স্কুলে থাকাবস্থায় একটা ছেলের থেকে বেশি নম্বর পেয়ে রোল ভালো করেছিল আয়েশা।

আর ছেলেটাকে ওর মা রেজাল্ট পাওয়া মাত্রই মেরেছিল তার সামনে। আয়েশা তখন জীবনের হিসেব এতো বুঝেনি। নির্বাক দর্শকের মতো চেয়ে চেয়ে দেখছিলো। ছেলেটা এখন কোথায় আছে কেউ জানেনা। খোঁজ তো আর কেউ রাখেনা।

পড়াশোনার প্রতি অন‍‍্যদের মতো আয়েশারও একটা বোধ কাজ করতো। পরিবার থেকে জিপিএ-৫ আর মেডিকেলের স্বর্গোদ‍‍্যানের গল্প শুনানো হতো। আয়েশা বোকা শিশুর মতো তাকিয়ে তাকিয়ে শুনতো।

পাঠ‍্যপুস্তকের পড়াশোনার প্রতি আয়েশার এখন আর আগ্রহ নেই বললেই চলে। চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী সবাই অনার্স পাশ করবে বলে আয়েশাও পাশ করবে এই আরকি।

তারমানে এই নয় যে আয়েশা পড়াশোনা করে না।
আয়েশা পত্রিকা পড়ে অফলাইনে; হলে এসে দিয়ে যায় হকারেরা, বিকেল ৪টায় 'সময়' টিভিতে আন্তর্জাতিক সংবাদ দেখে সে নিয়ম করে।।
আন্তর্জাতিক ও বিশ্ব রাজনীতি বিষয়ে আয়েশার আগ্রহ অনেক আগে থেকেই ছিল।

যেখানে শেখার কিছু আছে, সেখানে ইকটু আগ্রহ হলেই আয়েশা আড়ালে আবডালে সেখান থেকে
চুপিসারে শিখে নেয়।
ইকটু ইকটু করে আয়েশা প্রতিদিন শিখছে নতুন কিছু।

আয়েশার শেখার কোনো শেষ নেই।
খোলাচুলের আয়েশা🌸