www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

Devil Father ( পর্ব- ১০)

অ্যাভনের পরিবারের সদস্যরা সবাই বসে আছে Hospital এর Doctor’s meeting রুমে ।
থানার পুলিশ অফিসারা আসবে তাই
জন্য Wait করেছে । নাদভি দুল্লাভাই, আসেনি তার ছেলের জন্য বাসায়ে থেকে গেছে ।
সামিরার তাদের কথাবার্তা হচ্ছিলো ।
সামিরাঃ শান্তা আপু
শান্তাঃ হ্যাঁ, বললো
সামিরাঃ আমি ছোটবেলায় আপনার Wheel Washing Powder Tv Advertise দেখতাম আর আপনার Powder এর পিছনের ছবিটা, আর আমি ভাবতাম একদিন আমিও Advertise
করবো ।
শান্তা ঃ একটাই Tv Advertise করেছিলাম, জেনে ভাল লাগলো,আমার মামা Adcomm Advertise Firm চাকুরী করতো, তাই মামার সুবাদে পেয়েছিলাম । যখন Wheel Powder এর প্রতিটি প্যাকেটের পিছনে গায়ে, আমার ছবিটা দেখলাম, তারপর আমার
বিয়ে হয়ে গেল, এই দেশ ছেঁড়ে বিদেশ পাড়ি দিতে হল, ১৯৯৯ সালে ।
কথা বলতে বলতেই পুলিশ অফিসার তানভীর, এবং অফিসার রনি এসে পড়লো,
পুলিশ অফিসার তানভীর খালিদ, রুমের দরজা খুলে বলে উঠলো
“Can we come ? “
সামিরা : Yes yes You may come.
তানভীর খালিদ : Thankyou Ms.
পুলিশ অফিসার তানভীর খালিদ, শাহাদাত চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে বললো
"স্যার দেরি হবার জন্য আমরা দুঃখিত ।
শাহাদাত চৌধুরী : না, না এমন কিছু দেরি হয়নি, It’s okay …….পরিচয় করিয়ে দেই ।
তার পরিবারে সাথে পরিচয় করিলে দিলো ।
রনি আহমেদ : স্যার, আপনার প্রয়োজনীয় File গুলো নিয়ে আশা হয়েছে ১৯৯৩-২০০৫
সাল অবদি দেখুন ।

শাহাদাত চৌধুরী তার File গুলো দেখতে লাগলো ।
রনি আহমেদ : আপনার মেয়ের I mean Mrs .Santa বিয়ে হয়ে যাবার পর পরেই আপনার পোস্টিং সিলেটে হয়েছিল কি স্যার ?
শাহাদাত চৌধুরী ঃ হ্যাঁ, আমার পোস্টিং সিলেটে Official আগে থেকেই Announce হয়েছিল
তাই আমরা মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিয়েছিলাম ।
আমার ছেলের যে এতো ক্ষতি হবে, আমি তা কে জানতো,
সেখানে অ্যাভনকে কলেজ এ ভর্তি করে দিয়েছিলাম ।
আমারা সরকারি Quarter এর থাকতাম, অ্যাভন বেশ মানিয়ে নিয়ে ছিল সেই পরিবেশে ।
সামিরা : আপনার ছেলে কলেজ ফাঁকি দিয়ে, বিভিন্ন বাজে ছেলেদের সাথে মিশতো,
তার মধ্যে দুইটি ছেলে ছিল "জোঙা "Gang এ সদস্য ( illegal Children )
অ্যাভনের স্বীকারোক্তির রেকর্ড ছেড়ে দিলো সামিরা,সে লুকিয়ে রেকর্ড করেছিল ।
অ্যাভনের সেই Voice record সবাই শুনছে এবং রেকর্ড শুনা শেষ ।
Record Stop …………..
অ্যাভনের মা ( রুনা চৌধুরী )কাঁদছে ,এবং তার বাবার বুকের পাঁজরটা ভেঙে যাচ্ছে
তার চেহেরার ভাবসব দেখেই বোঝা যাচ্ছিও, সে নিজের অপরাধী ভাবছে ।
শান্তা বেশ ভেঙে পড়েছে, সে বললো "আমি খুব Selfish মহিলা,
যে আমার ভাইকে,আমি নিয়ে যেতে পারতাম ।
তানভীর খালিদ ঃ আহা, কান্নাকাটি করবেন না আপনারা, আল্লাহপাকের উপরে ভরসা রাখুন।
আমিও মেয়ে সন্তানের বাবা । আমি বেশ মর্মাহত ।
রনি আহমেদ : আমাদের খারাপ লাগে আমরা তো মানুষ । আমারও ছেলে আছে ।
তানভীর খালিদ সামিরার দিকে তাকিয়ে বললো ।
এই মেয়েটি “মিস সামিরা” এবং ডাক্তার সামসুদ্দিন, আপনার ছেলেকে ভালো করে তুলছে । আল্লাহপাকের শুকরিয়া জানান ।
সামিরা ঃ স্যার ওনাকে তিন মাস আমরা “Drug Removing Treament “ .
ওনারা অ্যাভন ভাইয়াকে দূর থেকে এসে দেখে যেতেন ।

