আমার বুঝতে পারাকে না বুঝতে দিয়ে
আজ সন্ধ্যার তটরেখাজুড়ে
আমার লেখার খাতায়
চুল এলিয়ে শুয়ে আছে একটি কবিতা।
আর এ দৃশ্যকে দেখতে এবং মরণোত্তর করতে
আমার জানালায় এসে আকস্মিক ভিড় জমিয়েছে
যেথার যত বেসামাল নভোচারী মেঘেরা।
সুদূর মধুর সুরে তারা প্রত্যেকেই জেনে নিতে চায়
এই তুমুল স্বেচ্ছামরণের কেচ্ছা।
তাদের মিলিত জটিল কথায় ঈঙ্গিত যে বার্তা দেয়
তাতে স্পষ্ট লজ্জা, ন্যায়, নীতি পকেট ভরতি আপত্তিতে
একইসাথে কুণ্ডলীকৃত হয়ে নিমজ্জিত হয়।
এরপর প্রসঙ্গক্রমে সন্দেহজনকভাবে উঠে আসে
প্রধান কক্ষেরই সাধারণ কথা।
তারপরই-
অল্প একটুখানি মিথ্যা আর অনেক-অনেকখানি বিশ্বাস দিয়ে
প্রজাপতি-সুখ সুখের পতাকা উড়িয়ে বিভিন্নভাবে সুসম্পর্ণ হয়।
সুব্রত সামন্ত
মানামা, বাহ্রাইন / খানাকুল, ভারত।
১২.১২.২০১৪
Comments (4)