পোস্টসমূহ
RSS-
মধুকবির বীরাঙ্গনারা(7)
(পরবর্তী অংশ) সপ্তম সর্গে ভানুমতী কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধরত তাঁর স্বামী দুর্যোধনকে পত্র লিখছেন।তিনি মহারাণী হলেও তাঁর হৃদয়ও স্বামীর বিপদ ও অকল্যাণ ভাবনায় আশঙ্কিত হয়,সেকথা তিনি পত্রের শুরুতেই প্রমাণ করে… বিস্তারিত
-
কবিতার নিয়ম
গুটিকয় কবিতায় রেখে যাওয়া অসংখ্য অজস্র 'আমি' অথবা ছড়ানো ছেটানো ভগ্নাংশ। কবির কোনো আশ্রয় নেই।… বিস্তারিত
-
মধুকবির বীরাঙ্গনারা(6)
(পরবর্তী অংশ) ষষ্ঠ পত্রটি বিরহকাতর দ্রৌপদী লিখেছেন অস্ত্র শিক্ষার জন্য অনেককাল যাবৎ স্বর্গে অবস্থানরত তাঁর স্বামী অর্জুনকে।পত্রের প্রথমেই দ্রৌপদী লিখছেন যে তাঁর কথা অর্জুনের মনে পড়ে কিনা।অবশ্য কেনই বা… বিস্তারিত
-
স্বপ্ন ও বাস্তব
আবিলতার বিপ্রতীপে অনির্বাণ বহ্নিশিখা জাজ্জল্যমান সুপ্তির খোলস ছিঁড়ে ফেলে চেতনার উদ্ভাসরেখা, অনিশ্চ্য়তার পথ রোখে পরম প্রত্যয়। এসব রূপকথা মনে হয়,… বিস্তারিত
-
স্মৃতি ও ভালোবাসা
ভোর হয়ে আসে তবু রেশ কাটে না, এখনো ঠোঁটে লেগে তোমার ঠোঁটের উষ্ণতা, এখনো মাথা তোমার বুকের সান্নিধ্যে।… বিস্তারিত
-
মধুকবির বীরাঙ্গনারা(5)
(পরবর্তী অংশ) লঙ্কাধিপতি রাবণের বোন সূর্পনখার রামানুজ লক্ষ্মণের রূপে বিমুগ্ধ হয়ে লেখা চিঠিই পঞ্চম সর্গের বিষয়বস্তু।চিঠির প্রথমেই সূর্পনখা লিখছেন-'কে তুমি,বিজনে ভ্রম হে একাকী,/বিভূতি-ভূষিত অঙ্গ?কি… বিস্তারিত
-
মধুকবির বীরাঙ্গনারা(4)
(পরবর্তী অংশ) চতুর্থ সর্গে দাসীর মুখে রামের রাজ্যাভিষেকের খবর শুনে রাণী কৈকেয়ী রাজা দশরথকে এই পত্রটি লিখেছেন।যার প্রথমে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন-'এ কি কথা শুনি আজ মন্থরার মুখে,/রঘুরাজ? কিন্তু দাসী… বিস্তারিত
-
শব্দ ও কবিতা
নিজেকে খুব বড় ভাবছো আজকাল তাই বুঝি খেলছো শব্দ নিয়ে ইকিরমিকির কবিতার একটা অর্থ আছে জানো কবিতার একটা বোধ থাকে মানো… বিস্তারিত
-
মধুকবির বীরাঙ্গনারা(3)
(পরবর্তী অংশ) তৃতীয় সর্গে শিশুপালের সঙ্গে বিবাহে অরাজি রুক্সিণী পত্র লিখেছেন বিষ্ণু অবতার দ্বারকানাথ(কৃষ্ণ)-কে।পত্রের প্রথমেই পত্রের মূল উদ্দেশ্য ব্যক্ত করেছেন রুক্সিণী-'নমি ও… বিস্তারিত
-
ভালোবাসা ও বৃষ্টি
দিশা তোমায় আমি ভালোবাসতাম, আর তুমি ভালোবাসতে বৃষ্টি, ভালোবাসতে জংলিফুল। বলতে কলকাতাকে তোমার ভালোলাগে… বিস্তারিত