তানভীর খালিদ ঃ এখন আমি বলতে চাইছি বলে, তানভীর খালিদ একটা File হাতে নিয়ো, "“ জঙ্গা " বিষয়ে, হল পাকিস্তানী একজন “যোদ্ধশিশু “ ।
“War Childhood “
শাহাদাত চৌধুরীকে বলল আপনি “ লুতফল আলি”অরফে কালু মিয়া,
মইনুর রহমান কে চিনেন ? রাজাকার, আলবদর বাহিনী নেতা !!!
শাহাদাত চৌধুরী ঃ বেশ রেগে উঠে বললো, হ্যাঁ, আমি তাদের চিনি “জাকারিয়া আলবদর
“এই দেশের শত্রু ,নরপশু ।
রনি আহমেদ : স্যার, আপনি উত্তেজিত হবে না বসুন তো, আগে বসুন ।
শাহাদাত চৌধুরীকে ধরে বসালো ।
শাহাদাত চৌধুরীঃ আমার বড় ভাইকে তারা পাকিস্তানী সেনাদের হাতে তুলে দিয়েছে ।
নির্মাম ভাবে নির্যাতন করেছে আমার ভাইকে তার লাশ আমরা পাইনি ।
১৯৯৪ সালে এই মইনুর রহমানকে ওরফে মতিন রাজাকারকে Arrest করি তখন রিমান্ড
সে সব কথা “শিকার করেছে” আমার ভাইকে এবং ভাইয়ের সাথে আরো তিনজন
মুক্তিযোদ্ধাকে নির্যাতন করে, তাদের লাশ গুম করে ফেলে ।
এই রাজাকার,আলবদর, আলশামস বাহিনী হল শুয়োরের বাচ্চা ।
লুতফল আলিকে যদি পেতাম, আমি নিজের হাতে গুলি করে মারতাম Culplit ………
কুত্তেরবাচ্চা । “Bustured“ ………
এই লুতফল আলি দেশ স্বাধীন হবার পর পর নাম বদল করে, লুৎফুল রহমান গুণী মানুষ হিসাবে সমাজে পরিচিত হয় এবং দুইটি আশ্রম গড়ে তুলে যেখানে সেই পাকিস্তানী সেনাদের "যোদ্ধশিশু “ adobted করে ।
দুইতিন জনকে মইনুর রহমান এর ছেলে মেয়ে হিসাবে পরিচিত হয় ।
………..সেই সব ছেলে মেয়েদের কে একটা “Gang “ তৈরী করে আর তাদের নিয়ে অনৈতিক কাজের অস্ত্র পাচার,নারী ধর্ষণ বেশ্যাবৃত্তি সাথে লিপ্ত থাকতো ।
শাহাদাত চৌধুরীঃ আপনাকে সেই operation এ পাঠানো হয়েছিল । তাদের “Gang “সদস্যদের ধরে ছিলাম তারা কেউ মুখ খুলেনি। আচ্ছা মাহবুব আলি হল “ লুতফল আলবদর “!
তানভীর খালিদ ঃ Team Leader ছিল, রিংকু অর্থাৎ “ জঙ্গা “ । রিংকু একজন সন্ত্রাসী নারী ধর্ষক এই দেশের প্রতি তার অনেক রাগ ছিল
তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে পারেনি, লুতফল আলি রিংকু বলতো মইনুর রহমানই তার বাবা এবং সে একজন “মুক্তিযোদ্ধা “ ।
শাহাদাত চৌধুরী ঃছিঃ ছিঃ, এত বড় মিথ্যা কথা !! রাজাকার ছিল সে ।
রনি আহমেদ :আপনি যখন মইনুর রহমান Arrest করে রিমান্ড নিয়ে যান, রিংকুকে জানতো রিমান্ড তাকে আপনি Torture করে হত্যা করেছিলেন ।
শাহাদাত চৌধুরী ঃ কে আপনি ? ! তিনি এই কথা শুনে হেসে উঠলেন ওই লোকটি “হার্ট স্ট্রোকে” মারা গেছেন! আমি তাকে চারটা বেতের বারি মেরেছি ।
File তা শাহাদাত চৌধুরী হাতে দিলো ।
রনি আহমেদ : ঠিক বলেছেন ভাই, এই Report এ তাই উল্লেখ করেছে ।
রিংকু (যোদ্ধশিশু ) আপনার তার পিতার হত্যাকারি মনে করতো, আর আপনার ছেলেকে
Trumpcard হিসাবে use করেছে ।



