১) এক দুই তিন চার

অধ্যাপক। আমি সবার বড় কারণ আমি উঁচু শ্রেণীতে অঙ্ক করাই।
স্কুল মাস্টার। আমি বেস তৈরী করি। নীচু শ্রেণীর গণিত না শিখলে উঁচু শ্রেণীর অঙ্ক মাথায় ঢুকবে কি করে?
অধ্যাপক। তাহলে যারা এক দুই তিন চার শেখায়, তারা আপনার থেকেও বড়!

২) গঙ্গা

বাবা। গঙ্গার ডুব দিয়ে আয়, সব পাপ ধুয়ে যাবে।
ছেলে। মাগো! গঙ্গা দিয়ে কত মরা ভেসে যায়!
বাবা। তবুও গঙ্গা পবিত্র।
ছেলে। একেবারে মানুষের মতো, মান ও হুঁশ নেই, তবুও মানুষ।

৩) বিছুটি পাতা

অমিত। বাবা রোজ পুজো করে তুলসী পাতা দিয়ে ঠাকুরের প্রসাদ খান।
অজয়। একদিন তুলসী পাতার বদলে বিছুটি পাতা রেখে দিস প্রসাদের থালায়।

৪) লিঙ্গ

স্যার। তুমি রোজ ক্লাসে ঘুমাও, তুমি কি ক্লীবলিঙ্গ?
ছাত্র। আজ্ঞে, স্যার আপনি উভলিঙ্গ।

৫) এক স্বামীর সত্য প্রকাশ

'আমার কানের কাছে সারাদিন ক্যাঁচক্যাঁচ করছো, ঠিক আছে, আমি মেনে নেবো। কিন্তু কাজের লোকের সামনে এরকম ক্যাঁচক্যাঁচ করবে না কখনো, তাহলে কাজের লোক সব ফেলে পালাবে। বেশী দিন কাজের লোক টিকবে না। ভয় নেই, আমি কখনো পালাবো না কারণ আমি টেকসই'!

৬) চরিত্র

মেয়ের বাবা। বাবাজীবন, তোমার চরিত্র কেমন?
পাত্র। আজ্ঞে, ফ্লেক্সিবল ইন ক্যারেক্টার বাট নেভার ক্যারেক্টারলেস।

৭) টুকে পাস

'দাদা, আপনি কি টুকে পাস'?
'কাগজের টুকরো গুলো আপনার বৌ পরীক্ষার হলে সরবরাহ করেছে আমাকে'।

৮) বাঁদর খেলা

স্বামী। এখন আর বাঁদর খেলা যায় না।
স্ত্রী। সব বাঁদর যে মানুষ হয়ে গেছে।