করিতে বসিয়া কবিতা রচন
পাইনা খুজিয়া মধুর বচন।
মিলিলে কথা না মিলে ছন্দ,
চরণে চরণে লাগে কি দন্দ!
মনেতে আসিয়া মেলেনা ভাব,
অন্তমিলের ঘটে অভাব।
রবীন্দ্রনাথ পড়ি যখন
ব্যাকুল হইয়া পড়ে এ মন।
ভাবি, আমিও পাড়িবো তা
লিখতে গেলেই ধরে মাথা।
তবুও একদিন ভোরে অতি
প্রণমিয়া দেবী স্বরস্বতি,
বসিনু লিখিতে কাব্য মধুর
ভাবিয়া রাঙা মুখটি বধূর।
হইয়া রহিনু বাক্য হারা
কবিতা লিখা হলোনা সারা।
কারনটা নহে গোপণ অতি-
এসেছিলেন কবিতা মূর্তিমতী,
সামনে আসিয়া হাসিলো যেই
হারাইয়া ফেলিনু কথার খেই।
হৃদয়ে লাগিলো বসন্ত হাওয়া
হলোনা আমার কবি হওয়া।