দখিনা জানালা খুলো তবে
দেখতে পাবে সবুজ দূর্বাদল,
গাছপালা তৃণলতা জাগায় নতুন অনুভব
বাতাবী লেবুর সুরভী প্রাণে তোলে হিল্লোল।
ব্যথিত শীত যখন পালাতে চায়
দুয়ারে উঁকি দেয় ঋতুরাজ বসন্ত,
মনের মালা দিয়ে বরিয়া নেই তাকে,
তার বাসন্তী ঘ্রাণে, থাকেনা মন শান্ত।
সরিষা ওঠে উঠোনে-উঠোনে
মধু মাছি ব্যাকুল হয়ে ছুটে বেড়ায় বনে,
আম জামের মুকুলে সুঘ্রাণে
চলে আসে ঘরের কোণে,
পাতায়-পাতায় উড়ে বেড়ায় প্রজাপতি
ভর করে তার রঙিন ডানে।
রক্তিম শিমুল, পলাশ ফুলে
বীর শহীদের নাম দোলে,
শুঁকিয়ে পড়েনা তারা ভূমিতে
পরে যেন তারা মায়ের কোলে,
কবির মনের অভিব্যক্তি যেন
সেই কথাই বলে চলে।
আসে কোকিল শীতের পরে ফিরে
ডানায় বয়ে আনে বসন্তের বার্তা,
ফুলে ফুলে ভরে উঠে চারিপাশ
ঋতুরাজ ফিরে পায় ঐশ্বর্যতা।
ডালে বসে মেলে তার ডানা
বসন্ত এসে গেছে বুঝায় যে পাখি,
মধুর কণ্ঠে শুনি তার গান
গায় কুহূ! কুহূ! তারে কোকিল বলে ডাকি।
মন্তব্য (8)