ভোম্বলদা : এ ভাই, গতকাল তোমাদের গ্রামে কি উত্সব হয়েছিল গো।
মর্ত্যবাসী : গতকাল ডাইনি উচ্ছব ছিল গ।
ভোম্বলদা : ডাইনী উত্সব ! সে আবার কি। ঠাকুর মহোত্সব শুনেছি। এটা আবার কোন ঠাকুরের উত্সব গো।
মর্ত্যবাসী : ন্যাকা ! কিচ্ছু জানে না। কাল এক ফর্সা বুড়িকে মারইয়া খাই লইছি। মোদের দেশ্যা যত ঠোক্রী বুড়ি আছে এসব ডাইনি গ। কাল মোদের সর্দ্দার কাল্লুজি বলেঠ্যা, এনে সব ডাইনি বুড়ি। সব রাক্ষসী। এইজন্য বুজছি মোদের ঘরের বুড়ি বেশি বেশি পাখ্যাল খায় কেনে।
ভোম্বলদা : দূর বোকা ! মায়েরা কখনো ডাইনী রাক্ষসী হয়। উনারা তোমাদের জন্ম দিয়ে এই পৃথিবীর আলো দেখিয়েছে । পৃথিবীর একটু কষ্ট হলে নড়ে আর তোমাদের ঘর, গাছ, আম ফেলে দেয় ঝড়ে। বুঝতে পারনা যতই কষ্ট আসুক মা কি কখনো তার সন্তান নষ্ট করে, না ফেলে দেয়, না লুকিয়ে খায়।
মর্ত্যবাসী : ও এইকথা কওঠত । যে লুকি কি খাবে সেই ডাইনি রাক্ষসী। তাকেই মারব। বাবু এবার থেক্যা বুড়িদের কি আর মার্বনী, সে কালাগোরা যেটা হবে খাই লিব । তুমি একটু দাঁড়াও। আমরু ঘরের কালাবুড়ি আর পচার ঘরের গোরাবুড়ি লুকিকি খায়েঠে নাকি দেখ্যা আসি।