সামিরা ঃ অ্যাভন ভাইয়া,
long break down হয়েছে। তার স্কুল জীবনের সেই সাতজন স্কুল Friend কে
সে এখনো miss করে ।
রুনা চৌধুরী : (অ্যাভনের মা) ,হ্যাঁ ওদের সাথেই মিশতো, খেলাধুলা করতো ।
সামিরা ঃ সে বারবার তার ছোটবেলায় ফিরে যায় । Even তার ফুপাতো ভাইকে সে খুব মিস করে। সেখানে থেকে সে তার study চালিয়ে যেত ।
রুনা চৌধুরী : আমার বড় “নোনাস” বলেছিল,
অ্যাভনকে তাদের বাসায় রেখে যেতে ।
সামিরাঃ সে depression mood চলে গেছিল। সে ঢাকা শহর ছেড়ে,তার বন্ধুদের ছেড়ে ভাইকে ছেড়ে যেতে চাইনি।
বাবা-মাদের একটাই দোষ। তারা তাদের বাচ্চারা আসলে কি চাইছে তারা বোঝে না, জবস্তি তাদের উপরে কোন

রুনা চৌধুরী ঃ কাঁদতে কাঁদতে আমার ছেলে কি ভালো হবে না?
সামিরাঃতানভীর খালিদ Uncle তো বললো চেষ্টার সমন্ধে, উনি এত পরিমান drug নিতেন,
আল্লাহ ভরসা। উনার সাতটার সাতটা বন্ধু আমাদের দরকার ।
আল্লাহ সব ঠিক করে দিবেন ।

ঘুমিয়ে অ্যাভন সপ্ন দেখছে .........।।

বড় বড় দুইটি “Manhole “
সে একটা সরু রাস্তা তার মধ্যে দিয়ে অ্যাভন হাঁটছে ,
রাস্তার একদিকে সাদা অন্যদিকে কালো,
অ্যাভন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে,
চারিদিকে অন্ধকার আর অন্ধকার অ্যাভন দিকবিক দেখছে
কেউ নেই কোথায়,
অ্যাভনঃ কেউ কি আছো ? কেউ আছো ?
কোন শব্দ নেই, একদম শুন্যতা আর নিস্তব্ধ ।
অ্যাভনের একদিকে তাকাতেই দেখল তার সে একবারের জন্য দেখবার জন্য সে পস্তুত ছিল না,

সামনে বিরাট বড় অক্টোপাস।
এত বড় যে পুরো পাঁচ তলা বিল্ডিং এর সমান।
ভয়ঙ্কর চোখে তাকিয়ে আছে অ্যাভনের দিকে। অ্যাভন ভয় পেয়ে গেল। চিৎকার দিয়ে উঠল। দৌড়াতে লাগলো পেল না, চিৎকার করে আমাকে বাঁচাও আমাকে বাঁচাও। একটা হাত বারিয়ে এগিয়ে আসলো এক সাদা কাপুড়েরে? অ্যাভনের চুল ধরে পিছনের টানতে টানতে শিকল পরিয়ে অ্যাভনের দুই পা বেঁধে, উল্টো করে ঝুলিয়ে দিলো একটা রোধের সাথে । মানুষটার মুখ ক দেখা গেল না। অ্যাভন পাগলের মতন চিৎকার করছে ।

