www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

Devil Father ( পর্ব- ১১)

মাল্টি প্যারামিটারে পেশেন্ট pulse rate. খুব slow যাচ্ছে ।
সামিরা পেশেন্টের বিছানার পাশে বসে যেই হাতে saline push করা ছিল না । সেই হাত,ধরে সামিরা আয়তন কুরসি সূরা পড়তে থাকলো।
পেশেন্ট ,,,নিস্তেজ হয়ে পড়ে আছে বিছানার উপরে তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক। সামিরা চোখ বন্ধ করে মনে মনে “দোয়া” পরতে থাকলো এবং সে বললো “হে আল্লাহপাক”
তুমি আমার সব কেড়ে নিয়েছো এবং বলল। হে আল্লাহ তুমি আমার সবকিছু কেড়ে নিয়েছো এই মানবসন্তানকে তুমি তার মা-বাবা ও পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দাও, ।
সেই ম্যানহোলে।
অ্যাভন নোংরা আবর্জনা ময়লা পানির মধ্যে সাতটারে এবং সে চোখের সামনে, একটা ফাকা যায়গা দেখতে পায়। আলো এসে Directly ,,, অ্যাভনের উপর পড়েছে ,,,,,অ্যাভন সাঁতরে । দেখলেও একটা হাত। তাকে ধরে তুলছে চাইছে । সে সেই হাতটি ধরে, নোংরা আবর্জনা
ময়লা পানির উপরে ভেসে উঠলো ।
উঠে একটা শ্বাস নিলে।
অ্যাভন চোখ খুললো।
এবং সে দেখতে পেলেও।
সে আইসিইউতে আছে ,অ্যাভন নাড়াচাড়া করে উঠলো। সামিরা অবাক হয়ে অ্যাভন কে নাড়াচাড়া করতে দেখল । এবং প্যারামিটার মেশিনে Pulse Rate high.
সামিরা তাড়াতাড়ি ডক্টর কে ডাকলো? এবং উপরের আল্লাহ পাকের শুকরিয়া আদায় করল। সামিরা,বাইরে যে খুশি হয়ে, সবাইকে বললো ।
সামিরা :অ্যাভন ভাই এর Sense ফিরে এসেছে। আপনারা একজন একজন করে দেখতে দেখতে পারবেন।
আইসিইউর ড্রেস পড়ে নিন ।
সামিরা সাইমন কে ধন্যবাদ জানালো? এতক্ষণ ওদের সঙ্গ দেওয়ার জন্য। তারপর সামিরা
গায়ের এপ্রোন খুলে, মাক্স মাথার ক্যাপ খুলে, Washroom এ গিয়ে হাত,মুখ ভালো করে ধুয়ে
এসে । বসে,পরল , আইসিইউর বাইরে চেয়ারে এবং মাথা এলিয়ে, শুয়ে রইল। পরে
শান্তা আপুর ঘুমোতো বাচ্চাকে সামিরা, কোলে নিল,ওকে ওর খাবার গুলো খাইয়ে দিলো ।
সাইমনঃ আপু সকাল 9 টা হয়ে গেছে।
সামিরা:তুই কিছু খেয়েছিস তোর কি খারাপ লাগছে খিদে পেয়েছে ।
পেয়েছে আমার ব্যাগ থেকে টাকা নিয়ে খেয়ে আয়ে ।
সাইমনঃ আমি ভাল আছি , খেয়েছি , তোমার জন্য কিছু নিয়ে আসবো আমি
Driver কে Call করে দিয়েছি । তুমি খুব Tried.........। সে পথে ।
সামিরা ওনারা খেয়েছিস।
ডক্টর পাবেনঃ ম্যাডাম আপনি বোধহয় অনেক ক্লান্ত।
সামিরাঃ হ্যাঁ ডক্টর, শামসুদ্দিন আসবে , উনার সাথে আমার কথা হয়েছে ।
নাদভী ভাইয়া বাহিরে গিয়েছিল সে এসে বললেন পুলিশ ইন্সপেক্টর শাকিল,রনি আসবে।
সামিরাঃ তাহলে ভাইয়া আমরা চলি।
নাদভী ভাইয়া ঃ তুমি কিছু খেয়ে গেলে না ।
সামিরাঃনা, বাসায়ে যে ঘুমাবো, ওনারা তিনজন ভিতরে গেছেন । নিয়ম নেই কিন্তু ওনাদের যেতে
দেয়া হয়েছে ।
যোহরে নামাজ পড়ে সামিরা তার বিছানতে শুয়ে আছে, আজকে তার ছুটি। সে কাজে যায়নি, বেশ ক্লান্ত।
বাসার ল্যান্ডফোন বেজে উঠলো, বাসার কেয়ারটেকার করিম চাচা ল্যান্ডফোন হাতে নিয়ে আসলো। করিম চাচার হাত থেকে নিয়ে সামিরা Receive ফোন ধরল।
সামিরা: হ্যালো,
ফোনের ওপাশ থেকে বললো আমি আকাশ।
আকাশ : আপনি যে আসলেন না আমাদের বাসায় ?
