কৈশরের বিকেলগুলোর গা বেয়ে পড়া বিষন্নতায়
আমি ভীষন অস্থির ছিলাম, শূন্য ছিলাম
এবং তথাকথিত বাউণ্ডুলে ছিলাম।
নির্বাসন তো একঅর্থে মেনেই নিয়েছিলাম, তবুও
মাঝে মাঝে আমার কবি হতে ইচ্ছে করতো,
অবষাদগুলোকে হত্যা করতে ইচ্ছে করতো আর
ঘুমগুলোর পাখা পুড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করতো।
দীর্ঘশ্বাসের গল্পের চরিত্র আমার ছিলো বুঝলাম
কিন্তু আমিতো নিঃসঙ ছিলাম না, অপূর্ন ছিলাম না
শূণ্যতার পথের পথিক ছিলাম না, অর্থহীন ছিলাম না
তবুও আজ কেন আমার কবিতারা শেকলে বাধা?
কেন একাই আমি হন্য হয়ে গাই নৈঃশব্দ্যের গান?
উত্তর আছে কোন? জানি নেই, কারন
সে দীর্ঘশ্বাসের অনুবাদ ঈশ্বর নিজেই করে চলেছেন।
Comments (3)