জীবন এক টুকরা ফসলি জমিন
পুরুষের বিলাসিতা হচ্ছে ঘুম,শুনতে সাধারণ একটা শব্দ, কিন্তু এর ভেতরে লুকানো আছে এক সমুদ্র ক্লান্তি। দিনের পর দিন দৌড়াতে থাকা একটা মানুষ—তার কাঁধে দায়িত্ব, প্রত্যাশা, আর অগণিত চাপ। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় সে শক্ত, অবিচল। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে কতটা ক্লান্ত, সেটা কেউ বুঝতে চায় না। পুরুষের জীবনে “বিশ্রাম” বলে কিছু থাকে না, থাকে শুধু বিরতি। আর সেই বিরতিটুকুই তার কাছে বিলাসিতা হয়ে দাঁড়ায়। একটানা কাজ, চিন্তা, ভবিষ্যতের হিসাব, পরিবারের দায়িত্ব সব মিলিয়ে মাথাটা কখনোই পুরুষের পুরোপুরি ফাঁকা হয় না।
তাই যখন সে একটু ঘুমাতে পারে, তখন সেটা শুধু ঘুম না ওটা তার কাছে পালানোর একটা পথ। কিছু সময়ের জন্য সব চাপ, সব দুশ্চিন্তা, সব অপ্রাপ্তি থেকে দূরে থাকার সুযোগ। অথচ
কেউ তাকে জিজ্ঞেস করে না—“তুমি ক্লান্ত নাকি?”
কেউ বলে না—“আজ একটু বিশ্রাম নাও।”
এর কারণ সবাই মনে করে, সে ঠিক আছে।
কিন্তু সত্যিটা হলো, সে ঠিক নেই শুধু অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তাই অনেক পুরুষের বিলাসিতা দামি গাড়ি না, বড় বাড়ি না, কিংবা আড়ম্বরপূর্ণ জীবনও না। পুরুষের আসল বিলাসিতা হচ্ছে একটানা নির্ভার ঘুম, যেখানে কোনো দুশ্চিন্তা তাকে ছুঁতে পারে না।
আর সেই ঘুমটুকুই একজন পুরুষের কাছে সবচেয়ে দুর্লভ শান্তি ও স্বস্তি ।
প্রবাস জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়টাকে
নিঃশব্দে গলা টিপে ধরে মা-বাবা আর ভাই-বোন। যে সময়টা ছিলো স্বপ্ন দেখার, হঠাৎ হঠাৎ কোথাও হারিয়ে যাওয়ার, বন্ধুদের সাথে রাত জাগার, নিজের মতো করে বাঁচার। অথচ আমরা এই সময়টাকেই বন্দী করে ফেলে , চিন্তা আর ভবিষ্যতের অজানা ভয় দিয়ে।
প্রবাসে প্রতিটা সকাল শুরু হয় মানসিক চাপ নিয়ে। কিছু একটা করতে হবে,নিজেকে প্রমাণ করতে হবে পরিবার-পরিজন এর কাছে, কিছুতেই সময় নষ্ট করা যাবে না। ধীরে ধীরে এই কথাগুলোই ভেতরের শান্তিটাকে হত্যা করে। প্রবাসীরা শুধু দৌড়াতে থাকে, কিন্তু ঠিক কীসের পিছনে দৌড়ায় কীসের মোহ দৌড়ায়, সেটাই একসময় ভুলে হয়ে যায়।
চারপাশে অন্যের সাফল্য দেখে ঈর্ষায় পড়ে নিজের ছোট ছোট অর্জনগুলো তুচ্ছ মনে করে আপনজন। তুলনা, অনিশ্চয়তা, আর ভয়—এইসব একটা অদৃশ্য চাপের মধ্যে ফেলে দেয় প্রবাসীর জীবনকে।
একসময় সংসারের প্রচলিত আয়নার সামনে দাঁড়াতে হয়। আর এই আয়নায় সংসারের মুখোশ পড়া কিছু লোক দৃশ্যমান হয়। যখন একজন প্রবাসী বলে আর পারছি না এবার ক্ষান্ত হও আর তখনি মুখোশ হতে আওয়াজ আসে দুর হও। কী করেছো তুমি এই সংসারের জন্য, কী করেছো আমাদের জন্য। সবাই মিলে বলে আগে ভালো ছিলে এখন আর ভালো না।
নিঃস্ব একজন লোক বাস্তবতার ষাতাকলে পিষ্ট হয়ে বউ বাচ্চার কাছেই অসহায় আত্মসমর্পণ করে নতুন স্বপ্ন দেখতে থাকে।
গল্পঃ প্রবাস (১৫)
তাই যখন সে একটু ঘুমাতে পারে, তখন সেটা শুধু ঘুম না ওটা তার কাছে পালানোর একটা পথ। কিছু সময়ের জন্য সব চাপ, সব দুশ্চিন্তা, সব অপ্রাপ্তি থেকে দূরে থাকার সুযোগ। অথচ
কেউ তাকে জিজ্ঞেস করে না—“তুমি ক্লান্ত নাকি?”