সামনে “শোনা গেল “ একটা মানুষের গলা। অ্যাভনের কানের কাছে ফিসফিস করে বলছে ।
তোকে না, আমি বলেছিলাম তোকে “ম্যানহোলের মধ্যে থাকতে” তাহলে তুই অমরত্ব চাস না ?
জঙ্গা গুরু তুমি কি বেঁচে আছো?
জঙ্গাঃ জঙ্গা কখনো মরে না হাহাহাহাহাহা অট্টহাসির শব্দ চারিদিকে ছড়িয়ে গেল। ,,,
যখন উল্টো করে ঝুলানো অবস্থায ছিল তার হাত গুলো এসে শক্ত করে ধরল।
অ্যাভন দেখতে পাচ্ছিনা অন্ধকারের মধ্যে তারপরও দেখার চেষ্টা করছিল দেখল গুরু কে?
কি সেই বীভৎস চেহারা তার চেহারায় কোনো ভুরু নেই। শুধু আছে চারখানা চোখ ।

জঙ্গাঃ তুই কেন তোর বাবাকে খুন করতে পারিস নি? ম্যানহোলে থাকলেও তুই অমরত্ব পাবি ।
অ্যাভনঃ না, চাইনা আমার অমরত্ব। আমাকে যেতে দাও। বলে চিৎকার করে উঠল
জঙ্গাঃ যা তুই মইরা যা । গুট গুটে অন্ধকার ম্যানহোলে মধ্যে ফেলে দিলো ।

খুব সকালে , ভোরের আলো এখনো পরিষ্কার ভাবে পিছাইনি ।
,অ্যাভনকে পাওয়া গেলে, জ্ঞানহীন অবস্থায় বারান্দায়।
তার কেবিনের সামনে।
মোবাইল বেজে উঠল।
সামিরা মোবাইল ধরল এবং সে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো,
পাঁচটা বাজে।

হসপিটালের Duty ডক্টর পাভেল, ম্যাডাম আপনি তাড়াতাড়ি আসুন এবং অ্যাভন চৌধুরীকে
ইমার্জেন্সি নেওয়া হয়েছে “Mild Stoke “ তাকে তার কেবিনের বাইরে বারান্দায় পাওয়া গেছে
বেহুশ অবস্থায় ।
সামিরা ঃ তার ফ্যামিলি কে খবর দেওয়া হয়েছে।
ডক্টর পাভেল,জি
সামিরা ফ্রেশ হয়ে তার মায়ের রুমে নক করল।
তার বাবা। এত রাতে দরজা ধাক্কাচ্ছে কে?
সামিরার মাঃ না, পাঁচটা বাঝে ফজরের নামাজ পড়বার সময় হয়ে গেছে।
দরজা খুলে দেখল,সামিরা দাঁড়িয়ে আছে। বাহিরে যাওয়ার কাপড় পড়ে।সামিরার রুমে ঢুকলো ।
সামিরার মাঃ কি হয়েছে মা?
সামিরা ঃ মা সাইমন কে তুলে দাও, আমি হসপিটালে যাব Mr.Avon Mild stoke করেছে সে এখন Emgergency তে ।
সামিরার মাঃ এমন হল কি করে ?
কল্লোল হোসেন (সামিরার বাবা) ঃ আমি পাঠাও দেখব?
সামিরা ঃ আমি সাইমনকে নিয়ে যাব। আমি গাড়ি চালাবো ।

তার মা ততক্ষণে সায়মনকে ্সাথে নিয়ে এলো।
সায়মনঃ আপু,Just 30 min ।
সামিরার মা বলল সাথে খাবার নিয়ে যাও ।
সামিরা গাড়ি চালাচ্ছে পাশের সিটে তার ভাই সাইমন বসে আছে।

হসপিটালের এমার্জেন্সি
সামনে ফ্যামিলি সবাই খুব কাঁদছে।
অ্যাভনের বাবা মা বোন দুলাভাই এবং বোনের ছেলেটাও এসেছে ।
সামিরা তার ভাইকে পরিচয় দিয়ে দিলে সবার সাথে।
অ্যাভনের মা বোন সামিরা কে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে ।
সামিরাকে দেখে Duty ডাক্তার পাভেল বলে উঠল ।
ডাক্তার পাভেল : ম্যাডাম আপনি। Dress পরে নিন ।
অ্যাভনের বাবা ও মা জিজ্ঞাসা করল ডক্টর পাভেল কে আমার ছেলে কেমন আছে ?
ডাক্তার পাভেল উনার Mild heart stoke হয়েছে।
শান্তা । কি ???? কিভাবে হল?



চলবে ...............।।
বিষয়শ্রেণী: গল্প
ব্লগটি ৪৪ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ০১/০৫/২০২১

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

  • নাটকীয়তা বাড়ছে।
  • ফয়জুল মহী ০১/০৫/২০২১
    অসাধারণ লেখায় মুগ্ধতা অশেষ
 
Quantcast