www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

চা কন্যার দেশে

ঈদের ছুটিতে বেড়াতে যাবেন? শাকিল ভাইয়ের প্রশ্ন। প্রশ্নতো নয় যেন ঢোলে বাড়ি!! আর যায় কোথায়? নাচুনি বুড়ির নাচ শুরু হয়ে গেল! জী, আমি সেই নাচুনি বুড়ি! বেড়ানো আর হৈ হল্লার খবর শুনতে আমার যা দেরী! তার উপর সংঘের ভাইবোনদের সাথে, ওয়াও! এ যে সেরের উপর সোয়া সের!!

তো কোথায় যাব? কয়েকটা স্পটের প্রস্তাবনা, আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো আমরা যাব শ্রীমঙ্গল, মানে চা কন্যার দেশে! আমার উচ্ছাস বেড়ে গেল কারণ আমি এর আগে কোনোদিন শ্রীমঙ্গল যাইনি। প্রস্তুতি নেবার পালা। চলছে প্রস্তুতি......... আর সুযোগ পেলেই একে তাকে এ বাহানায় ও বাহানায় আমাদের বেড়াতে যাবার কথাটা জানিয়ে দিচ্ছি।

ঈদের আগের দিন একটা ফোন এলো, ফোনটা একেবারেই অপ্রত্যাশিত!!! আমার প্রিয় একজন কবি, তার চেয়ে অনে...........ক বেশি প্রিয় একটা মানুষ। একটু এ মানুষটা সম্পর্কে না বললেই নয়। আমার সংঘের বাইরে কারো সাথে খাপ খাওয়াতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। এ মানুষটা সংঘের বাইরে এবং তিনি সংঘকে খুব একটা পছন্দ করেন না, কিন্তু মজার বিষয় হলো, আমরা যে উদ্দেশ্যে সংঘে যাতায়াত করি, তার সব কিছুই এনার ভেতরে স্রষ্টা প্রদত্ত। ইতিবাচক দৃষ্টিভংগী, জীবনযাপনে সরলীকরণ এবং শিশুর মতো সুন্দর একটা মনের কারণে আমি তার রীতিমতো ভক্ত!

অত্যন্ত ব্যস্ত এ মানুষটি কালে ভদ্রে যখন ফোন করেন তখন সেটা আমাকে ঈদের চাঁদের মতোই আনন্দ দেয়। যথারীতি কুশল বিনিময়ের পর শ্রীমঙ্গলের প্রসংগ আসে, শুনে তিনি বললেন শ্রীমঙ্গল তাঁর বাড়ী এবং ওখানে দেখার কি কি আছে তার বর্ণনাও দিলেন। এবার আমার উচ্ছাস চেপে রাখা রীতিমতো দায় হয়ে গেল। একে সৌন্দর্যের লীলাভূমি তার উপর আমার প্রিয় মানুষের বাড়ি।

যা-হোক ঈদের দিন শেষে রাত, সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন। আমরা যাচ্ছি তিনটি মাইক্রোবাসে। আমার উপর দায়িত্ব পড়েছিল সবার সাথে যোগাযোগ করে ভ্রমণের জন্য কি কি সাথে নিতে হবে এবং রিপোর্টিং টাইমটা জানানোর। পাশাপাশি জিল্লুর ভাইয়ের ফ্যামিলি এবং লায়লা ভাবীকে ভোর পাঁচটায় তাঁদের বাসা থেকে মাইক্রোতে করে এগিয়ে নিয়ে আসা। সে কারণে একটু বাড়তি চাপে ছিলাম, কারণ আমাকে একেবারে রেডী হয়ে একটু আগেভাগে নেমে যেতে হবে। তাই ভোর তিনটায় ঘুম থেকে উঠে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেললাম। কিন্তু তখনো মাইক্রোবাস আসে নি। ঠিক পাঁচটা বাজতেই জিল্লুর ভাইয়ের ফোন-"মিলি আপা কি খবর?" কোয়াণ্টাম টাইম বলে কথা! বললাম, ভাইয়া সব রেডী, মাইক্রোবাস এখনও আসেনি। ফোন রাখতে না রাখতেই লায়লা ভাবীর ফোন- "মিলি ভাবী কি খবর?" আবার সেই পুরোনো রেকর্ড বাজালাম আর চিন্তা করলাম শোকর আলহামদুলিল্লাহ, আমরা কোয়ান্টাম টাইম অনুসরণ করতে অভ্যস্ত হচ্ছি। কে বলে বাঙ্গালির ৯টার ট্রেন কয়টায় ছাড়ে?