কেউ বলে না—“আজ একটু বিশ্রাম নাও।”
এর কারণ সবাই মনে করে, সে ঠিক আছে।
কিন্তু সত্যিটা হলো, সে ঠিক নেই শুধু অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তাই অনেক পুরুষের বিলাসিতা দামি গাড়ি না, বড় বাড়ি না, কিংবা আড়ম্বরপূর্ণ জীবনও না। পুরুষের আসল বিলাসিতা হচ্ছে একটানা নির্ভার ঘুম, যেখানে কোনো দুশ্চিন্তা তাকে ছুঁতে পারে না।
আর সেই ঘুমটুকুই একজন পুরুষের কাছে সবচেয়ে দুর্লভ শান্তি ও স্বস্তি ।
প্রবাস জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়টাকে
নিঃশব্দে গলা টিপে ধরে মা-বাবা আর ভাই-বোন। যে সময়টা ছিলো স্বপ্ন দেখার, হঠাৎ হঠাৎ কোথাও হারিয়ে যাওয়ার, বন্ধুদের সাথে রাত জাগার, নিজের মতো করে বাঁচার। অথচ আমরা এই সময়টাকেই বন্দী করে ফেলে , চিন্তা আর ভবিষ্যতের অজানা ভয় দিয়ে।
প্রবাসে প্রতিটা সকাল শুরু হয় মানসিক চাপ নিয়ে। কিছু একটা করতে হবে,নিজেকে প্রমাণ করতে হবে পরিবার-পরিজন এর কাছে, কিছুতেই সময় নষ্ট করা যাবে না। ধীরে ধীরে এই কথাগুলোই ভেতরের শান্তিটাকে হত্যা করে। প্রবাসীরা শুধু দৌড়াতে থাকে, কিন্তু ঠিক কীসের পিছনে দৌড়ায় কীসের মোহ দৌড়ায়, সেটাই একসময় ভুলে হয়ে যায়।
চারপাশে অন্যের সাফল্য দেখে ঈর্ষায় পড়ে নিজের ছোট ছোট অর্জনগুলো তুচ্ছ মনে করে আপনজন। তুলনা, অনিশ্চয়তা, আর ভয়—এইসব একটা অদৃশ্য চাপের মধ্যে ফেলে দেয় প্রবাসীর জীবনকে।
একসময় সংসারের প্রচলিত আয়নার সামনে দাঁড়াতে হয়। আর এই আয়নায় সংসারের মুখোশ পড়া কিছু লোক দৃশ্যমান হয়। যখন একজন প্রবাসী বলে আর পারছি না এবার ক্ষান্ত হও আর তখনি মুখোশ হতে আওয়াজ আসে দুর হও। কী করেছো তুমি এই সংসারের জন্য, কী করেছো আমাদের জন্য। সবাই মিলে বলে আগে ভালো ছিলে এখন আর ভালো না।
নিঃস্ব একজন লোক বাস্তবতার ষাতাকলে পিষ্ট হয়ে বউ বাচ্চার কাছেই অসহায় আত্মসমর্পণ করে নতুন স্বপ্ন দেখতে থাকে।
গল্পঃ প্রবাস (১৫)
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
শ.ম.ওয়াহিদুজ্জামান ০৭/০৫/২০২৬প্রবাস জীবন আসলে কষ্টের, তাইনা।।।
