www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

ফেব্রুয়ারি

চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায় ও দন্ড নিয়ে উত্তপ্ত ছিল। তবে রায় নিয়ে সরকার যাই করুক বিএনপি অত্যন্ত ধৈর্য ও কৌশলের সাথে তাদের কর্মসূচী প্রনয়ন করে। এটা বিএনপি ঘোষিত নতুন ধারার রাজনীতির লক্ষণও বটে। এই রায় নিয়ে সরকার বিএনপি-জামায়াতের ২০ দলীয় জোটের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে আটক করে সরকার। তার পরিমাণ ৭ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা। ফেব্রুয়ারি মাসে ৪২০টি রাজনৈতিক ঘটনার তথ্যে নিহতের সংখ্যা ৮। এই ৮ জনের ৪ জনই খুন হয় আওয়ামী লীগের হাতে, যুবলীগের হাতে ১, বিএনপির হাতে ১ এবং ইউপিডিএফ-এর হাতে ২ জন। এ মাসে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতায় প্রাপ্ত তথ্যে আহত হয় ৪১৫ জন এবং গ্রেফতার অনেক বেশী হলেও ৩,১১৭ জনের তথ্য পাওয়া গেছে বাকীদের পরিচয় প্রকাশিত হয়নি, গ্রেফতারকৃতরা অধিকাংশই বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং দন্ডপ্রাপ্ত ৪৪ জন, এই ৪৪ জনের ছাত্রলীগের ৩৭ এবং বিএনপির ৭ জন। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রাপ্ত তথ্যে নিহতরা হলো- (১) বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আওয়ামী লীগের লোকদের হাতে বিএনপি সমর্থক নিহত, (২) নারায়নগঞ্জের রূপদিয়ায় পুলিশের সাথে আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে সুমন নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী নিহত হয়, (৩) নড়াইলের লোহাগড়ায় দলীয় কোন্দলে আওয়ামী লীগ নেতা লতিফুর রহমান পলাশ খুন হয় ও (৪) সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে জলমহল দখল নিয়ে আওয়ামী লীগের হাতে মজনু মিয়া খুন, (৫) চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকায় যুবলীগ কর্মীদের হাতে যুবদল নেতা হারুন-অর-রশীদ নিহত, (৬) ঝালকাঠি সদরে বিএনপির দলীয় কোন্দলে বিএনপি নেতা বশির সিকদার খুন হয় এবং (৭) খাগড়াছড়ি সদরে ইউনিডিএফ কর্মী দীলিপ কুমার চাকমা বিনয়কে খুন করে দলীয় প্রতিপক্ষ গ্রুপ ও (৮) খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ইউপিডিএফ দু’গ্রুপের বন্দুক যুদ্ধে সাইন চাকমা নিহত হয়।
বিষয়শ্রেণী: সমসাময়িক
ব্লগটি ৩৩৫ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ০৫/০৩/২০১৮

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

 
Quantcast