ভেবেছিলাম আজ আর লিখবো না কিছুই।
শরতের আকাশে মেঘ-রোদ্দুরের খেলা,
ধীরে ধীরে আকাশের হাসি গেল মিলিয়ে,
বকুনি খাওয়া শিশুর মতো গোমড়া মুখে
আকাশটা এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে কান্নার।
বাজারে বেরিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ বৃষ্টি,
কাক-ভেজা হতে হল অসময়ের বৃষ্টিতে।
সন্ধে হতে না হতেই বেশ জ্বর জ্বর ভাব।
ওদিকে আবার শেয়ার বাজারে হঠাৎ পতন,
বেশ কিছু টাকা খসে গেল অপ্রত্যাশিত ভাবে।
আকাশটার মতোই মন-মরা হয়ে বসে আছি,
হঠাৎ মুঠো ফোনে নতুন সেট করা রিং টোন
'পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে' এলো কানে।
পরিচিতদের নাম্বার সেভ করা আছে সেটে,
এ যে দেখি নাম নয়, অজানা এক নাম্বার!
রিসিভ করতেই মধু-ঢালা সুরেলা কন্ঠ,
'বলো তো আমি কে?'তারপর একেবারে চুপ,
বেশ মুশকিলে পড়ে গেলাম,স্মৃতি হাঁতড়ে
এমন কণ্ঠের আবছা হদিশ পেলাম বটে,
কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারলাম না
কণ্ঠের মালকিনটি কে? সেই যে গানটা-
'চেনা চেনা লাগে তবু অচেনা'সেই রকম;
তাছাড়া ফোনের কণ্ঠস্বর সর্বদাই একটু
অন্যরকম লাগেই স্বাভাবিকের তুলনায়।
কে হতে পারে! কে হতে পারে!ভেবেই চলেছি
হঠাৎ মধু-কণ্ঠে বলে ওঠে দূরভাষিণী,
'চিনতে পারলে না তো?'একটু দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে
বলে ওঠে,'এই তোমার ভালবাসার দৌড়?'
তারপরই কেটে দিল লাইন আচমকা।
তারপর থেকে কত বার যে আমি করেছি
কল-ব্যাক,নেই কোন ইয়ত্বা তার,প্রতি বারে
একটাই জবাব আসে,সুইচ্ড অফ সুইচ্ড অফ।
Comments (4)