কথাচ্ছলে আসলো উঠে, নামটি তাহার বাজলো কানে
পাশ থেকে কে যেন বলে উঠলো,
হয়তো একবার, নয়তো দু’বার!
কি প্রসঙ্গে কে জানে!!
নীলাদ্রি সে নামে নীলকন্ঠী মিশিয়ে।

অনুভূতিগুলো হঠাৎই প্রশ্নবাণে ভিজিয়ে গেলো
শুধালো আমায় নীলকণ্ঠী সে কোন নীলে??
ভীষন বেদনায় ব্যথাতুর নীল বিষে?
নাকি স্পর্শের বাইরে কোন ডানামেলা গাঙচিল
দূর আকাশের বিশাল নীলে নীলে?

আমার আমিটা উত্তর খুজে ফিরলো
অনুভূতির প্রশ্নে মনের গলিপথে;

হয়তোবা কণ্ঠ নীল সে
অনুভূতি মোড়ানো কবিতার পাতার
ভাজে ভাজে একগুচ্ছ সুনীলে,

হয়তোবা কণ্ঠ নীল নীলাদ্রি
মোহনীয় কণ্ঠের মুগ্ধ নীলে,

অথবা হয়তো ডানা ঝাপটে বেড়ানো
সাইবেরিয়ান কোন অতিথি রাজহংসী
কুয়াশাভেজা শীত সকাল বিল-পুকুরে।।

অস্পষ্ট বোধে উত্তরটা দেয়া হলোনা
অনুভুতিকে বললাম কাছে ডেকে,
যদি কখনো দেখা হয় সে নীলকন্ঠী নীলে
জিজ্ঞেস করে উত্তর জেনে দেবো তোমায়
কেন নীলকন্ঠী সে?
কোন রকমফেরীর নীলে......।।