ব্রিজের নীচে খুপরি ঘর,
তারই ভিতর এক লহমার শুকনো বাসর।

প্রেম যেন ভিজে প্রদীপ- দপ করে জ্বলে, দপ করে নেভে।
টাকার বিনিময়ে প্রেম নষ্ট হয় ক্ষোভে।

খানিক সুখে মত্ত হলে নষ্ট হয় চরিত্র,
আঁচ লাগে প্রাণে, অপবিত্র হয় গাত্র।

ওরা গর্বিত- কাজ করে, খেটে খায়;
চাকরি করে মানব সেবার- এতে কী এসে যায় !

ঘরের মেয়ে থাকে ঘরে, চাকুরে মেয়ে আপিসে,
কাজের মাসি কাজ করে, বাজারের ওরা হাতছানি দিয়ে হাসে।

পুরুষের খিদে প্রবল, মেয়েরা তার শিকার।
মেয়েদের খিদে বেশি থাকতে নেই- এটাই সামাজিক আচার।

পুরুষের চরিত্র হারালে মর্যাদা বাড়ে।
মেয়ে মানুষই নষ্ট হয় কেবল, বাস করে একঘরে।

ঘরগুলো থেকে আসে তোলা, আসে কর ।
তুচ্ছ দেহ কিনেছে ব্যবসাদারে, খদ্দেরে করে দামদর।

পেটের দায়ে নিরীহ মেয়ে কত গেছে ভেসে বন্যায়,
তবুও মেটেনি খিদে, খেতে কী এসে যায় !

মেয়ে মানুষ কী কিনবে কভু পুরুষের দেহ-
এই প্রশ্ন নিয়ে কেন কেউ কোনও দিনও করেনি কলহ ?