হে মহৎ জন,
তুমি আমার গুরু!
তুমি যে এক আলোকবর্তিকা
শেখাতে করলে শুরু।
কেন বলি তোমায় গুরু—
জান না তুমি তা,
প্রথম শর্তে তুমি সরল
সহজ তোমার কথা।
কেন বলি তোমায় গুরু—
বুঝতে পারনি তুমি,
তুমি ছিলে কাছের মানুষ
বলেছি যা আমি।
তোমার আছে উদার মন
সবার মঙ্গল করতে,
তোমার উদার মনকে তাই
গুরু করে চাই নিতে।
কেন বলি তোমায় গুরু—
তোমার কাছে কঠিন,
সবারে তুমি মনে করো সমান
ভাবনি আমায় হীন।
তাই ছোট ভাবতে তোমায়
মনটা হয় মলিন।
কেন বলি তোমায় গুরু—
বুঝতে চেষ্টা করো,
তুমি বলেছ দেহটা তুচ্ছ
মনটা সবচেয়ে বড়।
তুমি কাঁদ সবার স্বার্থে
কষ্ট পাও বার বার,
তুমি যে মহৎ জন
মহান গুরু আমার।
সস্তাপুর, নারায়ণগঞ্জ।
০১ জুন, ২০০৮ ঈসায়ী।
বিঃ দ্রঃ কবিতাটিতে গতানুগতিক গুরু অর্থে যা বুঝায় তা নয়। এখানে গুরু কবির একজন খুবই কাছের মানুষ ও প্রিয় ব্যক্তি যে কিনা প্রেরণা দেয়, উৎসাহ দেয় আর এই প্রেরণা আর উৎসাহ কবিকে সাহায্য করে সুন্দর ও সঠিক পথে চলতে। যদিও সে কবির বন্ধু, তবুও কবি আনমনেই ভেবে যায় 'তুই ই তো আমার প্রকৃত গুরু'।
Comments (10)