সমরেশ : ডায়েট চার্ট মেনে সমস্ত রোগীকে ঠিকঠাক খাবার পরিবেশন করো কি !
মর্ত্যবাসী ঠিকাদার : ডায়েট চার্ট মেনে সকালে জলখাবারে - পাঁউরুটি, কলা, ডিম, দুধ; দুপুরে - ভাত, ডাল, সব্জি, মাছ আর রাতে - ভাত, ডাল, সব্জি, ডিম। সবই নিয়ম মেনে দেওয়া হয়।

সমরেশ: কিন্তু দিনে মাথাপিছু শুধু মাত্র ৫০ টাকা বরাদ্দে কী ভাবে তিনবারের এই আয়োজন সম্ভব হয়?
মর্ত্যবাসী ঠিকাদার : বাবু আপনি ভেতরের খবর জানেন না, তাই বলছেন। আসলে যাঁরা ভর্তি থাকেন, তাঁরা সকলেই আমাদের দেওয়া খাবার খান না। সবার তো এই খাবার পছন্দ নয় অনেকেই বাড়ি থেকে খাবার আনায়। একেবারে যারা গরীব, সব মিলে সিকি ভাগ রোগী খায়। সবার জন্য আমরা খাবার বানাই না। তাই ৩০ টাকায় ও সারাদিনে তিনবার খাবার দিতে পারি। এর মধ্যে বরাত পাওয়ার জন্য বাবুদের ও কমিশন ৩০% বরাদ্য তো আছেই। আপনারা তো সব জানেন ! কন্ট্রাক্ট ছেড়ে দিলে আমরা খাবো কি।

সমরেশ : বুঝলুম। তাহলে তো তোমরা আরো কম টাকায় খাবার দিতে পারো ! !
মর্ত্যবাসী ঠিকাদার : হ্যাঁ পারি। ১০ টাকায় ও ৩ বার। তাহলে প্রত্যেক রোগীর বাড়ি থেকে প্রতিদিন ৩ বারই খাওয়ার আসবে। আমাদের আর কোনো কষ্ট করতে হবে না। শুধু একটাই চিন্তা থাকবে মাসের শেষে, বিলটা সই করার আগে টাকা দেওয়া ছাড়া। হে.... হে.... হে.....