বাংলাদেশের মানুষের বন উজাড় করার গল্প অনেক পুরোনো। ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে গেলে দেখা যায়, একদিকে ঘন সবুজ গাছ পালা আর বাংলাদেশে বনাঞ্চলহীন পরিত্যাক্ত সুজলা ভূমি।

সুন্দরবনের কয়লা খনির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী বন্ধুদের বলছি, বাংলাদেশ সরকার ও আপনারা সবদিক দিয়ে প্রথ্যাখ্যাত ও ব্যার্থ। কারণ, ভারতের সাথে কোন আলোচনায় বাংলাদেশ সফল হতে পারেনি আর পারবেওনা। কিন্তু ভারতের ব্যাক্তিগত ছোট প্রতিষ্ঠান যখন এখানে ইছ্ছা মাফিক চলে তখনও কেউ কিছু করেনা। এটি লজ্জার বিষয়।

সরকারও এসব মেনে নেয়, অজানা কোন দাদার ভয়ে।
সম্প্রতি রোহিঙ্গারা আসছে; আশ্রয় নিচ্ছে আমাদের শেষ সম্বল চট্রগ্রামের পাহাড়ি এলাকায়। এটি যদিও আমাদের , আসলে এটি একটি বিশ্ব সম্পদ।স এমনিতে আদিবাসী শান্তিবাহিনী প্রতিরোধের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এসব বনাঞ্চলকে উজাড় করে রেখেছ। এটিকে এভাবে শেষ হতে দেয়া যায়না।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া উচিত, ,এটি মানবিক কিন্তু এভাবে বন ধংশের মাধ্যমে করা উচিত হয়নি। হাসিনা মায়ানমারের সাথে রাজণীতিতে সম্পূর্ণ পরাস্থ হয়েছে। রোহিঙ্গা নিয়ে দেশে দেশে ভিক্ষা চেয়ে তো কোন দীর্ঘমেয়াদী লাভ হবেনা। পাকিস্থান কাশ্মীর নিয়ে যত বাড়াবাড়ীই করোক না কেন, আজাদ কাশ্মীর ও আমাদের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদানে অর্জিত। আমাদের এসব মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশ আলাদা হওয়ার পর কন্ট্রোল রাইনের এক ইঞ্চিও আর তারা বাড়াতে পারেনি।

তাই সময় থাকতে এদের এ সমস্যার রাজনৈতিক ও সামরিক জবাব দিতে হবে। তা না করলে এদেরকে নাগরিকত্ব দিয়ে আশ্রয় দিয়ে দিন। এভাবে বন ধংশের কোন মানে হয়না। সারাদেশে রোহিজ্ঞা সহ সকল আশয়হীন মানুেষের আশ্রয় করে দেয়া সরকারেরই দায়িত্ব। তা না পারলে ক্ষমতায় থেকে জুলুম নির্যাতন আর বড় বড় কথা বলার কোন দরকার নেই।