আমিও ছাড়পত্র চেয়েছিলাম, তবুও মত প্রকাশের ভীড়,
আকাশের মাঝে নীলকন্ঠ হয়ে যাতায়াত মাছরাঙার নদীতীর।
কোন পত্রিকা আমায় দেয়নি সেই খোঁজ, রোজ রোজ,
আমাকে মেরে চিল শকুন খাচ্ছে চিরটাকাল, মহা ভোজ।

ধীরে ধীরে আমার স্বাধীনতার ছাড়পত্র চেয়েছিলাম
ভুলে ভরা নান্দনিকতার মায়াময়তা এড়িয়ে গিয়েছিলাম,
ভাবতেই পারিনি লোক চক্ষুর আড়ালে সহস্র ফুল ফুটবে
আমার কবিতার আলোড়নে এমন স্বাধীন সূর্য উঠবে।

দূর বোকা, সূর্য পরাধীন ছিল নাকি! খালি দিস আমাকে ফাঁকি,
আসলে মনের বিবেকের কাছেই বাহান্ন থেকে বন্দী রাখা আখি,
বড়ই ভালবাসি, তাবেদারিত্ব করতে, নিত্য দিন মরতে
কেউ পারেনি আমারই মতো অন্ধকারের আলোকে ধরতে।

তাই, অনেক দূরের পথ পেরিয়ে শান্তি নিবিড় বাস্তবতায় একমাত্র
আমি পেলাম, স্বাধীন উপত্যকায়, মায়াময় কবিত্বের জীবনের ছাড়পত্র।