নক্ষত্রকে সঙ্গ দিতে যখন ভোরের আকাশে শুকতারার অস্তিত্ব প্রকাশ পায়, তখন চাঁদের অভিমানে জোছনা ক্রমশ নেমে আসছে আনন্দমোহন মাঠে;

চারিদিকে নিঃসঙ্গতা।।
নাফিসা হলের মেয়েরা ঘুমুচ্ছে।।সন্ধ‍‍্যার মুখরিত মাঠে আর কোথাও কেউ নেই।

মোয়াজ্জিনের কণ্ঠে ভেসে আসছে আযান! বিলালের সেই আযান! আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম।
"নিশ্চয়ই ঘুম থেকে নামাজ উত্তম।"

আয়েশার সহসায় কেন জানি ঘুম ভেঙে গেল।
চোখে মুখে অনিদ্রার ছাপ।।

সেই ঘুমন্ত এলোচুল নিয়ে দোতলার ব‍্যালকনিতে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা।।
অপরাজিতা গাছটায় খানিক আলো এসে পড়ছে মাঝেমধ‍্যে । আয়েশা দেখছে নিশ্চুপ সবকিছু।।

কি সুন্দর শুভ্র সফেদ জোৎস্না ঝড়িতেছে মানবশ‍ূণ‍্য মাঠে।
হলের গেইট বন্ধ, চোখের সামনে মস্ত বড় গ্রিল।

আয়েশার মনে চাচ্ছে সেথায় গিয়ে নিজেকে সঙ্গ দিতে।। কিন্তু মানব রচিত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আয়েশার হৃদয় পৌছে গিয়েছে সেখানে। আহ! আয়েশা!

শেষরাত্রিতে খোলা এলো চুলে মাঠের মধ‍‍্যিখানে বসে জোৎস্না উপভোগ করছে এক তরূণী।। কি সুন্দর সেই দৃশ‍‍্য।। চাদেঁর নরম আলো এসে পড়ছে তার চাঁদমুখে।
আমি পাশে থাকলে আয়েশার হয়তো আরো ভালো লাগতো, ঠিক জানিনা।।

মুসল্লিরা ফজরের সলাতের এর সালাম ফেরানোর পূর্বেই আয়েশাকে দিয়ে আসা হবে তার হলে।
ঘুমিয়ে থাকবে আয়েশা! কিংবা ঘুমানোর ভান করে।

খোলাচুলের আয়েশা।। 🌸💙