গাড়ী নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে আসল (ওনারাতো আর কোয়ান্টাম করেন না)। শুরু হল শ্রীমঙ্গল যাত্রা। আমার গাড়ীর লিডার জিল্লুর ভাই, ডেপুটি লিডার আমি। সকালের নাস্তা নেয়া হলো হাতে বানানো রুটি, সব্জী, ডিম সেদ্ধ, মিষ্টি, পায়েশ আর চা। সাথে ঝালমুড়ি আর ম্যাঙ্গো বার। প্রত্যেক গাড়ীর লীডারের কাছে সবকিছু বুঝিয়ে দেয়া হলো। যাত্রার কিছুক্ষণ পর জানা গেল আমাদের গাড়ীতে পায়েশ পৌঁছায় নি। জিল্লুর ভাইকে ব্যাপারটা ধরিয়ে দিতেই হাসিব ভাইকে ফোন-“হাসিব ভাই, পায়েশ কোথায়? পায়েশ চাই”। ও পাশ থেকে নিপাট ভদ্রলোক হাসিব ভাই জিল্লুর ভাইকে আশ্বস্ত করলেন পায়েশ পাওয়া যাবে! শুনে জিল্লুর ভাই একটু দম নিলেন, আমি পাশ থেকে ফোড়ন কাটলাম, জিল্লুর ভাই নিশ্চয়ই এ রাজুর কাজ, ওর বিচার করা দরকার! গাড়ীতে ছিল হাসির যন্ত্র শাহীন, আমার বান্ধবী। আমার আর জিল্লুর ভাইয়ের দুষ্টুমীতে ও হেসে গড়াগড়ি, তা দেখে অন্যরাও যোগ দিল হাসির মিছিলে।

নাস্তা খাওয়ার জন্যে গাড়ী থামানো হলো। জিল্লুর ভাই নেমে সামনের গাড়ীর কাছে গেলেন, আমরা নিজ গাড়ীতে বসেই খেতে শুরু করেছি। একটু পর জিল্লুর ভাই ফিরে এলেন হাতে এক বাটি পায়েশ! আমাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলতে শুরু করলেন-“ আমরা জানি যে কোনো ভালো জিনিসের অনুরণন ছড়িয়ে যায় সবার মাঝে, তো এখন এই মজাদার পায়েশের অনুরণন ছড়িয়ে যাবে আপনাদের মাঝে।“ আমরা তাকিয়ে আছি তাঁর দিকে। এবার হাতের পায়েশের বাটি আমাদের সামনে ধরে আবার শুরু করলেন-“এক বাটি পায়েশ ভাগে পেয়েছি, সবাই মিলে এটা খাওয়া যাবে না, তাই আমি খাচ্ছি আপনারা এর অনুরণন নিতে থাকুন” বলেই দিব্যি পায়েশ খেতে শুরু করলেন! ওনার কাণ্ড দেখে আমরা হাসিতে ফেটে পড়ি। নাস্তার পর্ব শেষ।

গাড়ী ছুটছে আমার প্রিয় মানুষের বাড়ি চা কন্যার দেশের উদ্দেশ্যে। নরসিংদী আসতেই লটকনের বহর চোখে পড়ল। সুবহানাল্লাহ! এত এত লটকন! পাইকারী হাট বসেছে। গাড়ীর গতি কমিয়ে কেনা হলো লটকন।

