রাজধানীর শাহজাহানপুর রেল কলোনী অনেকেরই চেনা। আমার চেনা ছিলনা কিন্তু এবার ভাল করে চিনলাম ঠিক গভীর নলকূপের পাইপের মত, একটি শিশুর মৃত্যু দিয়ে যেমন খুব আটসাট করে বন্ধ করা হল পাইপের মুখ তেমন করে আটসাট করে চিনলাম।

খবরটি খুলনা থেকে আমার দিদি অামাকে ফোন করে জানালে আমি ঠিক হতভম্ব নাকি স্তম্ভিত হয়েছিলাম বলতে পারব না। তবে বার বার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম “হে ঈশ্বর, আমার জীবনটা নিয়ে তুমি শিশুটির প্রাণ বাঁচাও। সারা রাতে ঘুমাতে খুব কষ্ট হয়েছিল অামার।

আজ দুপুর আড়াইটা তিনটার দিকে তার মৃত দেহ উদ্ধার করা হয় সেই নলকূপের পাইপ থেকে। সাধারণ কিছু জনগণ দ্বারা। যেখানে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা পাইপের ভেতর কিছু নেই বলে উদ্ধার কায স্থগিত করে দেয়।


জিহাদ তুমি চলে গেলে কিন্তু কিছু প্রশ্ন রেখে গেলে। জানি না বিজ্ঞজনেরা কিভাবে তার উত্তর খুঁজবে।
জিহাদ ঈশ্বর তোমাকে বেহেস্ত নসিব করুন। তুমি চলে গিয়ে ভালই হল। তা না হলে তোমাকে কত অপরাধ করতে হত কে তা জানে। জানো তুমি যখন পাইপের নিচে মরে পড়ে আছ তখন কতজনে কত ভাবনার তোমার সৎকার করছিল? জাননা। তোমার শ্বাসরুদ্ধ মৃত্যুর খবর না জেনে যেমন মাটির উপর মানুষগুলো তোমার জন্য দোয়া করছিল তেমন রাজনৈতিক পর্যালোচনাও কম করেনি। এসব ব্যপার দেখে শুধু ভেতরে ভেতরে কেঁদেছি। কাউকে দেখাতে পারেনি। কেন জান তুমি তো অামার কেউ না। এ সভ্যজাতিরা বলবে তোমার এত পোড়ে কিসে। পাইপের ভেতর তোমার মৃত্যু যন্ত্রণা শুধু অনুভব করেছি আমি।