাম
সাজিয়েছি ভাত্ কাপড়ে নকশা নিয়তির মধুযাম।
ঘষা কাঁচে জ্বলে মুখের ছলনা সমাজিক কায়দায়
মান্যতা বলে শূণ্য শূণ্য বোধাবোধ ভেসে যায়।


সংসার যায় নাচন কোঁদন অামার পৃথক জাত্
পাশ কেটে চলে সংসারী যারা বেদনার সংঘাত।
নিয়ম'টা শুধু নোটিশ পাঠায় হৃদয়ের দরজায়
বলো সংসার কি দোষ আমার জীবনবৃথায় যায়।
আমিও বৃষ্টি ভিজেছি বলেছি ভ্যালেন্টায়ন্
তখন আমারো রাত্রিটা ছিল জমাটিয়া প্রণয়ন।
এস হে রাত্রি  নিত্য দোসর গভীর আলিঙ্গন
আছে প্রেম ঘন তোমাতে আমার নিঃশব্দ জীবন।
ঢেলে প্রাণ মন সঁপেছি হৃদয় তুমি আমি দু'জনায়
অমর শহীদ আমরা নিবিড় রাত্রির তমসায়।