রাস্তার দুপাশে বিস্তৃত সবুজ মাঠ, তার মাঝে পিচ ঢালা পথ বেয়ে ছুটে চলছে গাড়ী। এখন আর হাসাহাসি নেই, শুধু মুগ্ধ হবার পালা। মনে পড়ল বেহেস্তের বর্ণনা... সেখানে সবুজ গালিচা বিছানো থাকবে...... দুনিয়ার সবুজ এত সুন্দর, তাহলে বেহেস্তের সবুজ কত সুন্দর! কোরআনের মর্মবাণী নিয়ে কথা উঠল, গুরুজীর কল্যাণে আমরা যে পরম প্রভুকে, তাঁর সৃষ্টিকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারছি... এ কারণে সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া আদায় করছি আর মুগ্ধ হয়ে আমার ছবির মতো সুন্দর দেশটাকে দেখছি।

অবশেষে পৌঁছে গেলাম চা কন্যার দেশে। আমাদের স্বাগত জানানোর জন্য দাড়িয়ে আছে শ্বেত শুভ্র চা কন্যা! সবার মধ্যে বাঁধ ভাংগা উচ্ছাস, শুরু হলো ফটোসেশন। আমি ভেতরে ভেতরে কিছুটা উত্তেজিত, আমার প্রিয় কবি, আমার প্রিয় মানুষের দেশে আমি পা রেখেছি! পাশে চা বাগানে চা তুলছে চা শ্রমিকরা।

ফটোসেশন শেষ করে আবার যাত্রা শুরু করলাম। চারপাশে ছোট ছোট টিলা , টিলাগুলো সবুজে আবৃত। এই টিলার বর্ণনা আমি আগেই শুনেছি, বর্ণনার চেয়েও অনেক বেশী সুন্দর। টিলার গা বেয়ে চা বাগানের বাহারি দেখে আর কারো চিৎকার থামিয়ে রাখা গেল না। এত সুন্দর করে সাজানো বাগানগুলো, মনে হয় কোন চিত্রকরের নিপূণ হাতে আঁকা ছবি। যে দিকে তাকাই শুধু চা আর চা! আমার জীবনে এই প্রথম এভাবে চা বাগান দেখছি। সৃষ্টিকর্তার শৈল্পিক জ্ঞানে আমি বিমোহিত! কোথাও সমতল ভূমিতে চা বাগান, কোথাও টিলার পর টিলা চা বাগানের সমারোহ। কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখব! চা বাগানের সবুজ আমার দুচোখ ছুঁয়ে দিচ্ছে আর আমি এক অপার ভালো লাগায় মোহাবিষ্ট হয়ে যাচ্ছি। আমার জবান একেবারে বন্ধ! যে এলাকা এত সুন্দর সে এলাকার মানুষ সুন্দর হবে, এইতো স্বাভাবিক। মনে মনে পরী হয়ে সবুজের উপর দিয়ে উড়ে বেড়ালাম কিছুক্ষণ।

গন্তব্য লাউয়াছড়া অভয়ারণ্য। গাড়ী ছুটছে চা বাগানের ভেতর দিয়ে আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে। লাউয়াছড়ার কাছাকাছি এসে আবার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ঐশ্বর্যের কাছে নিজেকে হারিয়ে ফেললাম। দুপাশে ঘন সবুজ জঙ্গল, তার মধ্য দিয়ে রাস্তা। আমি মালয়েশিয়ার গ্যান্টিং হাইল্যান্ডে যাওয়ার পথে ঘন বন দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম অথচ আমার দেশে এত সুন্দর জায়গা রয়েছে! গুরুজীর কথা মনে হলো। আমার দেশটা স্রষ্টা নিজ হাতে তৈরী করেছেন, তা-না হলে এত সুন্দর হয় কি করে? কেন যে নিজের দেশ না দেখে বাইরে ছুটি আমরা? নাহ নিজের দেশটা আগে ভালো করে দেখতে হবে। লাউয়াছড়ার এই দৃশ্য নিজ চোখে যে না দেখবে তাকে এর সৌন্দর্য বোঝানো দায়! গাড়ী থেকে নেমে আমরা প্রবেশ করছি সবুজ গহীন জঙ্গলে। আল্লাহ গাফুরুর রাহীম তোমার কি সৃষ্টি! কোথাও জংগল এত ঘন যে সূর্যের আলোও পুরোপুরি প্রবেশ করতে পারে না। মাঝে মাঝে ঝর্ণার পানি বেয়ে আসা ছড়া চোখে পড়ল, একটা ছড়াতে নেমে গেলাম দল বেঁধে। পা ভেজালাম শীতল ঠান্ডা পানিতে। উঠতে ইচ্ছে করছে না। তবু উঠতে হলো পরের গন্তব্যে যাব বলে।

