বৈপরীত্য যখন নিয়ম মেনে বারবার নিজের সামনে এসে দাঁড়ায় তখন অসহায় হয়ে যায় জীবন। মনে হয় পৃথিবীতে আর কেউ নেই যার বেলায় এমনটা হতে পারে। কেন আমার বেলায় এতো দুঃখ,কষ্ট,বিপদ আপদ। অনেকেই আবার বিশ্বাস করেন বিধাতা যাকে ভালোবাসেন তাকে পরীক্ষা করার জন্য এমন বিপদ আপদ, দুঃখ কষ্ট দিয়ে থাকেন। যেন আমরা তার কথা ভুলে না যাই, তাঁকে স্মরণ করি। তবে বিধাতা ওকি প্রার্থনা চান? জানা নেই, তবে সুখে,দুঃখে সর্বদা যে স্মরণ করে সেই ব্যক্তি প্রকৃত অর্থে ভালোবাসে। বিপদে পড়লে ডাক,সে তো প্রয়োজনের,নয় কি?
মানুষের জীবনে সুখ, দুঃখ, বিপদ আপদ সবই আসবে।
এ সময় কয়েকটি জিনিস পালন করতে পারেন পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে।
১) নিজের উপর বিশ্বাস স্থাপন
২) কেন এমন হলো কারন অনুসন্ধান করে যতদূর সম্ভব সতর্ক ব্যবস্থা গ্ৰহন
৩) মনে রাখবেন রাতের পরে সকালের সূর্যোদয়, সুতরাং আঁধার কেটে আলো আসবেই।
৪) বন্ধু, আত্মীয় স্বজন এদের আলাদা করে দেখা যেতে পারে প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী কারা।
৫) অহেতুক সামাজিকীকরণ বাদ দিন, অনেক সময় এগুলো সমস্যা তৈরি করে।
৬) ভালো আছি, এটা বলতে পারেন কারন অনেক সময় দেখা যায় খারাপ থাকলে অনেক ব্যক্তি খুশি হয়।
আর ঈর্ষা করার জন্য কোন কারণ লাগে না,যে কোন কারণে আপনি ঈর্ষণীয় হতে পারেন। এমনকি মোটা বা শুকনো, ফর্সা কিংবা কালো
৭) নিজের মতো করে সময় কাটাতে হবে যেমন গান শোনা, গল্পের বই পড়া, কিংবা শপিং মলে যেয়ে টুকটাক কেনাকাটা করা।
৮) নিজেকে বলেন, আপনার থেকে এ জগতে অনেক সমস্যায় মানুষ আছে,তারা পারলে আপনি ও পারবেন।
৯)সৎ, নির্ভীক থাকলে শক্তি পাবেন, মনকে শান্ত রাখুন। দেখুন ভোরের আলো, আপনি জিতে গেছেন।
জীবন মানে সংগ্রাম
সংগ্ৰামী জীবন, জয়ী জীবন।
সংগ্ৰাম শেষ মানে জীবনের যবনীকা।
মন্তব্য (3)