সামিরা : দেখুন, আমি খুব ব্যস্ত ছিলাম, আর যখন বলেছি আমি আসবো।
আকাশ: আমি আপনাকে অনেক ভালোবাসি।
আপনাকে ছাড়া আমি বাঁচবো না।
সামিরা: এটা ভুল কথা । কেউ কাউকে ছাড়া বাঁচে না, এটা totally মিথ্যা ।
আপনি আমার ব্যাপারে কি জানেন? আমার দুজন প্রেমিক already ছিল আর একজনের সাথে আমার বিয়ে হয়ে ছিল ।
আকাশঃ আমি তাজুল ও হিমি সব কথা জানি ।
সামিরাঃ ভালোই । যখন জানেন।
আমি ফোনটা রাখব। বলে ফোনটা রেখে দিল।
ঘুমের মধ্যে দেখছে সপ্ন দেখছে ।
সামিরা তাজুলের সাথে তার বিয়ে পরিয়ে দিচ্ছে কাজী সাহেব। সামিয়ার পরনে লাল বেনারসি শাড়ি। আর তাজুলের পরনে বিয়ের পোশাক। রেস্টুরেন্টে তাজুলের সাথে বসে খাওয়া সামিরা Long Drive এ যাওয়া । তাজুল গাড়ির চালাছে তার পাশের সিটে সামিরা বসে গাড়ির Window দিয়ে বাহিরে প্রকৃতির দৃশ্য দেখছে ।
সামিরা কাঁদছে , সাদা শাড়ি পড়ে আয়নার কাছে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখছিল।
আলো হয়ে আসলো হিমি ............।
হিমি সাথে ফেসবুকে আলাপ।,হিমির সাথে তার প্রেম শুরু। সারারাত ধরে মোবাইল ফোনে কথা বলা আবার নতুন করে সব কিছু শুরু করা । হিমির সাথে কখনো Bus ,রিক্সা কিংবা পাশাপাশি বসে ঘোড়াঘুড়ি । দুজন দুজনকে খাইয়ে দেওয়া। আইসক্রিম, চটপটি Fried Rice, Chowmein Soup ইত্যাদি । হিমির শুটিং দেখতে যাওয়া।
হিমির Boss এর short film এর premier show তে এক সাথে ছবি দেখা।
হিমির কাঁদে সামিরার মাথা রেখে ছবি, দেখা। হিমির হাতে তৈরি করা খাবার খাওয়া এবং হিমি কে খাইয়ে দেয়া । হিমি জরিয়ে কান্না করা, দুইজন দুইজনের ক্কপালে চুমু খাওয়া । তার হাত ধরে
Dhanmondi 32 Bridge উপরে দাঁড়ানো । লাল সালওয়ার কামিজ পরে Valentine’s day তে তাকে জরিয়ে ধরে বলা .........
সামিরাঃ “I love you “
হিমি: “I love you too ..................
সামিরাঃ তুমি কোনদিন আমাকে ছেড়ে যেও না ।
হিমি:না আমি তোমাকে রেখে কোনদিন যাব না ।
সামিরা Senseless হয়ে মাটিতে পরে থাকলো, Ambulance,Emergency শুয়ে আচ্ছে
এক হাতে Saline Push করা । মুখে Oxygen mask.
Bip Bip sound ভেসে আছে ।
সামিরা মরার মত তার বিছানায়ে শুয়া, আসে পাশে মানুসেরা সামিরারকে ডাকছে ।
সামিরা বিছানা ছেড়ে উঠতে বসলো । Bathroom এর যেয়ে মুখে পানি দিলো । এবং
Bathroom Mirror দিকে তাকিয়ে থাকলো,
নাজনীনকে ফোন দিলো
নাজনীন Phone Call, receive করলো
নাজনীন: হ্যালো, সামিরা কেমন আসিস ?
সামিরা: ভালো না পেশেন্ট নিয়ে Busy ছিলাম ভীষণ । Face to Face সব বলবো ।
ওই আকাশ ছেলে আমাকে ফোন দিয়ে ছিল, আমাকে
আমি তার জন্য সিদ্দিক খালুর বাড়ি যাবো Friday তে এই জন্য যেতে চাই ।ন
নাজনীন:আচ্ছা ঠিক আছে What cause he want please the details in Face to Face।
সামিরা : আচ্ছা

চলবে।।
বিষয়শ্রেণী: গল্প
ব্লগটি ৪৭ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ০৩/০৫/২০২১

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

  • Outstanding Performance.
  • ফয়জুল মহী ০৩/০৫/২০২১
    Fantastic writen
  • nice work...
 
Quantcast