এবার যাব বাংলাদেশ টি-বোর্ড দেখতে। আবার টিলা আর চা বাগানের মধ্য দিয়ে আঁকাবাঁকা পথ ধরে ছোটা। শ্রীমঙ্গলের কোন নির্দিষ্ট জায়গায় যাওয়ার প্রয়োজন নাই, আপনি শুধু এর পথ ধরে চলবেন তাতেই যা চোখে পড়বে মনপ্রাণ জুড়িয়ে যাবে। পৌঁছালাম বাংলাদেশ টি-বোর্ডে, সবুজ ঘাসের গালিচা বিছানো মাঠ দেখে আর লোভ সামলানো গেল না। সবাই যেয়ে বসে পড়লাম ঘাসের উপর, শুরু করলাম মেডিটেশন, চলছে ফটোসেশন। এবার ভেতরে ঘোরাঘুরি। চা বাগানে ছবি তুলতে সবাই ব্যস্ত। আসলে চারপাশের সবুজের সমারোহে মাথা নষ্ট হবার যোগাড়। আজ ফ্যাক্টরি বন্ধ, অতএব চা বানানো দেখার ইচ্ছেকে ঘুম পাড়িয়ে ছুটলাম পরের গন্তব্যে।

দরগাহ বলে এটাকে। পাহাড়ের উপর সবুজে ঘেরা সুন্দর এক স্থাপনা। যিনি এটা তৈরী করেছেন তিনি যথেষ্ট রুচিবোধ সম্পন্ন মানুষ এবং টাকা খরচের ব্যাপারে বেশ উদার। প্রবেশমুখের বাঁ দিকে খুব সুন্দর একটা মসজিদ, অথচ নামাজী কাউকে চোখে পড়ল না। সুন্দর রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে প্রশস্ত সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেলাম। বড় বড় গাছের গা বেয়ে উঠেছে পান গাছ। কেউ বলল, এটা খাসিয়া পান, কেউ বলে গোল মরিচের গাছ। চলল তর্ক বিতর্ক। লায়লা ভাবী ছিঁড়ে একটা মুখে দিয়ে বলল, এটা পান এবং অনেক ঝাল। ওরা পান নিয়ে করছে তর্ক আর আমি মুগ্ধ হয়ে দেখছি চারপাশের সৌন্দর্য। এই পাহাড়ের উপরে একটা সাজানো খোলা উদ্যান দেখলাম। যিনি এই স্থাপনা তৈরী করেছেন এখানে নাকি তাঁর নিজের কবর হবে, তাই এভাবে সাজিয়েছেন। সব শোনা কথা। এবার মনে মনে একটু হাসলাম, আহারে মানুষ......। “অথচ কেউই জানে না আগামীকাল তার জন্যে কি অপেক্ষা করছে এবং কেউ জানে না কোথায় তার মৃত্যু হবে“-[সূরা লোকমান, আয়াত-৩৪]

