বোকা ছিলাম
তোমায় ভালবেসে
জ্ঞানী হলাম।

নীরব অশ্রু
দুটি বন্ধনে আটা
একই আত্মা।

প্রহর গুণে
মাঝ রাত্রিতে ডাকো
প্রেম পরশ।

নির্জন আয়না
আত্মার রোশনি বুঝ
প্রেম ঝংকারে।

একই সুর
বারবার ধ্বনি তুলে
ভালবাসার।

অতৃপ্তে প্রাপ্তি
প্রেমের সুধা পাণ
গহীনে তৃষ্ণা।

অনেকটা পথ
হৃদয়ের গুণগুণ
মোহ মৌমাছি।

সুন্দর ছায়া
গোলাপ স্বপ্ন ভাসে
বন্ধু বর্ষণ।

চাওয়ার সীমা
খুঁজে দেখি যতটা
পাওয়া সমুদ্র।

ভিক্ষের থালা
প্রেম সুধায় পূর্ণ
রাজা-বরেণ্য।

হে বর্ষা ঝর!
তোমা পরশে ভিজে
হৃদে আনন্দ।

আকাশে চাঁদ
বাতাসে বাঁশি সুর
কন্ঠে কাঁপন।

মধ্য রাতেই
ডাকো আমারে তুমি
অলখে হুশ।

একবিন্দু অশ্রু
ঝরে ঝরে উজ্জ্বল
অনন্ত প্রেম।

আমায় জানো
বর্তমান ভবিষ্য
তোমারি ছোঁয়া।

প্রেম অজ্ঞতা-
হিতাহিত জ্ঞানে ঘাঁ
বিচ্ছেদে ঝাঁজ।

ব্যবসা অংকে
হিসাব নিকাশের
ভাঁড়ে রঞ্জন।

কান্দে বা মন
জপ নাম বন্ধুর
তৃপ্ত পরাণ।

প্রেম দাহনে
জন্ম নেয় ঘৃণার-
নষ্ট না হই।

আগুনে পুড়ে
সোনা হয় সে খাঁটি-
প্রেমে উজ্জ্বল।

অধরা খুঁজি
এপাড়ে বসে ওপাড়ে
আত্মার রুজি।

পৃত্থি সৃজন
স্বরূপে আকর্ষণ
বেহুশ প্রেম।

বীজবিনা জন্ম
যত গাছ গাছালি
নীচে শেকড়।

চাতক আমি
জল থাকতে অনাহারি
মেঘের তৃষা।

বীজ ও গাছ
কোনটা বড় প্রকাশ
বন্ধু তোমার।

আকাশে বৃষ্টি
মাটিতে কোলাহল
অমৃত টানে।

পূর্ণিমা চাঁদ
জোয়ার ভাটা দোলে
দেহে পরাগ।

সমুদ্র পাড়ি
নৌকা বাঁধা পাঁচদড়ি
ওপাড়ে তুমি।

তোমাকে চাই
তৃষ্ণাত্ব ভগ্ন হৃদ
আশা ছাড়িনি।

পৃথিবী শূন্য
তুমি হীনে আঁধার
প্রীতি বন্ধন।

জানতাম যদি
গুরু পদে যে মোতি
সপে জীবন।

নূর নবীজি
যে জম্মে প্রেমাঙ্কুর
চমকে ভূবন।

আত্মার রূপ  
যে নাম জপে, মধু
কলস ভরে।

গুরুর প্রেমে
মন মজালে কাসা
সোনার ফল।  

চন্দ্র কানন
দিন রাত্রির তুমি
কোটি কিরণ।

ভাগ্যের ফল
দেখি বা সে কিরণ
বেহেস্ত পুরী।

উজান ভাটি
মুক্তির একটি পথ
সমান স্রোতে।

ভবের হাট।
বেচাকেনা চিনে নিস
সোনা কি রাং।

বসত গুহে-
অদৃশ্য ডিম্বয়ারি
আছো সকাশে।

আশেকের পা
মাশুক ভক্তি ঠেকে
বেভুল প্রাণ।

ধর্মের নই
কর্মের মাঝে খুঁজি
বিশ্ব প্রেমের।

নবীর ধ্যানে
পথ হয় সুন্দর
রূপে সাক্ষাত।

মহা সমুদ্র
ভেসে সাদ্দাত পেল
কূলের দিশা।

মাছের পেটে
কুদরতে ইউনুছ
জীবন পেল।

পীড়িতি আঠা
লাগলে কিন্তু ছোটে না
বিচ্ছেদে ভেদ।

দু’ভাগে জল
মূসা তীরে গমন
ফেরাউনধ্বস।

আঁধার ঘর
ডুবে সম্পূর্ণ জল
সৃষ্ট ডিম্বের।

ক্ষ্যাপা পাগল
চোখ তুলে আদম
সূর্য দর্শন।