*****
ঠিক এরকমটাই কথা ছিলো :
প্রথম দেখেই—
একইসাথে
নিঃস্ব এবং মুগ্ধ হব...
: ‘তুমিই কিগো সেই মেয়েটি’ ?
যার ছোঁয়ার কষ্টেরা ডুবে গিয়ে
খুশিরা চারিয়ে ওঠে চারপাশজুড়ে।
তারকা সমাগত গোধুলি মেখে কবিতারা জড়ো হয়।
চুরমার হয়ে যাওয়া সময়গুলো থেকে
মেরুন চাদর গায়ে যার হাত ধরে আমি ওঠে আসি।
রাজনীতির মারাত্মক গেনেট বিধ্বস্ত রাজধানীতে
প্রায় দম বন্ধ হয়ে আসা সম্পর্কগুলোকে বাঁচানোর উপায়
খুঁজে খুঁজে যখন আমি পুরোপুরি ব্যর্থ ক্লান্ত।
অত্যাচার, মিথ্যাচার, চিটফান্ড… উপচানো অমানবিকতায় ইতরামিতে
অভ্যস্ত জীবন যখন বিচ্ছেদসজ্জিত হয়ে সমনজারি।
চোখাচুখি-মুখোমুখি মানে যখন শুধুই দেহতল্লাশি।
তখন আমার দু’চোখের সামনে এক কুচি আলো হয়ে যে উঁকি দেয়।
যেই হাতটাকে আমার হাতে দিগন্ত করে পাওয়ার জন্য
বিপন্ন হয়ে চারপাশ হাতড়াই।
যাকে ভালোবেসে সব সমীকরণগুলো স্বপ্নের পসরা সাজিয়ে
বিষণ্ণ দুপুরগুলোকে অথৈ সহমরণ এবং সম্মোহনের দুপুর করে নেয়।
উত্তাল শূন্যের মহাশূন্যজুড়ে যখন চারপাশ ধেয়ে ছুটে আসে
হরেক রকমের দূতগামী খুশি।
বোবা শব্দের মতো বসবাসেরা যখন একক মালিকানায় ইশতিহার সমান।
দিনদিন কথাবার্তা আর যাতায়াতে পুনরায় খাটো হয়ে যাওয়া আমরা
যখন ভুলে যাই সম্মিলনী গান।
আমাদের অস্তিত্বের অধরা পাতাগুলোতে
আমাদের প্রন্সেস্র যখন ‘অশুভ লিমিটেড’
এবং তার সূচিপত্র আগামি বিস্তার।
তখনও যে আমার স্বপ্নের প্রসববেদনা সাথে করে নিয়ে
বয়ে বেড়ায়...
তুমিই কিগো সেই মেয়েটি ? **********
রচনাটি "কাল সারারাত বৃষ্টি হয়েছিলো" অডিও সিডি থেকে নেওয়া হল।
সিরিজ- আজ কবিতারা কথা বলবে পার্ট-০১।
খানাকুল, হুগলি
পশ্চিমবাংলা, ভারত।
Comments (5)