এবার কোথায় যাব? হরিণছড়া...... ওখানে আছে ফিনলে টি গার্ডেনের গলফ কোর্স। ইসমত ভাইকে জিজ্ঞাসা করলাম মাধবকুণ্ড যাব কিনা? বললেন সময়ে কুলোবে না, যেহেতু ঐ দিনই আবার ঢাকায় ফেরৎ যাত্রা। কুছ পারোয়া নেহি...... যা দেখছি তাই বা কম কিসে? আবার ছোট সেই টিলা আর চা বাগানের মধ্য দিয়ে আঁকাবাঁকা পথ ধরে। যেতে যেতে পথে পড়ল একটা ছড়া, গাড়ী থামিয়ে নেমে পড়লাম সবাই পানিতে। এ ছড়াটা অনেক দূর পর্যন্ত গিয়েছে, ছড়ার এক পাশে চোখ জুড়ানো বাঁশ ঝাড়। খুশীতে আমার পানির মধ্যে নাচতে ইচ্ছে করছে। পা ডুবিয়ে হাটছি, পা দিয়ে পানি শুন্যে তুলে দিচ্ছি... আল্লাহর শুকরিয়া সংঘের কারণে এত সুন্দর একটা জায়গা দেখতে পেলাম। উপর থেকে ওঠার ডাক... আমারতো আর উঠতে ইচ্ছে করছে না। মনে হচ্ছে এ পানিতেই হেটে বেড়াই। এবার জিল্লুর ভাইয়ের চিৎকার......”মিলি আপা উঠে আসেন, যেতে হবে দেরী হয়ে যাচ্ছে” কি আর করা মন খারাপ করে পানিকে গুড বাই বলে উঠে এলাম।

এবার চোখ বলছে-আমি একটু বিশ্রাম চাই। আমি বললাম- উহু তা হবে না। চোখ বলল- শুনব না তোর কথা! বলেই ঝপ করে চোখের দুপাতা পরস্পরকে আলিঙ্গন করে বসল। কি মুসিবত! যা-হোক যখন তারা পরস্পরকে ছাড়ল তখন দেখি আমি হরিণছড়া! আহারে কত সবুজ দেখব! দু'পাশে চা বাগান, মাঝখানে সরু রাস্তা, তারপরই ছোট ছোট সবুজ টিলা, তাঁর ওপাশে বিস্তৃত সবুজ মাঠ, মাঠ পেরিয়ে ঘন রাবার বাগান। ততক্ষণে এনার্জী লেভেল প্রায় নিঃশেষ। ধপাস করে বসে পড়লাম টিলার উপর। ইসমত ভাই, এলিস আপুসহ আরো কয়েকজন চলে গেলেন মাঠ পেরিয়ে রাবার বাগানে। আমি ওখানে বসেই নয়ন জুড়িয়ে নিলাম সৃষ্টিকর্তার অপরুপ সৃষ্টি এই নয়নাভিরাম দৃশ্যে। দূর থেকে রাবার বাগান আমাকে হাতছানি দিচ্ছে, আমার দৌড়ে ছুটে যেতে ইচ্ছে করছে ঐ রাবার বাগানের একেবারে ভেতরে। কিন্তু মাঝে থাকা অত বড় মাঠ আর প্রখর রোদের কারণে সে ইচ্ছেকে দমন করলাম।

হরিণছড়া থেকে বের হয়ে ফেরৎ যাত্রা...... সেই টিলা আর চা বাগানের মধ্য দিয়ে আঁকাবাঁকা পথ ধরে এবার ফেরার পালা...... মনের ভেতর কেমন এক অজানা ভাল লাগা আবার একটু কষ্ট নিয়ে ফিরছি সৌন্দর্যের লীলাভুমি আর আমার প্রিয় মানুষটার দেশ চা কন্যাকে ছেড়ে.........

চা কন্যা একদম মন খারাপ করো না, আমি আবার আসব তোমার কাছে!!! আমার অনেক ভালো লাগা যে রেখে গেলাম তোমার কাছে.........


Report this post
বিষয়শ্রেণী: অভিজ্ঞতা
ব্লগটি ৭৯৫ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ২১/০৬/২০১৭

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

  • আমি-তারেক ২৩/০৬/২০১৭
    title ta khub sundor...
  • মোঃ শফিক আল বারি ২২/০৬/২০১৭
    আহা !!!
    আবার আসিব ফিরে আমি
    এই চা কন্নার দেশে,
    নতুন সাজে সেজে আমি
    কাবলিওলার বেশে ।
  • চমৎকার ভ্রমণকাহিনী।
  • পরশ ২১/০৬/২০১৭
    অসাধারন
 
Quantcast