কৃষ্ণ চূড়ায় ছেয়ে থাকা ফুলের মাঝে,
তোমাকে বসিয়ে,
তোমার কৃষ্ণ চুলের সুঘ্রাণ পায় না,
আজ বহু দিন।
কলেজের জীর্ণশীর্ণ বিল্ডিংয়ের পিছনে,
যাওয়া হয়না,
দেখা হয়না কলেজের সেই বৃহ্মরাজি,
সেই তোমাকে নিয়ে।
ফাষ্ট ফুডের দোকানের সেই কর্নারে,
মেহেদী রাঙা হাতে,
তোমার পরশ মাখানো আদর,
আর পাই না।
কেউ বলেনা মোর কবিতার পংক্তির,
ছন্দের কথা,
নেই আর সেই আবেগ জড়ানো,
হৃদয়ের কথামালা।
তোমার অবুঝ ভালবাসার ছোঁয়ায়,
আর শিহরিত হইনা,
আজ বহুদিন নেই তুমি নয়নে সম্মুখে,
রয়েছো যোজন দূরত্বে।
আজ তুমিহীনা জীবন মরু বসুন্ধরা,
বহে,তপ্ত লু হাওয়া।
শূন্য জীবন এলোমেলো খাপছাড়া,
আছে পড়ে তোমার ছায়া,
হাজারো চেষ্টায় শত প্রচেষ্টায়,
ভোলা যায় না তোমাকে।
এখন কবিতার পালকেরা উড়তে চায়না,
তারা দেয় না ধরা।
তারা হয়না আর আবেগ তাড়িত,
যেমনটা আগে হতো।
গহিন থেকে গহীনে লুকাই আমি,
হৃদয় গহীন গহ্বরে।
খুজেঁ পায়না আগের আমাকে,
যে আমাকে তুমি সাজাতে।
স্বপ্ন গুলো আসে ছন্নছাড়া,
নেই সেখানে মায়া।
স্বপ্ন গহীনে সাঁতারে বেড়ায়,
পায়না খুজেঁ খেঁয়া।
শূন্য মনে পূর্ণ দেহে চলছি আমি,
শূন্যে ভেসে।
শূণ্য তুমি জীর্ণ দেহ টানছি আমি,
সময় স্রোতে।
দিনগুলো গিয়ে রাত্রি হচ্ছে,
আমি রয়েছি পড়ে।
সময় গুলোর ব্যপ্তি বাড়ছে,
মন থাকেনা ঘরে।
একসময়ের যুবক আমি,
একি হয়েছে হাল।
তোমায় ছাড়া নিঃশ্ব আমি,
চলছে না মোর দিনকাল।
কেমন করে পারলে তুমি,
এই আমাকে ঠকাতে।
কখনো আমি চাইনি জীবন,
তুমি ছাড়া সাজাতে।
2-06-13
Comments (16)