শৈশব
১২/১২/১২
গেছে চলে অনেক দিন পেছনে,
কবে কার সবুজ মাঠের কথা।
ধানের সরু পথে হেলে দুলে চলা,
মুখে আঙ্গুল হাতে ফরগের ফিতা।
কোন এক সকালে দাদীর কুলে বসে,
মায়ের হাতের পিঠাপুলি খাওয়া।
শিশির ভেজা ঘাস মাড়িয়ে,
সকাল বেলা মকতবে যাওয়া।
সেই পাঠশালা ফাঁকি দেওয়া,
পুতুল আর কানামাছি খেলা।
বটের ছায়ায় পথিকের বসা,
সোল্লাসে সারাদিনের ছুটে চলা।
বাড়ির পেছন পুকুরের পাড়ে,
সন্ধ্যা গনানো কোনো সূযার্স্ত।
এখন যে তা অট্টালিকার মুখর,
কোলাহলের বিলিনতায় ব্যাস্ত।
সময়ের তটে সবি বদলেছে বদলেনি,
শুধু শৈশবের ঐ মুখর স্মৃতি।
জীবনের অন্তরালে রেখে যায় যে,
তার বিমোহিত চারনের প্রীতি।
Comments (11)