জীবন এক টুকরা ফসলি জমিন
মজিদ মিয়া তাড়াতাড়ি দেশে আসে যাতে বাবার পাশে থাকতে পারে। কিন্তু আসলে তো আর হবে না পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজন এর চাহিদাও পূরণ করতে হয়। এক এক জন এক একটা জিনিসের দাবি, দিতে না পারছে না বলে গোমড়া-মুখো ভাব ও দুর দুর স্বভাব । আস্তে আস্তে মজিদ মিয়ার চির চেনা মানুষেরা অচেনা হচ্ছে একজন একজন করে।
গত দুই বছর আগে একটা ছোট ভাই বিয়ে করেছে মজিদ মিয়া সেই বিয়ের খরচও বহন করতে হয় কারণ মা অসুস্থ থাকে বলে সংসারের কাজ চলে না। আজ ভাইয়ের মেয়ের জামা অপছন্দ হয়েছে বলে কানাঘুষো মজিদ মিয়ার সামনে কিংবা পিছনে। এই দিকে বাড়ি সমাজ ও পাড়ায় একই কথা মজিদ মিয়া বিয়ে কবে। দুই/একজন বাপ ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে শলা-পরামর্শ দিতেও আসে। সব মিলিয়ে বুঝা উঠা কঠিন হয়ে পড়ে মজিদ মিয়ার কাছে। তবে ঘরে মানুষও যেনো আস্তে আস্তে মুখোশ পরে অচেনা হয়ে যাচ্ছে।
বাপ আর ভাইয়েরা বলে বিয়ে করতে চাও ভালো কথা সব খরচ তুমি বহন করতে হবে। আমাদের কাছে এক টাকাও জমা নেই তোমার জন্য । এইদিকে কয়েকটা পাত্রী দেখতে গিয়েও অনেক টাকা খরচ কিন্তু বিয়ের কথা পাকা করা সম্ভব হয় নাই বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে। এমন করেই দুই মাস কেটে যায় মজিদ মিয়ার অথচ মন দিয়ে কেউ বিয়ে নিয়ে ভাবে না। টাকা দিচ্ছে না তাই এই নয়ছয় এটা বুঝতে মজিদ মিয়ার বেগ পেতে হয় না। মনে হয় মজিদ মিয়া অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে কয়েক মাসে তাই ধার-দেনা করে তাড়াতাড়ি বিয়ে সম্পন্ন করে।
বিয়ের পরই সবার আসল রুপ মজিদ মিয়ার সামনে আসে মায়ের চেহারা দেখলে অশ্রুজল নামে আর অন্যদের চেহারা দেখলে নিজেকে রোকা লাগে। রোজ রোজ একই গান টাকা দাও টাকা দাও। তোমার মেহমান তোমার আত্মীয় তাই খরচও তোমার । কিন্তু মজিদ মিয়া যে রিক্ত সিক্ত শূণ্য হস্ত।
গল্পঃ প্রবাস(৫)
২০/৮/২৫
গত দুই বছর আগে একটা ছোট ভাই বিয়ে করেছে মজিদ মিয়া সেই বিয়ের খরচও বহন করতে হয় কারণ মা অসুস্থ থাকে বলে সংসারের কাজ চলে না। আজ ভাইয়ের মেয়ের জামা অপছন্দ হয়েছে বলে কানাঘুষো মজিদ মিয়ার সামনে কিংবা পিছনে। এই দিকে বাড়ি সমাজ ও পাড়ায় একই কথা মজিদ মিয়া বিয়ে কবে। দুই/একজন বাপ ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে শলা-পরামর্শ দিতেও আসে। সব মিলিয়ে বুঝা উঠা কঠিন হয়ে পড়ে মজিদ মিয়ার কাছে। তবে ঘরে মানুষও যেনো আস্তে আস্তে মুখোশ পরে অচেনা হয়ে যাচ্ছে।
বাপ আর ভাইয়েরা বলে বিয়ে করতে চাও ভালো কথা সব খরচ তুমি বহন করতে হবে। আমাদের কাছে এক টাকাও জমা নেই তোমার জন্য । এইদিকে কয়েকটা পাত্রী দেখতে গিয়েও অনেক টাকা খরচ কিন্তু বিয়ের কথা পাকা করা সম্ভব হয় নাই বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে। এমন করেই দুই মাস কেটে যায় মজিদ মিয়ার অথচ মন দিয়ে কেউ বিয়ে নিয়ে ভাবে না। টাকা দিচ্ছে না তাই এই নয়ছয় এটা বুঝতে মজিদ মিয়ার বেগ পেতে হয় না। মনে হয় মজিদ মিয়া অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে কয়েক মাসে তাই ধার-দেনা করে তাড়াতাড়ি বিয়ে সম্পন্ন করে।
বিয়ের পরই সবার আসল রুপ মজিদ মিয়ার সামনে আসে মায়ের চেহারা দেখলে অশ্রুজল নামে আর অন্যদের চেহারা দেখলে নিজেকে রোকা লাগে। রোজ রোজ একই গান টাকা দাও টাকা দাও। তোমার মেহমান তোমার আত্মীয় তাই খরচও তোমার । কিন্তু মজিদ মিয়া যে রিক্ত সিক্ত শূণ্য হস্ত।
গল্পঃ প্রবাস(৫)
২০/৮/২৫
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
শঙ্খজিৎ ভট্টাচার্য ৩০/০৮/২০২৫দারুণ